নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগের আগামীকাল মঙ্গলবারের (১৩ মে) কার্যতালিকায় রয়েছে। এই আপিলের সঙ্গে প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে দলটির একটি আবেদনও তালিকায় রয়েছে।
আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কার্যতালিকায় দেখা গেছে, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য দ্বিতীয় ক্রমিকে রয়েছে। সেই সঙ্গে ২০১৩ সালে দলটির করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও নির্দেশনা (প্রতীক বিষয়ে) চেয়ে করা একটি আবেদনও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দেয়। তবে পরের বছর তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ কয়েকজন নিবন্ধন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে দলটিকে আপিলের অনুমতিও দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে জামায়াতে ইসলামী আপিল করে। ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আপিল বিভাগ জামায়াতের আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর বিলম্ব মার্জনার আবেদনসহ পৃথক দুটি আবেদন করে দলটি। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত শুনানির জন্য বিষয়টি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান। পরে ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন ফিরে পেতে জামায়াতের আপিল পুনরুজ্জীবিত করেন। এরপর ৩ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু হয়।
এদিকে জামায়াত-শিবিরকে গত বছরের ১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিষিদ্ধ করা হয়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৮ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাস-সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য–প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকার বিশ্বাস করে, জামায়াত–শিবিরসহ এর সহযোগী সংগঠন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত নয়।
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগের আগামীকাল মঙ্গলবারের (১৩ মে) কার্যতালিকায় রয়েছে। এই আপিলের সঙ্গে প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে দলটির একটি আবেদনও তালিকায় রয়েছে।
আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কার্যতালিকায় দেখা গেছে, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য দ্বিতীয় ক্রমিকে রয়েছে। সেই সঙ্গে ২০১৩ সালে দলটির করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও নির্দেশনা (প্রতীক বিষয়ে) চেয়ে করা একটি আবেদনও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দেয়। তবে পরের বছর তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ কয়েকজন নিবন্ধন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে দলটিকে আপিলের অনুমতিও দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে জামায়াতে ইসলামী আপিল করে। ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আপিল বিভাগ জামায়াতের আপিল খারিজ করে দেয়। এরপর বিলম্ব মার্জনার আবেদনসহ পৃথক দুটি আবেদন করে দলটি। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত শুনানির জন্য বিষয়টি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান। পরে ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন ফিরে পেতে জামায়াতের আপিল পুনরুজ্জীবিত করেন। এরপর ৩ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু হয়।
এদিকে জামায়াত-শিবিরকে গত বছরের ১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিষিদ্ধ করা হয়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এরপর জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৮ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাস-সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য–প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকার বিশ্বাস করে, জামায়াত–শিবিরসহ এর সহযোগী সংগঠন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত নয়।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে