নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দুই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব সময়মতো না দেওয়ায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইইডির ইতিহাসে এই ঘটনা নজিরবিহীন বলছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এ নিয়ে চলছে তোলপাড়।
প্রকল্প দুটি হলো বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, বিজিবি হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) এবং সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ (দ্বিতীয় সংশোধিত)।
গত ৩০ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এস এম ইমরুল হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশ থেকে বিষয়টি জানা যায়। এক অফিস আদেশে বলা হয়, পরিপত্র অনুযায়ী প্রকল্পের সংশোধন/মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্তির তিন মাস আগে পাঠানোর কথা থাকলেও ‘সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিন আগে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ওই প্রকল্পের ওপর গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পিএসসি সভায় ১ সপ্তাহের সংশোধিত প্রকল্প দলিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হলেও তা যথাসময়ে পাওয়া যায়নি। প্রকল্পটির এ পর্যায়ে এসে মেয়াদ বৃদ্ধিসহ সংশোধনী প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ পরিকল্পনা শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
একইভাবে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, বিজিবি হেড কোয়ার্টার্স, ঢাকার অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি মেয়াদ শেষ হওয়ার ৫ দিন আগে পাঠানো হয়েছে বলে অপর এক আদেশে উল্লেখ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বলছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অদক্ষতার কারণেই মূলত প্রধান প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানো হয়েছে; যা ইইডির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আর এ নিয়ে চলছে তোলপাড়। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।
প্রকৌশলীরা আরও বলছেন, ঢালাওভাবে বদলি, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি, বিভিন্ন জেলার প্রকৌশলীদের দফায় দফায় শোকজ করার কারণে বেশ কিছু দিন ইইডিতে স্থবিরতা বিরাজ করছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
ইইডি সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনের সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত, সংস্কার এবং আসবাব সরবরাহ করে। এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগ, আইসিটি সুবিধা দেওয়ার কাজও করে থাকে অধিদপ্তরটি।
ইইডি সূত্র বলছে, প্রকল্পের মেয়াদ (৩০ জুন) শেষ হওয়ার আগে এই দুই প্রকল্পের অব্যয়িত প্রায় ৩ কোটি টাকা অগ্রিম উত্তোলন করা হয়েছিল। যাতে মেয়াদ শেষের পরও কাজ করে বিল পরিশোধ করা যায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও এসএমএস করা হলেও সাড়া দেননি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. হুমায়ুন কবীর।
জানতে চাইলে ইইডির প্রধান প্রকৌশলী বলেন, বিভিন্ন কারণে এই দুই প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। আর প্রকল্পের প্রস্তাবনা দেরিতে পাঠানোর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও খবর পড়ুন:
দুই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব সময়মতো না দেওয়ায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইইডির ইতিহাসে এই ঘটনা নজিরবিহীন বলছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এ নিয়ে চলছে তোলপাড়।
প্রকল্প দুটি হলো বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, বিজিবি হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) এবং সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ (দ্বিতীয় সংশোধিত)।
গত ৩০ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এস এম ইমরুল হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশ থেকে বিষয়টি জানা যায়। এক অফিস আদেশে বলা হয়, পরিপত্র অনুযায়ী প্রকল্পের সংশোধন/মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্তির তিন মাস আগে পাঠানোর কথা থাকলেও ‘সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক দিন আগে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ওই প্রকল্পের ওপর গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পিএসসি সভায় ১ সপ্তাহের সংশোধিত প্রকল্প দলিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হলেও তা যথাসময়ে পাওয়া যায়নি। প্রকল্পটির এ পর্যায়ে এসে মেয়াদ বৃদ্ধিসহ সংশোধনী প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ পরিকল্পনা শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
একইভাবে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, বিজিবি হেড কোয়ার্টার্স, ঢাকার অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি মেয়াদ শেষ হওয়ার ৫ দিন আগে পাঠানো হয়েছে বলে অপর এক আদেশে উল্লেখ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বলছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অদক্ষতার কারণেই মূলত প্রধান প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানো হয়েছে; যা ইইডির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আর এ নিয়ে চলছে তোলপাড়। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।
প্রকৌশলীরা আরও বলছেন, ঢালাওভাবে বদলি, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি, বিভিন্ন জেলার প্রকৌশলীদের দফায় দফায় শোকজ করার কারণে বেশ কিছু দিন ইইডিতে স্থবিরতা বিরাজ করছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
ইইডি সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনের সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত, সংস্কার এবং আসবাব সরবরাহ করে। এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগ, আইসিটি সুবিধা দেওয়ার কাজও করে থাকে অধিদপ্তরটি।
ইইডি সূত্র বলছে, প্রকল্পের মেয়াদ (৩০ জুন) শেষ হওয়ার আগে এই দুই প্রকল্পের অব্যয়িত প্রায় ৩ কোটি টাকা অগ্রিম উত্তোলন করা হয়েছিল। যাতে মেয়াদ শেষের পরও কাজ করে বিল পরিশোধ করা যায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও এসএমএস করা হলেও সাড়া দেননি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. হুমায়ুন কবীর।
জানতে চাইলে ইইডির প্রধান প্রকৌশলী বলেন, বিভিন্ন কারণে এই দুই প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। আর প্রকল্পের প্রস্তাবনা দেরিতে পাঠানোর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও খবর পড়ুন:
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে