বাংলাদেশে সম্প্রতি ফেনী ও নোয়াখালী জেলায় ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ বিতরণের জন্য একটি তহবিল গড়ছে সিঙ্গাপুর রেডক্রস। এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে সংস্থাটির তহবিলে এক লাখ মার্কিন ডলার প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় এখন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
বাংলাদেশের বন্যার্তদের সেবায় তহবিল দেওয়ার বিষয়ে রোববার সিঙ্গাপুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এই অবদান মানবিক ত্রাণ প্রচেষ্টা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে কাজে লাগবে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে বন্যার্তদের জন্য জরুরি কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ৫০ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সিঙ্গাপুর রেডক্রস। বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করতে একটি তহবিল সংগ্রহেরও ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। চলমান ওই তহবিলেই এক লাখ ডলার প্রদান করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম চলবে।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সিঙ্গাপুর রেডক্রসের মহাসচিব বেঞ্জামিন উইলিয়াম বলেছেন, ‘প্রচণ্ড বন্যার কারণে প্রাণহানি এবং বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষদের জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’
বেঞ্জামিন জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এবং সহযোগিতা ও সহায়তার ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলো সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে সিঙ্গাপুর রেডক্রস।
আগস্টের শেষ দিকে বাংলাদেশে সংঘটিত ভয়াবহ বন্যা ৪৯২টি পৌরসভার ৫৮ লাখের বেশি মানুষকে প্রভাবিত করেছে। আর ৩ হাজার ৪০৩টি নিরাপদ কেন্দ্রে অন্তত ৫ লাখ ২ হাজার ৫০১ জনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বেঞ্জামিন।
এদিকে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলেছে, বাংলাদেশে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে ২০ লাখ শিশু। সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সাড়ে ৩ কোটি মার্কিন ডলারের একটি জরুরি তহবিল গড়ার কাজ শুরু করেছে।
বাংলাদেশে সম্প্রতি ফেনী ও নোয়াখালী জেলায় ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ বিতরণের জন্য একটি তহবিল গড়ছে সিঙ্গাপুর রেডক্রস। এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে সংস্থাটির তহবিলে এক লাখ মার্কিন ডলার প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় এখন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
বাংলাদেশের বন্যার্তদের সেবায় তহবিল দেওয়ার বিষয়ে রোববার সিঙ্গাপুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এই অবদান মানবিক ত্রাণ প্রচেষ্টা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে কাজে লাগবে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে বন্যার্তদের জন্য জরুরি কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ৫০ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সিঙ্গাপুর রেডক্রস। বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করতে একটি তহবিল সংগ্রহেরও ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। চলমান ওই তহবিলেই এক লাখ ডলার প্রদান করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম চলবে।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সিঙ্গাপুর রেডক্রসের মহাসচিব বেঞ্জামিন উইলিয়াম বলেছেন, ‘প্রচণ্ড বন্যার কারণে প্রাণহানি এবং বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষদের জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’
বেঞ্জামিন জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এবং সহযোগিতা ও সহায়তার ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলো সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে সিঙ্গাপুর রেডক্রস।
আগস্টের শেষ দিকে বাংলাদেশে সংঘটিত ভয়াবহ বন্যা ৪৯২টি পৌরসভার ৫৮ লাখের বেশি মানুষকে প্রভাবিত করেছে। আর ৩ হাজার ৪০৩টি নিরাপদ কেন্দ্রে অন্তত ৫ লাখ ২ হাজার ৫০১ জনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বেঞ্জামিন।
এদিকে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলেছে, বাংলাদেশে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে ২০ লাখ শিশু। সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সাড়ে ৩ কোটি মার্কিন ডলারের একটি জরুরি তহবিল গড়ার কাজ শুরু করেছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে