শরীয়তপুর প্রতিনিধি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর বাড়ি, গাড়ি নেই। এমনকি তাঁর স্থাবর সম্পত্তিও কমেছে। তবে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর নগদ অর্থ বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, ইকবাল হোসেন অপু এম. এ পাস এবং পেশায় কৃষক। তবে তাঁর নিজের কোনো কৃষি জমি নেই, নেই কোনো গাড়ি-বাড়িও। পাঁচ বছর আগে অকৃষি পাঁচ কাঠা জমি থাকলেও এখন তাও নেই। নগদ টাকা ছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা, বন্ড, ঋণপত্র, শেয়ারে বিনিয়োগ, বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে স্থায়ী আমানতসহ অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কমেছে ইকবাল হোসেন অপুর। পাঁচ বছর আগে তাঁর স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লাখ টাকা থাকলেও এখন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো টাকা জমা নেই। ইকবাল হোসেন অপু ও তার স্ত্রীর নগদ টাকা কিছুটা বেড়েছে।
হলফনামার তথ্য মতে, বাৎসরিক আয় বেড়েছে ইকবাল হোসেন অপুর। বর্তমানে তাঁর বাৎসরিক আয় ৫২ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩৪ টাকা, সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত পারিতোষিক ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৯০০ টাকা বাৎসরিক আয় করে থাকেন। ৫ বছর আগে ইকবাল হোসেন অপুর বাৎসরিক আয় ছিল ২২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৯৩ টাকা। তখন শুধু মাত্র কৃষি খাত থেকে ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৮০০ টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত থেকে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৩ টাকা আয় করতেন।
ইকবাল হোসেন অপুর ওপর নির্ভরশীলদের পাঁচ বছরে আয় বেড়েছে মাত্র ১৩ হাজার ৬০০ টাকা। বর্তমানে তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের ব্যবসায় খাত থেকে আয় ৬ লাখ টাকা। পাঁচ বছর আগেও একই খাত থেকে নির্ভরশীলদের আয় ছিল ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা।
বর্তমানে ইকবাল হোসেন অপু ৩ কোটি ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪১৮ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক। পাঁচ বছর আগে ইকবাল হোসেন অপু ১ কোটি ৫২ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন। পাঁচ বছরে তার অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৮৮ হাজার ২৭৩ টাকা। এর মধ্যে তাঁর কাছে নগদ রয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে ১৮ লাখ ৪২ হাজার ২৯৮ টাকা। বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ারে রয়েছে ৭ লাখ টাকা। বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে রয়েছে ৬৩ লাখ ৮১ হাজার ৫২৪ টাকা। স্বর্ণালংকার রয়েছে ২০ ভরি, যার অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ৩ লাখ টাকা। ইকবাল হোসেন অপুর কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী বা আসবাবপত্র নেই। তাঁর অন্যান্য খাতে রয়েছে ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
বর্তমানে শরিয়তপুর-২ আসনের এই সংসদ সদস্যের স্ত্রী ৭০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪১ টাকার মালিক। পাঁচ বছর আগে ইকবাল হোসেন অপুর স্ত্রী ৫১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন। পাঁচ বছরে ইকবাল হোসেন অপুর স্ত্রীর সম্পত্তি বেড়েছে ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯৭২ টাকা। বর্তমানে তাঁর কাছে একটি মোটরগাড়ি (অর্জনকালীন মূল্য) রয়েছে ৩০ লাখ টাকা ২৪ হাজার ৮৪১ টাকা মূল্যের, স্বর্ণালংকার রয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার।
এর বাইরে, অপুর স্ত্রীর ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে ১টি টেলিভিশন, ২ ফ্রিজ ও ২টা এসি রয়েছে। যার মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া অপুর স্ত্রীর ১ সেট করে সোফা, ডাইনিং টেবিল, ৩ টি খাট ও ২টি আলমারি রয়েছে, যার মূল্য ২ লাখ টাকা। অন্যান্য খাতে তাঁর রয়েছে ১৮ লাখ ৪২ হাজার টাকা।
বর্তমানে ভূমিহীন ইকবাল হোসেন অপু। তাঁর নামে কোনো কৃষি বা অকৃষিজ জমি নেই। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় অপুর নিজ নামে ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫ কাঠা অকৃষি জমি স্থাবর সম্পত্তি ছিল। এ ছাড়া বর্তমানে তাঁর একটি মৎস্য খামার রয়েছে। যে খামার থেকে তিনি বছরে ৪৫ লাখ টাকা আয় করেন। ৫ বছর আগেও এই খামারটি তাঁর ছিল। তখনো তিনি খামারটি থেকে ৪৫ লাখ টাকা আয় করতেন।
ইকবাল হোসেন অপু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগেও তাঁর স্ত্রী ৫ লাখ ৩ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের ২ দশমিক ৫ কাঠা অকৃষিজ জমির মালিক ছিলেন। বর্তমানেও তাঁর স্ত্রী ওই একই পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
ইকবাল হোসেন অপুর নামে দণ্ডবিধি ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় ঢাকা মহানগর যুগ্ম দায়রা জজের ষষ্ঠ আদালতে একটি মামলা ছিল। ২০১০ সালে মামলাটি থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর বাড়ি, গাড়ি নেই। এমনকি তাঁর স্থাবর সম্পত্তিও কমেছে। তবে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর নগদ অর্থ বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, ইকবাল হোসেন অপু এম. এ পাস এবং পেশায় কৃষক। তবে তাঁর নিজের কোনো কৃষি জমি নেই, নেই কোনো গাড়ি-বাড়িও। পাঁচ বছর আগে অকৃষি পাঁচ কাঠা জমি থাকলেও এখন তাও নেই। নগদ টাকা ছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা, বন্ড, ঋণপত্র, শেয়ারে বিনিয়োগ, বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে স্থায়ী আমানতসহ অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কমেছে ইকবাল হোসেন অপুর। পাঁচ বছর আগে তাঁর স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লাখ টাকা থাকলেও এখন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো টাকা জমা নেই। ইকবাল হোসেন অপু ও তার স্ত্রীর নগদ টাকা কিছুটা বেড়েছে।
হলফনামার তথ্য মতে, বাৎসরিক আয় বেড়েছে ইকবাল হোসেন অপুর। বর্তমানে তাঁর বাৎসরিক আয় ৫২ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩৪ টাকা, সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত পারিতোষিক ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৯০০ টাকা বাৎসরিক আয় করে থাকেন। ৫ বছর আগে ইকবাল হোসেন অপুর বাৎসরিক আয় ছিল ২২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৯৩ টাকা। তখন শুধু মাত্র কৃষি খাত থেকে ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৮০০ টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত থেকে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৩ টাকা আয় করতেন।
ইকবাল হোসেন অপুর ওপর নির্ভরশীলদের পাঁচ বছরে আয় বেড়েছে মাত্র ১৩ হাজার ৬০০ টাকা। বর্তমানে তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের ব্যবসায় খাত থেকে আয় ৬ লাখ টাকা। পাঁচ বছর আগেও একই খাত থেকে নির্ভরশীলদের আয় ছিল ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪০০ টাকা।
বর্তমানে ইকবাল হোসেন অপু ৩ কোটি ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪১৮ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক। পাঁচ বছর আগে ইকবাল হোসেন অপু ১ কোটি ৫২ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন। পাঁচ বছরে তার অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৮৮ হাজার ২৭৩ টাকা। এর মধ্যে তাঁর কাছে নগদ রয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে ১৮ লাখ ৪২ হাজার ২৯৮ টাকা। বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ারে রয়েছে ৭ লাখ টাকা। বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে রয়েছে ৬৩ লাখ ৮১ হাজার ৫২৪ টাকা। স্বর্ণালংকার রয়েছে ২০ ভরি, যার অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ৩ লাখ টাকা। ইকবাল হোসেন অপুর কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী বা আসবাবপত্র নেই। তাঁর অন্যান্য খাতে রয়েছে ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
বর্তমানে শরিয়তপুর-২ আসনের এই সংসদ সদস্যের স্ত্রী ৭০ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪১ টাকার মালিক। পাঁচ বছর আগে ইকবাল হোসেন অপুর স্ত্রী ৫১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন। পাঁচ বছরে ইকবাল হোসেন অপুর স্ত্রীর সম্পত্তি বেড়েছে ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯৭২ টাকা। বর্তমানে তাঁর কাছে একটি মোটরগাড়ি (অর্জনকালীন মূল্য) রয়েছে ৩০ লাখ টাকা ২৪ হাজার ৮৪১ টাকা মূল্যের, স্বর্ণালংকার রয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার।
এর বাইরে, অপুর স্ত্রীর ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে ১টি টেলিভিশন, ২ ফ্রিজ ও ২টা এসি রয়েছে। যার মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া অপুর স্ত্রীর ১ সেট করে সোফা, ডাইনিং টেবিল, ৩ টি খাট ও ২টি আলমারি রয়েছে, যার মূল্য ২ লাখ টাকা। অন্যান্য খাতে তাঁর রয়েছে ১৮ লাখ ৪২ হাজার টাকা।
বর্তমানে ভূমিহীন ইকবাল হোসেন অপু। তাঁর নামে কোনো কৃষি বা অকৃষিজ জমি নেই। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় অপুর নিজ নামে ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫ কাঠা অকৃষি জমি স্থাবর সম্পত্তি ছিল। এ ছাড়া বর্তমানে তাঁর একটি মৎস্য খামার রয়েছে। যে খামার থেকে তিনি বছরে ৪৫ লাখ টাকা আয় করেন। ৫ বছর আগেও এই খামারটি তাঁর ছিল। তখনো তিনি খামারটি থেকে ৪৫ লাখ টাকা আয় করতেন।
ইকবাল হোসেন অপু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগেও তাঁর স্ত্রী ৫ লাখ ৩ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের ২ দশমিক ৫ কাঠা অকৃষিজ জমির মালিক ছিলেন। বর্তমানেও তাঁর স্ত্রী ওই একই পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
ইকবাল হোসেন অপুর নামে দণ্ডবিধি ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় ঢাকা মহানগর যুগ্ম দায়রা জজের ষষ্ঠ আদালতে একটি মামলা ছিল। ২০১০ সালে মামলাটি থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে