নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে পণ্যের মূল্য এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। একচেটিয়া বাণিজ্য বন্ধ করে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আজ সোমবার বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন আয়োজিত ‘ব্যবসা-বাণিজ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ী সংগঠনসমূহের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে প্রতিযোগিতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবার পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। কোনো মহলকে হয়রানি করার জন্য সরকার প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেনি। প্রতিযোগিতা কমিশনকে সবার আস্থা অর্জন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রতিযোগিতা কমিশন আইন সম্পর্কে জানতে হবে এবং নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে হবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিযোগিতা কমিশনের সুফল পাওয়ার জন্য সবাই কাজ করছে। বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে, পণ্যের উৎপাদন ও মূল্য স্বাভাবিক থাকবে। অবৈধ মজুতের সুযোগ থাকবে না। মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন।’
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য ড. এ এফ এম মনজুর কাদির।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য জি এম সালাহ উদ্দিন।
বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে পণ্যের মূল্য এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। একচেটিয়া বাণিজ্য বন্ধ করে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আজ সোমবার বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন আয়োজিত ‘ব্যবসা-বাণিজ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ী সংগঠনসমূহের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে প্রতিযোগিতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবার পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। কোনো মহলকে হয়রানি করার জন্য সরকার প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেনি। প্রতিযোগিতা কমিশনকে সবার আস্থা অর্জন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রতিযোগিতা কমিশন আইন সম্পর্কে জানতে হবে এবং নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে হবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিযোগিতা কমিশনের সুফল পাওয়ার জন্য সবাই কাজ করছে। বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে, পণ্যের উৎপাদন ও মূল্য স্বাভাবিক থাকবে। অবৈধ মজুতের সুযোগ থাকবে না। মানুষ ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন।’
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য ড. এ এফ এম মনজুর কাদির।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য জি এম সালাহ উদ্দিন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে