কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা
ভিসা না পাওয়ার কারণে গত দশ বছর বাংলাদেশে আসতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা এই সাবেক রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘গত দশ বছর ভিসা না পাওয়ার কারণে বাংলাদেশে আসতে পারিনি।’
আজ শনিবার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন গতিপথ শীর্ষক এক সংলাপে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক জন এফ ড্যানিলোভিচও এই সংলাপে অংশ নেন।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এ সংলাপের আয়োজন করে।
বাংলাদেশের বারবার গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করার তাগিদ দিয়ে উইলিয়াম বি মাইলাম বলেন, শেখ হাসিনা ২০১৪ সাল থেকে ধীরে ধীরে গণতন্ত্র কেড়ে নিতে শুরু করেন। কিন্তু এখানে স্থিতিশীলতার জন্য মানুষ পরিবর্তন চায়। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় নিয়ে পরবর্তী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা দরকার।
বিশ্বের হালনাগাদ প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করতে কোথায় কী পরিবর্তন আসছে, তার ওপরও নজর রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
২০০৭-২০০৮ সালে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে ড্যান মজিনার সহকারী কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড্যানিলোভিচ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ভুল পক্ষে ছিল। বাংলাদেশে ওয়ান-ইলেভেনের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র ভুল করেছিল। সে সময় মার্কিন সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে যথেষ্ট মনোযোগ দেয়নি। সেনা কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সমর্থন নিয়ে সে ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
শাসক দলের জবাবদিহির অভাব এখানকার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর একটি উল্লেখ করে ড্যানিলোভিচ বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের সমর্থন নিয়ে সেই সময়কার ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অর্থায়ন নীতি এখানকার চলমান সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। গত ১৭ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার করে সুশাসন ও সংস্কারের জন্য ব্যবহার করা উচিত। এক্ষেত্রে নাগরিক সমাজকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।’
সেনাবাহিনী বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে এই মার্কিন কূটনীতিক বলেন, গণতন্ত্রকে বিকশিত করতে হলে একটি শক্তিশালী সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক অপরিহার্য।
ভিসা না পাওয়ার কারণে গত দশ বছর বাংলাদেশে আসতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা এই সাবেক রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘গত দশ বছর ভিসা না পাওয়ার কারণে বাংলাদেশে আসতে পারিনি।’
আজ শনিবার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন গতিপথ শীর্ষক এক সংলাপে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক জন এফ ড্যানিলোভিচও এই সংলাপে অংশ নেন।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এ সংলাপের আয়োজন করে।
বাংলাদেশের বারবার গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করার তাগিদ দিয়ে উইলিয়াম বি মাইলাম বলেন, শেখ হাসিনা ২০১৪ সাল থেকে ধীরে ধীরে গণতন্ত্র কেড়ে নিতে শুরু করেন। কিন্তু এখানে স্থিতিশীলতার জন্য মানুষ পরিবর্তন চায়। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় নিয়ে পরবর্তী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা দরকার।
বিশ্বের হালনাগাদ প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করতে কোথায় কী পরিবর্তন আসছে, তার ওপরও নজর রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
২০০৭-২০০৮ সালে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে ড্যান মজিনার সহকারী কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড্যানিলোভিচ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ভুল পক্ষে ছিল। বাংলাদেশে ওয়ান-ইলেভেনের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র ভুল করেছিল। সে সময় মার্কিন সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে যথেষ্ট মনোযোগ দেয়নি। সেনা কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সমর্থন নিয়ে সে ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
শাসক দলের জবাবদিহির অভাব এখানকার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর একটি উল্লেখ করে ড্যানিলোভিচ বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের সমর্থন নিয়ে সেই সময়কার ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অর্থায়ন নীতি এখানকার চলমান সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। গত ১৭ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার করে সুশাসন ও সংস্কারের জন্য ব্যবহার করা উচিত। এক্ষেত্রে নাগরিক সমাজকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।’
সেনাবাহিনী বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে এই মার্কিন কূটনীতিক বলেন, গণতন্ত্রকে বিকশিত করতে হলে একটি শক্তিশালী সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক অপরিহার্য।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে