অনলাইন ডেস্ক
কারও হাতে বনসাই, কারও হাতে নতুন জাতের ফুল-ফল গাছের চারা। সবাই শহুরে আধুনিক কিষানি। কেউ নিজের ছাদবাগানের জন্য পছন্দের গাছ কিনতে এসেছেন, আবার কেউ বিক্রি করতে এসেছেন নিজের সংগ্রহে থাকা বিভিন্ন গাছের বাড়তি চারা। এতে ক্রেতা-বিক্রেতা আর দর্শনার্থীদের আনাগোনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে নগর কৃষিমেলা।
ঢাকার রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তৃতীয়বারের মতো ছয় দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে নগর কৃষি ফাউন্ডেশন। ১৪ ডিসেম্বর শুরু হওয়া মেলা শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার।
মেলার শেষ দিনে ঘুরতে এসেছেন শৌখিন কিষানি জাহানারা আহমেদ রোজি। মিরপুর-৭ নম্বরে তাঁর ছাদবাগান রয়েছে। রোজি জানান, মেলায় এসে অন্য শহুরে কিষানিদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সুযোগ পাচ্ছেন। পছন্দের কিছু গাছও সংগ্রহ করেছেন তিনি।
নগর কৃষিমেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জসিম উদ্দিন সরকার জানান, গত বছরও নগর কৃষিমেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এবার মেলা থেকে ব্যতিক্রমী কিছু ফুলের গাছ সংগ্রহ করেছেন।
মেলায় ‘পলির বৃক্ষ পল্লী’ নামে স্টল দিয়েছেন শৌখিন কিষানি নুসরাত পলি। রাজধানীর ধানমন্ডির শংকরে তাঁর ছাদবাগান রয়েছে। পলির স্টলে ফুল, সবজি ও বনসাইয়ের ৫০টির বেশি আইটেম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘শখের বশেই ছাদবাগান করেছি। মেলায় অংশ নিয়েছি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য। তবে ক্রেতাদের ভালোই সাড়া পেয়েছি।’
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নগর কৃষিমেলায় ব্যক্তি উদ্যোক্তার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক নার্সারি ও ব্র্যাক ডেইরি প্রোডাক্ট, ইস্পাহানি অ্যাগ্রো, বিএডিসি, অ্যাগ্রোটেক জৈব সার, প্রিয়জন মাশরুম ফাউন্ডেশন স্টল দিয়েছে।
আয়োজক সংগঠক নগর কৃষি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নগর কৃষক প্রকৌশলী মো. গোলাম হায়দার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কৃষির নানা আঙিনার মানুষ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। ছয় দিনের মেলায় ১০টি সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মেলার পরিসর আরও বাড়ানো হবে।
কারও হাতে বনসাই, কারও হাতে নতুন জাতের ফুল-ফল গাছের চারা। সবাই শহুরে আধুনিক কিষানি। কেউ নিজের ছাদবাগানের জন্য পছন্দের গাছ কিনতে এসেছেন, আবার কেউ বিক্রি করতে এসেছেন নিজের সংগ্রহে থাকা বিভিন্ন গাছের বাড়তি চারা। এতে ক্রেতা-বিক্রেতা আর দর্শনার্থীদের আনাগোনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে নগর কৃষিমেলা।
ঢাকার রাজধানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তৃতীয়বারের মতো ছয় দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে নগর কৃষি ফাউন্ডেশন। ১৪ ডিসেম্বর শুরু হওয়া মেলা শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার।
মেলার শেষ দিনে ঘুরতে এসেছেন শৌখিন কিষানি জাহানারা আহমেদ রোজি। মিরপুর-৭ নম্বরে তাঁর ছাদবাগান রয়েছে। রোজি জানান, মেলায় এসে অন্য শহুরে কিষানিদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সুযোগ পাচ্ছেন। পছন্দের কিছু গাছও সংগ্রহ করেছেন তিনি।
নগর কৃষিমেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জসিম উদ্দিন সরকার জানান, গত বছরও নগর কৃষিমেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এবার মেলা থেকে ব্যতিক্রমী কিছু ফুলের গাছ সংগ্রহ করেছেন।
মেলায় ‘পলির বৃক্ষ পল্লী’ নামে স্টল দিয়েছেন শৌখিন কিষানি নুসরাত পলি। রাজধানীর ধানমন্ডির শংকরে তাঁর ছাদবাগান রয়েছে। পলির স্টলে ফুল, সবজি ও বনসাইয়ের ৫০টির বেশি আইটেম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘শখের বশেই ছাদবাগান করেছি। মেলায় অংশ নিয়েছি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য। তবে ক্রেতাদের ভালোই সাড়া পেয়েছি।’
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নগর কৃষিমেলায় ব্যক্তি উদ্যোক্তার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক নার্সারি ও ব্র্যাক ডেইরি প্রোডাক্ট, ইস্পাহানি অ্যাগ্রো, বিএডিসি, অ্যাগ্রোটেক জৈব সার, প্রিয়জন মাশরুম ফাউন্ডেশন স্টল দিয়েছে।
আয়োজক সংগঠক নগর কৃষি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নগর কৃষক প্রকৌশলী মো. গোলাম হায়দার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কৃষির নানা আঙিনার মানুষ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। ছয় দিনের মেলায় ১০টি সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মেলার পরিসর আরও বাড়ানো হবে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে