কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা
যুক্তরাজ্য চায় বাংলাদেশে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে অনুষ্ঠিত হোক। নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চা নিশ্চিত করার জন্য এমন নির্বাচন দরকার বলে মনে করে দেশটি।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত কৌশলগত সংলাপে যুক্তরাজ্য এ কথা বলেছে। ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।
পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ও ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পারমানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ বার্টন রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ আছে। তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন দেখতে চায়। সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বলে ব্রিটিশ পক্ষকে জানানো হয়েছে।’
নির্বাচনে কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে যুক্তরাজ্য তা দিতে প্রস্তুত বলে বাংলাদেশকে বৈঠকে জানায়।
জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম। তবে নির্বাচনে তারা পর্যবেক্ষক পাঠাতে চাইলে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে।
সংলাপে ব্রিটিশ পক্ষ মানুষের মানবিক অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে হাইকমিশন জানিয়েছে।
এর বাইরে, যুক্তরাজ্যে থাকার আইনি অধিকার নেই এমন ব্যক্তিদের দেশে ফেরাতে একটি প্রক্রিয়া চালু করার ওপর জোর দিয়েছে দেশটি। এই লক্ষ্যে অভিবাসন ও ফেরার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে একটি কাঠামো দাঁড় করাতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।
বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নাগরিকদের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া সাপেক্ষে নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও দুই দেশ একমত পোষণ করে। তবে যুক্তরাজ্য মনে করে, রাখাইনে তাদের ফেরাকে টেকসই করতে হলে জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত সুযোগ তৈরি করাও জরুরি।
উভয় পক্ষ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা মজবুত প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একযোগে কাজ করতেও সম্মত হয়।
ফিলিপ বার্টন বৈঠকে বলেন, যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে।
সংলাপে কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার জন্য যুক্তরাজ্য নতুন করে আরও ৩০ লাখ পাউন্ড (প্রায় ৪২ কোটি টাকা) সহায়তার ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য।
দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক কৌশলগত সংলাপ শুরু হয়। এবার পঞ্চমবারের মত এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো। ষষ্ঠ কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে।
যুক্তরাজ্য চায় বাংলাদেশে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে অনুষ্ঠিত হোক। নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চা নিশ্চিত করার জন্য এমন নির্বাচন দরকার বলে মনে করে দেশটি।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত কৌশলগত সংলাপে যুক্তরাজ্য এ কথা বলেছে। ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।
পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ও ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পারমানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ বার্টন রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ আছে। তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন দেখতে চায়। সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বলে ব্রিটিশ পক্ষকে জানানো হয়েছে।’
নির্বাচনে কোনো ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে যুক্তরাজ্য তা দিতে প্রস্তুত বলে বাংলাদেশকে বৈঠকে জানায়।
জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম। তবে নির্বাচনে তারা পর্যবেক্ষক পাঠাতে চাইলে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে।
সংলাপে ব্রিটিশ পক্ষ মানুষের মানবিক অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে হাইকমিশন জানিয়েছে।
এর বাইরে, যুক্তরাজ্যে থাকার আইনি অধিকার নেই এমন ব্যক্তিদের দেশে ফেরাতে একটি প্রক্রিয়া চালু করার ওপর জোর দিয়েছে দেশটি। এই লক্ষ্যে অভিবাসন ও ফেরার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে একটি কাঠামো দাঁড় করাতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।
বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নাগরিকদের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া সাপেক্ষে নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও দুই দেশ একমত পোষণ করে। তবে যুক্তরাজ্য মনে করে, রাখাইনে তাদের ফেরাকে টেকসই করতে হলে জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত সুযোগ তৈরি করাও জরুরি।
উভয় পক্ষ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা মজবুত প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একযোগে কাজ করতেও সম্মত হয়।
ফিলিপ বার্টন বৈঠকে বলেন, যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে।
সংলাপে কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার জন্য যুক্তরাজ্য নতুন করে আরও ৩০ লাখ পাউন্ড (প্রায় ৪২ কোটি টাকা) সহায়তার ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য।
দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক কৌশলগত সংলাপ শুরু হয়। এবার পঞ্চমবারের মত এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো। ষষ্ঠ কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে