নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ব্যাংক খাতের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি রোধে মাঠে নামছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দায়িত্ব নিয়েই এমন বার্তা দিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। সম্প্রতি ব্যাংক খাতে তেমন কোনো পরিদর্শন হয়নি। তবে নতুন গভর্নর এসে প্রথম দিনই জানান দিলেন ব্যাংক পরিদর্শনের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসছে।
আজ মঙ্গলবার নতুন গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব জানান আব্দুর রউফ তালুকদার। এ সময় ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, কাজী ছাইদুর রহমান, এ কে এম সাজেদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান মাসুদ বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম ও সহকারী মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ব্যাংক কয়েকটি ব্যবসায়ী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, নানা অনিয়মও হচ্ছে, নড়বড়ে অবস্থায় আছে বেশ কিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান; উল্লেখযোগ্য পরিদর্শনও হচ্ছে না এসব সেক্টরে। এসব বিষয়ে নতুন গভর্নরের অবস্থান কী হবে জানতে চাইলে আব্দুর রউফ তালুকদার জানান, যোগদানের পরপরই তিনি ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিদর্শন বিষয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চাই। তা শিগগিরই দেখতে পাবেন।’
কোন কোন বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রসঙ্গে নতুন গভর্নর বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। এটাই এখন বেশি গুরুত্ব পাবে। দ্বিতীয় কাজ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা। এ জন্য আমদানি-রপ্তানি যে ব্যবধান আছে, তা কীভাবে কমিয়ে এনে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে চেষ্টা করা হবে। তৃতীয়ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। এক সময় রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। মহামারি করোনা ও বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির কারণে এটা এখন নিচে নেমে এসেছে। এটাকে একটা সন্তোষজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে, যা দিয়ে ছয় মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা যাবে। এ ছাড়া আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
গভর্নর আরও বলেন, ‘দুই একটি ছাড়া বেশির ভাগ ব্যাংক ভালো অবস্থায় আছে। এ ক্ষেত্রে কিছু সংস্কার হবে। এর বাইরে খেলাপি ঋণ একটা গ্রহণযোগ্য পর্যায় নিয়ে আসা ও মূলধন ঘাটতির যে সমস্যা আছে, তাও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার করার চেষ্টা করা হবে। নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থার অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করবে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ না বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে না, প্রবৃদ্ধিও হবে না। এটা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়া হবে।’
‘বর্তমান পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছেন কি না’—এমন প্রশ্নের জবাবে নতুন গভর্নর বলেন, ‘সরকারে থাকা অবস্থায় অনেক চাপে ছিলাম। করোনার মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাব না। আর কোন সময় কি সিদ্ধান্ত নিতে হয় এটা আমরা ভালো করেই জানি।’
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এখন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিতে চাচ্ছে, এ বিষয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবেন জানতে চাইলে নতুন গভর্নর বলেন, ‘আইএমএফের শর্তের বিষয়টি সরকার দেখবে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক কি করবে তা বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।
কেমন কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখতে চান এমন এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বুদ্ধিবৃত্তিক, পেশাদারি ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে দেখতে চাই।’
ব্যাংক খাতের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি রোধে মাঠে নামছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দায়িত্ব নিয়েই এমন বার্তা দিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। সম্প্রতি ব্যাংক খাতে তেমন কোনো পরিদর্শন হয়নি। তবে নতুন গভর্নর এসে প্রথম দিনই জানান দিলেন ব্যাংক পরিদর্শনের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসছে।
আজ মঙ্গলবার নতুন গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব জানান আব্দুর রউফ তালুকদার। এ সময় ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, কাজী ছাইদুর রহমান, এ কে এম সাজেদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান মাসুদ বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম ও সহকারী মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ব্যাংক কয়েকটি ব্যবসায়ী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, নানা অনিয়মও হচ্ছে, নড়বড়ে অবস্থায় আছে বেশ কিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান; উল্লেখযোগ্য পরিদর্শনও হচ্ছে না এসব সেক্টরে। এসব বিষয়ে নতুন গভর্নরের অবস্থান কী হবে জানতে চাইলে আব্দুর রউফ তালুকদার জানান, যোগদানের পরপরই তিনি ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিদর্শন বিষয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চাই। তা শিগগিরই দেখতে পাবেন।’
কোন কোন বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রসঙ্গে নতুন গভর্নর বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। এটাই এখন বেশি গুরুত্ব পাবে। দ্বিতীয় কাজ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা। এ জন্য আমদানি-রপ্তানি যে ব্যবধান আছে, তা কীভাবে কমিয়ে এনে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে চেষ্টা করা হবে। তৃতীয়ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। এক সময় রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। মহামারি করোনা ও বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির কারণে এটা এখন নিচে নেমে এসেছে। এটাকে একটা সন্তোষজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে, যা দিয়ে ছয় মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা যাবে। এ ছাড়া আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
গভর্নর আরও বলেন, ‘দুই একটি ছাড়া বেশির ভাগ ব্যাংক ভালো অবস্থায় আছে। এ ক্ষেত্রে কিছু সংস্কার হবে। এর বাইরে খেলাপি ঋণ একটা গ্রহণযোগ্য পর্যায় নিয়ে আসা ও মূলধন ঘাটতির যে সমস্যা আছে, তাও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার করার চেষ্টা করা হবে। নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থার অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করবে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ না বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে না, প্রবৃদ্ধিও হবে না। এটা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়া হবে।’
‘বর্তমান পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছেন কি না’—এমন প্রশ্নের জবাবে নতুন গভর্নর বলেন, ‘সরকারে থাকা অবস্থায় অনেক চাপে ছিলাম। করোনার মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাব না। আর কোন সময় কি সিদ্ধান্ত নিতে হয় এটা আমরা ভালো করেই জানি।’
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এখন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিতে চাচ্ছে, এ বিষয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবেন জানতে চাইলে নতুন গভর্নর বলেন, ‘আইএমএফের শর্তের বিষয়টি সরকার দেখবে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক কি করবে তা বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।
কেমন কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখতে চান এমন এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বুদ্ধিবৃত্তিক, পেশাদারি ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে দেখতে চাই।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে