তাসনিম মহসিন, ঢাকা
করোনাভাইরাস মহামারির প্রেক্ষাপটে বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করে যুক্তরাজ্য। এ তালিকায় বাংলাদেশের নামও আছে। অর্থাৎ, যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে দেশটির সরকারের তরফ থেকে। এই তালিকা থেকে নাম কাটাতে চায় বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অনুষ্ঠেয় কৌশলগত সংলাপে বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আজকের বৈঠকে লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গটি উত্থাপন করবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সাড়ে ৭ হাজার ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এ সংখ্যা জানিয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব ব্রিটেনের।
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সতর্কতা হিসেবে বাংলাদেশসহ মোট ৫৯টি দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাজ্য। তালিকাভুক্ত এই দেশগুলো ভ্রমণে বা এই দেশগুলো থেকে কেউ যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন না। তালিকার শুরুতে ভারত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মতো দেশগুলো থাকলেও পরে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ভারতের করোনা পরিস্থিতি বাংলাদেশের চেয়ে কোনো বিবেচনাতেই ভালো নয়।
যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ ভ্রমণে আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আগেই উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘যুক্তরাজ্য কোনো কারণ ছাড়া আমাদের দেশ ভ্রমণে রেড অ্যালার্ট দিয়ে রেখেছে। আমাদের চেয়ে বেশি লোক মারা গেছে ভারতে, তাদের কিন্তু রেড অ্যালার্ট দেয়নি। কেউ কেউ বলে এর কারণ হচ্ছে, যিনি যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিনি অরিজিনালি পাকিস্তানের।’
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে চতুর্থ কৌশলগত সংলাপ করবেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব। প্রতি দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় এ বৈঠক। এর আগের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালে। বাংলাদেশের পক্ষে এ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। যুক্তরাজ্যের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পারমানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ রবার্ট বার্টোন। গতকাল বুধবার বৈঠকে যোগ দিতে ব্রিটেনে যান মাসুদ বিন মোমেন।
বৈঠকে রাজনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি বর্তমান বৈশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হবে। এতে বিশেষভাবে লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।
বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে ২০২০ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে পুরো বিশ্বকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারকে তলব করে বাংলাদেশ সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও অপ্রীতিকর বিবৃতি দেওয়া থেকে ব্রিটিশ সরকারকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিষয়টি কৌশলগত এই সংলাপেও তুলবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অপ্রীতিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হবে।
প্রসঙ্গত, মানবাধিকার প্রতিবেদনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘গৃহবন্দী’ বলে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়কেই ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছে সরকার। প্রতিবেদন প্রকাশের আগে এ ধরনের কোনো বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি থাকলে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য ব্রিটিশ পক্ষকে পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা নিয়েও বেশ কিছু বিষয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরে ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বেশ কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি এবং বাংলাদেশের নিজস্ব আইন অনুযায়ী স্বীকৃত নয়। এ বিষয়গুলো আবারও উত্থাপিত হতে পারে বৈঠকে। সব মিলিয়ে আজকের এ সংলাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
করোনাভাইরাস মহামারির প্রেক্ষাপটে বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করে যুক্তরাজ্য। এ তালিকায় বাংলাদেশের নামও আছে। অর্থাৎ, যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে দেশটির সরকারের তরফ থেকে। এই তালিকা থেকে নাম কাটাতে চায় বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অনুষ্ঠেয় কৌশলগত সংলাপে বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আজকের বৈঠকে লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গটি উত্থাপন করবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সাড়ে ৭ হাজার ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এ সংখ্যা জানিয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব ব্রিটেনের।
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সতর্কতা হিসেবে বাংলাদেশসহ মোট ৫৯টি দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাজ্য। তালিকাভুক্ত এই দেশগুলো ভ্রমণে বা এই দেশগুলো থেকে কেউ যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন না। তালিকার শুরুতে ভারত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মতো দেশগুলো থাকলেও পরে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ভারতের করোনা পরিস্থিতি বাংলাদেশের চেয়ে কোনো বিবেচনাতেই ভালো নয়।
যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ ভ্রমণে আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আগেই উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘যুক্তরাজ্য কোনো কারণ ছাড়া আমাদের দেশ ভ্রমণে রেড অ্যালার্ট দিয়ে রেখেছে। আমাদের চেয়ে বেশি লোক মারা গেছে ভারতে, তাদের কিন্তু রেড অ্যালার্ট দেয়নি। কেউ কেউ বলে এর কারণ হচ্ছে, যিনি যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিনি অরিজিনালি পাকিস্তানের।’
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে চতুর্থ কৌশলগত সংলাপ করবেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব। প্রতি দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় এ বৈঠক। এর আগের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালে। বাংলাদেশের পক্ষে এ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। যুক্তরাজ্যের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পারমানেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি ফিলিপ রবার্ট বার্টোন। গতকাল বুধবার বৈঠকে যোগ দিতে ব্রিটেনে যান মাসুদ বিন মোমেন।
বৈঠকে রাজনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি বর্তমান বৈশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হবে। এতে বিশেষভাবে লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।
বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে ২০২০ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে পুরো বিশ্বকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারকে তলব করে বাংলাদেশ সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও অপ্রীতিকর বিবৃতি দেওয়া থেকে ব্রিটিশ সরকারকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিষয়টি কৌশলগত এই সংলাপেও তুলবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অপ্রীতিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হবে।
প্রসঙ্গত, মানবাধিকার প্রতিবেদনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘গৃহবন্দী’ বলে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়কেই ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছে সরকার। প্রতিবেদন প্রকাশের আগে এ ধরনের কোনো বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি থাকলে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য ব্রিটিশ পক্ষকে পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা নিয়েও বেশ কিছু বিষয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরে ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বেশ কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি এবং বাংলাদেশের নিজস্ব আইন অনুযায়ী স্বীকৃত নয়। এ বিষয়গুলো আবারও উত্থাপিত হতে পারে বৈঠকে। সব মিলিয়ে আজকের এ সংলাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে