ক্ষুব্ধ নারী অধিকারকর্মীরা
অর্চি হক, ঢাকা
কুমিল্লার মুরাদনগরে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা রাষ্ট্র ও জাতির জন্য চরম লজ্জার বলে মনে করছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁদের মতে, এ ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নয়, সামগ্রিকভাবে নারী জনগোষ্ঠীর জীবনের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকারের ওপর চরম আঘাত। অপরাধীদের ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করার বদলে ঘটনার শিকার ব্যক্তির দোষ খোঁজা এবং তাঁকে হেয় করার প্রবণতার তীব্র নিন্দা করা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে।
নারী অধিকার আন্দোলনের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম মুরাদনগরের নারী লাঞ্ছনার বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি ধর্ষণ কি না, তা নিয়ে নানা ধরনের কথা বলে ভিকটিম ব্লেইমিং (ক্ষতিগ্রস্তকেই দোষারোপ) করা হচ্ছে। একজন নারীর ঘরে জোর করে ঢুকে তাঁর ওপর সহিংসতা চালানো এবং বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করা রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নাগরিক নিরাপত্তার গুরুতর সংকটের ইঙ্গিত বহন করে। মুরাদনগরের ঘটনা রাষ্ট্রের জন্য লজ্জা, জাতির জন্য লজ্জা।’
সমাজে মব সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিস্তারের ফলেই নারীরা এভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে মনে করেন মানবাধিকারকর্মীরা। ডা. ফওজিয়া মোসলেম এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতাকে হয়তো আমরা প্রশ্রয় দিচ্ছি। একে যথাযথভাবে দমন করা হচ্ছে না। জুলাইয়ে আন্দোলনের পর থেকেই আমরা ক্রমান্বয়ে মবকে স্বীকৃতি দিয়ে যাচ্ছি। এর ফল হলো, যারা দুর্বল, তাদের ওপর মবের ভয়াবহতা বেশি হবে। শিক্ষককে জুতার মালা পরানো হয়েছে, আদালতে বন্দীদের ওপর জুতা ছোড়া হচ্ছে। এসব মবকে যদি আমরা এনকারেজ (উদ্বুদ্ধ) করি, তাহলে নারীর ওপর মবের আক্রমণকেও দমাতে পারব না।’
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, দেশে নারীর প্রতি ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা নতুন নয়। তবে সম্প্রতি নারীর
ওপর সহিংসতাকারীদের প্রতি সরকারের আপাত নির্লিপ্ততা নারী নির্যাতনকারীদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে। ফলে প্রকাশ্যে, দিনেদুপুরেও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন নারীরা। এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমরাই পারি’ জোটের প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বলেন, ‘নারী হেনস্তাকারীকে মব তৈরি করে থানা থেকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এসব ঘটনায় অপরাধীরা প্রশ্রয় পায়। তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।’
মুরাদনগরের ঘটনার পেছনে সরকারের নির্লিপ্ততা দায়ী বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা আসক। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অপরাধের পেছনে কেবল ব্যক্তি নয়, বরং সরকারের নির্লিপ্ততা ও দীর্ঘদিন ধরে বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা কাজ করছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন হক এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা এখনো সভ্য হইনি। মুরাদনগরের ঘটনা তারই প্রমাণ।’
ভুক্তভোগী নারীর দোষ খোঁজার প্রবণতারও নিন্দা জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে অনেকে ‘পরকীয়া’র ট্যাগ দিয়ে নির্যাতিত নারীকেই দোষারোপ করছেন। এটি আরেকটি অপরাধের শামিল। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘পরকীয়ার দোহাই দিয়ে নারীকে অপমানের সুযোগ নেই। এটা ধর্ষণ বা পরকীয়া, যেটাই হোক না কেন, এভাবে একজন নারীর ভিডিও ধারণ করা অপরাধ। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে এ ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের বিধান আছে। ওই নারী মামলা তুলে নেওয়ার কথা বললেও সেই সুযোগ নেই।
আইনজীবী ইশরাত জাহান আরও বলেন, ‘এটা রাষ্ট্রবাদী মামলা। অর্থাৎ এই ক্ষতিটা শুধু একজন ব্যক্তির সাথে হয়নি। এটা রাষ্ট্রের সাথে অন্যায় হয়েছে। নির্যাতিত নারী না চালালেও এই মামলা রাষ্ট্র চালাবে, এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, দেশে চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৩৮৩টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ৭১টি ঘটনায় কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৫২৫ জন নারী। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য অনুসারে, ২০২০-২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে কমপক্ষে ১১ হাজার ৭৫৮ জন নারী ও মেয়ে শিশু নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছে, যার মধ্যে ৬ হাজার ৩০৫ জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ২০৭ জনকে যৌন সহিংসতার পর হত্যা করা হয়েছে।
সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় মুরাদনগরের ঘটনা ‘নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে’ বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের নারী নির্যাতন প্রতিরোধবিষয়ক মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রকাশ কান্তি চৌধুরী। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের নারী কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি ট্রমায় (মানসিক আঘাতে বিহ্বল) রয়েছেন। অনলাইনে তাঁর জন্য কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করেছি আমরা। এ ছাড়া তাঁকে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হবে।’
কুমিল্লার মুরাদনগরে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা রাষ্ট্র ও জাতির জন্য চরম লজ্জার বলে মনে করছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁদের মতে, এ ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নয়, সামগ্রিকভাবে নারী জনগোষ্ঠীর জীবনের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকারের ওপর চরম আঘাত। অপরাধীদের ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করার বদলে ঘটনার শিকার ব্যক্তির দোষ খোঁজা এবং তাঁকে হেয় করার প্রবণতার তীব্র নিন্দা করা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে।
নারী অধিকার আন্দোলনের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম মুরাদনগরের নারী লাঞ্ছনার বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি ধর্ষণ কি না, তা নিয়ে নানা ধরনের কথা বলে ভিকটিম ব্লেইমিং (ক্ষতিগ্রস্তকেই দোষারোপ) করা হচ্ছে। একজন নারীর ঘরে জোর করে ঢুকে তাঁর ওপর সহিংসতা চালানো এবং বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ করা রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নাগরিক নিরাপত্তার গুরুতর সংকটের ইঙ্গিত বহন করে। মুরাদনগরের ঘটনা রাষ্ট্রের জন্য লজ্জা, জাতির জন্য লজ্জা।’
সমাজে মব সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিস্তারের ফলেই নারীরা এভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে মনে করেন মানবাধিকারকর্মীরা। ডা. ফওজিয়া মোসলেম এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতাকে হয়তো আমরা প্রশ্রয় দিচ্ছি। একে যথাযথভাবে দমন করা হচ্ছে না। জুলাইয়ে আন্দোলনের পর থেকেই আমরা ক্রমান্বয়ে মবকে স্বীকৃতি দিয়ে যাচ্ছি। এর ফল হলো, যারা দুর্বল, তাদের ওপর মবের ভয়াবহতা বেশি হবে। শিক্ষককে জুতার মালা পরানো হয়েছে, আদালতে বন্দীদের ওপর জুতা ছোড়া হচ্ছে। এসব মবকে যদি আমরা এনকারেজ (উদ্বুদ্ধ) করি, তাহলে নারীর ওপর মবের আক্রমণকেও দমাতে পারব না।’
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, দেশে নারীর প্রতি ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা নতুন নয়। তবে সম্প্রতি নারীর
ওপর সহিংসতাকারীদের প্রতি সরকারের আপাত নির্লিপ্ততা নারী নির্যাতনকারীদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে। ফলে প্রকাশ্যে, দিনেদুপুরেও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন নারীরা। এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমরাই পারি’ জোটের প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বলেন, ‘নারী হেনস্তাকারীকে মব তৈরি করে থানা থেকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এসব ঘটনায় অপরাধীরা প্রশ্রয় পায়। তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।’
মুরাদনগরের ঘটনার পেছনে সরকারের নির্লিপ্ততা দায়ী বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা আসক। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অপরাধের পেছনে কেবল ব্যক্তি নয়, বরং সরকারের নির্লিপ্ততা ও দীর্ঘদিন ধরে বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা কাজ করছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন হক এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা এখনো সভ্য হইনি। মুরাদনগরের ঘটনা তারই প্রমাণ।’
ভুক্তভোগী নারীর দোষ খোঁজার প্রবণতারও নিন্দা জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে অনেকে ‘পরকীয়া’র ট্যাগ দিয়ে নির্যাতিত নারীকেই দোষারোপ করছেন। এটি আরেকটি অপরাধের শামিল। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘পরকীয়ার দোহাই দিয়ে নারীকে অপমানের সুযোগ নেই। এটা ধর্ষণ বা পরকীয়া, যেটাই হোক না কেন, এভাবে একজন নারীর ভিডিও ধারণ করা অপরাধ। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে এ ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের বিধান আছে। ওই নারী মামলা তুলে নেওয়ার কথা বললেও সেই সুযোগ নেই।
আইনজীবী ইশরাত জাহান আরও বলেন, ‘এটা রাষ্ট্রবাদী মামলা। অর্থাৎ এই ক্ষতিটা শুধু একজন ব্যক্তির সাথে হয়নি। এটা রাষ্ট্রের সাথে অন্যায় হয়েছে। নির্যাতিত নারী না চালালেও এই মামলা রাষ্ট্র চালাবে, এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, দেশে চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৩৮৩টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ৭১টি ঘটনায় কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৫২৫ জন নারী। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য অনুসারে, ২০২০-২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে কমপক্ষে ১১ হাজার ৭৫৮ জন নারী ও মেয়ে শিশু নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছে, যার মধ্যে ৬ হাজার ৩০৫ জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ২০৭ জনকে যৌন সহিংসতার পর হত্যা করা হয়েছে।
সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় মুরাদনগরের ঘটনা ‘নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে’ বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের নারী নির্যাতন প্রতিরোধবিষয়ক মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) প্রকাশ কান্তি চৌধুরী। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের নারী কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি ট্রমায় (মানসিক আঘাতে বিহ্বল) রয়েছেন। অনলাইনে তাঁর জন্য কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করেছি আমরা। এ ছাড়া তাঁকে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হবে।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে