কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা
সরকার দেশের ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা ঘোষণা করেছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই রূপরেখা ঘোষণা করে বলেছেন, বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অবাধ, উন্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিকের ধারণা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
আজ সোমবার এই ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি সব রাষ্ট্রের শ্রদ্ধা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের মৌলিক নীতিমালার আওতায় মোট ১৫টি লক্ষ্য স্থির করে ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সবার জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মান অক্ষুণ্ন রাখা, অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং সংলাপ ও বোঝাপড়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশন অনুসারে অবাধ সামুদ্রিক চলাচল ও কোনো দেশের ভূখণ্ড বা জলসীমা দিয়ে আন্তরাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ চলাচলের অধিকারের বিষয়ে পূর্ণ সমর্থন বজায় রাখার কথা রূপরেখায় বলা হয়েছে।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আন্তদেশীয় অপরাধ দমনে নীতি কাঠামো প্রণয়ন ও ব্যবহারিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়াসকে সমর্থনের কথাও এতে বলা হয়েছে।
নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পণ্য, পরিষেবা, পুঁজি ও জনগণের চলাচল সহজতর করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর, উন্মুক্ত ও নিরাপদ সাইবার স্পেস, মহাকাশে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতকরণের কথাও বলেছে বাংলাদেশ।
জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, সামুদ্রিক দূষণ এবং পরিবেশের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও অঙ্গীকারগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধারাবাহিকভাবে দৃশ্যমান কার্যক্রম গ্রহণের কথা রূপরেখায় বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে টিকা, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সুরক্ষা সামগ্রীর মতো ‘বৈশ্বিক সম্পদ’-এ সবার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা এতে বলা হয়েছে।
সরকার দেশের ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা ঘোষণা করেছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই রূপরেখা ঘোষণা করে বলেছেন, বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অবাধ, উন্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিকের ধারণা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
আজ সোমবার এই ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি সব রাষ্ট্রের শ্রদ্ধা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের মৌলিক নীতিমালার আওতায় মোট ১৫টি লক্ষ্য স্থির করে ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সবার জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মান অক্ষুণ্ন রাখা, অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং সংলাপ ও বোঝাপড়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশন অনুসারে অবাধ সামুদ্রিক চলাচল ও কোনো দেশের ভূখণ্ড বা জলসীমা দিয়ে আন্তরাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ চলাচলের অধিকারের বিষয়ে পূর্ণ সমর্থন বজায় রাখার কথা রূপরেখায় বলা হয়েছে।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আন্তদেশীয় অপরাধ দমনে নীতি কাঠামো প্রণয়ন ও ব্যবহারিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়াসকে সমর্থনের কথাও এতে বলা হয়েছে।
নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পণ্য, পরিষেবা, পুঁজি ও জনগণের চলাচল সহজতর করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর, উন্মুক্ত ও নিরাপদ সাইবার স্পেস, মহাকাশে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতকরণের কথাও বলেছে বাংলাদেশ।
জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, সামুদ্রিক দূষণ এবং পরিবেশের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও অঙ্গীকারগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধারাবাহিকভাবে দৃশ্যমান কার্যক্রম গ্রহণের কথা রূপরেখায় বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে টিকা, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সুরক্ষা সামগ্রীর মতো ‘বৈশ্বিক সম্পদ’-এ সবার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা এতে বলা হয়েছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে