বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গতকাল রোববার আগারগাঁওয়ের কোস্টগার্ড সদর দপ্তরে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামরিক ও অসামরিক অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নবনির্মিত ছয়টি ভৌত অবকাঠামো (বিসিজি স্টেশন কুতুবদিয়া, মহেশখালী, মিরসরাই, সন্দ্বীপ, নিদ্রাসকিনা ও বিসিজি আউটপোস্ট শাহপরী) এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সহায়তায় পরিচালিত বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদর দপ্তরসহ তিনটি জোন, ছয়টি জাহাজ এবং সাতটি স্টেশনে নব সংযোজিত VSATNET System ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করেন।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা, নাবিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পদক ১০ জন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড (সেবা) পদক ১০ জন, প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড পদক ১০ জন এবং প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড (সেবা) পদক ১০ জনসহ মোট ৪০ জনকে প্রদান করেন।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূরপ্রসারী ভাবনার ফলেই আমাদের নিজস্ব সমুদ্র এলাকা দাবি সংবলিত The Territorial Waters and Maritime Zones Act, 1974 প্রণীত হয়। পরবর্তীতে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রতিষ্ঠার সোপান রচনা করেন।
বিগত ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় মহান জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বিল’ উত্থাপন করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী থেকে দুটি জাহাজ ও দুটি বোট এবং প্রেষণে আগত ২২০ জন নৌ-সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড তার পথচলা শুরু করে। পরবর্তীতে কালের পরিক্রমায় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এ বাহিনীতে নতুন নতুন প্ল্যাটফর্ম ও অবকাঠামো সংযোজিত হয়েছে। এর ফলে বাহিনীর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডে ব্যাপক গতি সঞ্চার হয়েছে এবং অর্জিত হয়েছে নানা সাফল্য। কোস্টগার্ডের নিরলস প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বন্দর ঝুঁকিপূর্ণ বন্দরের তালিকা থেকে মুক্ত হয়ে একটি নিরাপদ বন্দরে পরিণত হয়েছে।
আসন্ন দিনগুলোতে দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণে সততা, পেশাদারি এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে বদ্ধপরিকর কোস্টগার্ড। সর্বোপরি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে জাতির প্রত্যাশা পূরণে নিরলস কাজ করে যাবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গতকাল রোববার আগারগাঁওয়ের কোস্টগার্ড সদর দপ্তরে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামরিক ও অসামরিক অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নবনির্মিত ছয়টি ভৌত অবকাঠামো (বিসিজি স্টেশন কুতুবদিয়া, মহেশখালী, মিরসরাই, সন্দ্বীপ, নিদ্রাসকিনা ও বিসিজি আউটপোস্ট শাহপরী) এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সহায়তায় পরিচালিত বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদর দপ্তরসহ তিনটি জোন, ছয়টি জাহাজ এবং সাতটি স্টেশনে নব সংযোজিত VSATNET System ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করেন।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা, নাবিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পদক ১০ জন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড (সেবা) পদক ১০ জন, প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড পদক ১০ জন এবং প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড (সেবা) পদক ১০ জনসহ মোট ৪০ জনকে প্রদান করেন।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূরপ্রসারী ভাবনার ফলেই আমাদের নিজস্ব সমুদ্র এলাকা দাবি সংবলিত The Territorial Waters and Maritime Zones Act, 1974 প্রণীত হয়। পরবর্তীতে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রতিষ্ঠার সোপান রচনা করেন।
বিগত ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় মহান জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বিল’ উত্থাপন করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী থেকে দুটি জাহাজ ও দুটি বোট এবং প্রেষণে আগত ২২০ জন নৌ-সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড তার পথচলা শুরু করে। পরবর্তীতে কালের পরিক্রমায় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এ বাহিনীতে নতুন নতুন প্ল্যাটফর্ম ও অবকাঠামো সংযোজিত হয়েছে। এর ফলে বাহিনীর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডে ব্যাপক গতি সঞ্চার হয়েছে এবং অর্জিত হয়েছে নানা সাফল্য। কোস্টগার্ডের নিরলস প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বন্দর ঝুঁকিপূর্ণ বন্দরের তালিকা থেকে মুক্ত হয়ে একটি নিরাপদ বন্দরে পরিণত হয়েছে।
আসন্ন দিনগুলোতে দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণে সততা, পেশাদারি এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে বদ্ধপরিকর কোস্টগার্ড। সর্বোপরি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে জাতির প্রত্যাশা পূরণে নিরলস কাজ করে যাবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে