নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু করার প্রকল্পের দুর্নীতির বিষয়ে ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন গত ২২ সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রার বরার চিঠি দিয়ে এই ৯ কর্মকর্তাকে তলব করেন।
চিঠিতে তাদের ‘অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দুদকের তলবকৃতরা হলেন—সহকারী প্রকৌশলী আহসান হাবীব, সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) শাহাদাৎ হোসেন, সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক) অমিত রায় চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার নাজিম উদ্দিন আহম্মদ, ডেপুটি কম্পট্রোলার ফয়সাল আরেফিন, ডেপুটি নিরীক্ষা কর্মকর্তা মেসবাউল আরেফিন এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী রেজিস্ট্রার মুক্তার হোসেন, আব্দুর রায়হান ও আতিকুর রহমান। মুক্তার হোসেন, আব্দুর রায়হান ও আতিকুর রহমান আগে অডিটর ছিলেন। ফয়সাল আরেফিন ও মেসবাউল আরেফিন আপন দুই ভাই।
চিঠিতে আহসান হাবিব, অমিত রায় চৌধুরী ও শাহাদাৎ হোসেনকে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আলাদা আলাদা সময়ে ডাকা হয়। তারা সময়মতোই দুদক কার্যালয়ে যান। অন্য ছয় কর্মকর্তাকে ডাকা হয় বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ চালুকরণের লক্ষ্যে অবকাঠামোগত ও ল্যাবরেটরি সুবিধা সৃষ্টিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রুয়েটে গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু করার প্রকল্পে প্রায় ১৩ কোটি টাকার দুর্নীতি তদন্ত করা হচ্ছে। ২০০৯ সালের ১ জুলাই ২৬ কোটি ১১ লাখ টাকার এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে তা বাড়িয়ে ২০১৬ সালের ৩০ জুন করা হয়। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কাজ করেন মোট পাঁচজন। সবশেষ প্রকল্প পরিচালক ছিলেন রুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আবদুল আলীম। প্রকল্প চলাকালে তিনি রুয়েটের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক ছিলেন।
নথিপত্রে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের ৩০ জুন মেয়াদ শেষ হলে ৯ আগস্ট আব্দুল আলীম প্রকল্প শেষ হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) প্রতিবেদন পাঠান। এতে তিনি প্রকল্পের বরাদ্দের ২৬ কোটি ১১ লাখ টাকার সবই ব্যয় হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তবে ২০১৬ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ যেদিন শেষ হয়, সেদিনও প্রকল্পের ব্যাংক হিসাবে ছিল ১৩ কোটি ১৫ লাখ ৭ হাজার ২৭২ টাকা। এরপর ২০১৭ সালের ১ মার্চ ছিল ৭ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার ৫৮১ টাকা। ধীরে ধীরে ব্যাংকের টাকা কমতে থাকে। ২০২০ সালের ৩০ জুন ব্যাংকে ছিল মাত্র ৫০ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৯ টাকা। প্রকল্প শেষেও বেঁচে যাওয়া প্রায় ১৩ কোটি টাকা নয়ছয় করার সত্যতা ইউজিসির তদন্তেও উঠে আসে।
গত ২১ এপ্রিল দুদকের প্রধান কার্যালয় বিষয়টি তদন্তের জন্য অনুমোদন দেয়। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাও নিযুক্ত করা হয়। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এই ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ওই প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল আলীমকে বুধবার দুপুরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার নাজিম উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ‘দুদক প্রকল্পের অনিয়মের বিষয়েই ডেকেছিল। আমি গিয়েছিলাম। তারা জানার চেষ্টা করেছে, ওই প্রকল্পের সময় আমাদের কী ভূমিকা ছিল। আমি আমার বক্তব্য দিয়ে এসেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আমি আমার অবস্থান স্পষ্ট করে এসেছি।’
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু করার প্রকল্পের দুর্নীতির বিষয়ে ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন গত ২২ সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রার বরার চিঠি দিয়ে এই ৯ কর্মকর্তাকে তলব করেন।
চিঠিতে তাদের ‘অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দুদকের তলবকৃতরা হলেন—সহকারী প্রকৌশলী আহসান হাবীব, সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) শাহাদাৎ হোসেন, সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক) অমিত রায় চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার নাজিম উদ্দিন আহম্মদ, ডেপুটি কম্পট্রোলার ফয়সাল আরেফিন, ডেপুটি নিরীক্ষা কর্মকর্তা মেসবাউল আরেফিন এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী রেজিস্ট্রার মুক্তার হোসেন, আব্দুর রায়হান ও আতিকুর রহমান। মুক্তার হোসেন, আব্দুর রায়হান ও আতিকুর রহমান আগে অডিটর ছিলেন। ফয়সাল আরেফিন ও মেসবাউল আরেফিন আপন দুই ভাই।
চিঠিতে আহসান হাবিব, অমিত রায় চৌধুরী ও শাহাদাৎ হোসেনকে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আলাদা আলাদা সময়ে ডাকা হয়। তারা সময়মতোই দুদক কার্যালয়ে যান। অন্য ছয় কর্মকর্তাকে ডাকা হয় বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ চালুকরণের লক্ষ্যে অবকাঠামোগত ও ল্যাবরেটরি সুবিধা সৃষ্টিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রুয়েটে গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু করার প্রকল্পে প্রায় ১৩ কোটি টাকার দুর্নীতি তদন্ত করা হচ্ছে। ২০০৯ সালের ১ জুলাই ২৬ কোটি ১১ লাখ টাকার এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে তা বাড়িয়ে ২০১৬ সালের ৩০ জুন করা হয়। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কাজ করেন মোট পাঁচজন। সবশেষ প্রকল্প পরিচালক ছিলেন রুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আবদুল আলীম। প্রকল্প চলাকালে তিনি রুয়েটের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক ছিলেন।
নথিপত্রে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের ৩০ জুন মেয়াদ শেষ হলে ৯ আগস্ট আব্দুল আলীম প্রকল্প শেষ হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) প্রতিবেদন পাঠান। এতে তিনি প্রকল্পের বরাদ্দের ২৬ কোটি ১১ লাখ টাকার সবই ব্যয় হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তবে ২০১৬ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ যেদিন শেষ হয়, সেদিনও প্রকল্পের ব্যাংক হিসাবে ছিল ১৩ কোটি ১৫ লাখ ৭ হাজার ২৭২ টাকা। এরপর ২০১৭ সালের ১ মার্চ ছিল ৭ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার ৫৮১ টাকা। ধীরে ধীরে ব্যাংকের টাকা কমতে থাকে। ২০২০ সালের ৩০ জুন ব্যাংকে ছিল মাত্র ৫০ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৯ টাকা। প্রকল্প শেষেও বেঁচে যাওয়া প্রায় ১৩ কোটি টাকা নয়ছয় করার সত্যতা ইউজিসির তদন্তেও উঠে আসে।
গত ২১ এপ্রিল দুদকের প্রধান কার্যালয় বিষয়টি তদন্তের জন্য অনুমোদন দেয়। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাও নিযুক্ত করা হয়। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এই ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ওই প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল আলীমকে বুধবার দুপুরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার নাজিম উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ‘দুদক প্রকল্পের অনিয়মের বিষয়েই ডেকেছিল। আমি গিয়েছিলাম। তারা জানার চেষ্টা করেছে, ওই প্রকল্পের সময় আমাদের কী ভূমিকা ছিল। আমি আমার বক্তব্য দিয়ে এসেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আমি আমার অবস্থান স্পষ্ট করে এসেছি।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে