কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিরোধী দল বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। এসব কর্মসূচি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, ‘মানুষের কথা বলার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে।’ হিরো আলমের ওপর হামলায় বাংলাদেশে জাতিসংঘ প্রতিনিধির পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো এবং পরে প্রতিনিধিকে ডেকে সরকারের অসন্তোষ জানানোর প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি।
শুক্রবার (২১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সরকারবিরোধী হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। অন্তত দুজন মারা গেছেন। কয়েক শ মানুষ আহত হয়েছেন। এ অবস্থায় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মুখপাত্র কি মনে করেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ বিরাজ করছে?
জবাবে স্টিফেন দুজারিক মানুষের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকারের কথা উল্লেখ করে বলেন, মানুষের এসব অধিকার রক্ষায় সহায়তা করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। সর্বত্র এটা হয়ে থাকে। এমন প্রশ্ন বহুবার তাঁকে করা হয়েছে জানিয়ে মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চান না।
ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের ওপর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার ব্যাজধারী একদল লোক হামলা করেন। ওই হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছিলেন ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের যে মৌলিক মানবাধিকার, তা নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে হবে। এই টুইটের জেরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবাসিক প্রতিনিধিকে তলব করেছিল।
এমন একটি টুইটের জন্য আবাসিক প্রতিনিধিকে তলব করা যায় কি না এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের বিষয়টি জানা আছে কি না—এমন প্রশ্ন করেছিলেন ওই সাংবাদিক।
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘের দলটির ওপর মহাসচিবের পূর্ণ আস্থা আছে।’
স্টিফেন দুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘের কোনো কর্মকর্তার মন্তব্যের সঙ্গে সে দেশের দ্বিমত থাকলে সরকার ওই কর্মকর্তাকে তলব করতেই পারে। এটাই যথাযথ প্রক্রিয়া। কোনো বক্তব্যে অসন্তোষ দেখা দিলে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই প্রক্রিয়া মেনে চলে।’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিরোধী দল বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। এসব কর্মসূচি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, ‘মানুষের কথা বলার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে।’ হিরো আলমের ওপর হামলায় বাংলাদেশে জাতিসংঘ প্রতিনিধির পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো এবং পরে প্রতিনিধিকে ডেকে সরকারের অসন্তোষ জানানোর প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি।
শুক্রবার (২১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সরকারবিরোধী হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। অন্তত দুজন মারা গেছেন। কয়েক শ মানুষ আহত হয়েছেন। এ অবস্থায় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মুখপাত্র কি মনে করেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ বিরাজ করছে?
জবাবে স্টিফেন দুজারিক মানুষের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকারের কথা উল্লেখ করে বলেন, মানুষের এসব অধিকার রক্ষায় সহায়তা করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। সর্বত্র এটা হয়ে থাকে। এমন প্রশ্ন বহুবার তাঁকে করা হয়েছে জানিয়ে মুখপাত্র বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চান না।
ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের ওপর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার ব্যাজধারী একদল লোক হামলা করেন। ওই হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছিলেন ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের যে মৌলিক মানবাধিকার, তা নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে হবে। এই টুইটের জেরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবাসিক প্রতিনিধিকে তলব করেছিল।
এমন একটি টুইটের জন্য আবাসিক প্রতিনিধিকে তলব করা যায় কি না এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের বিষয়টি জানা আছে কি না—এমন প্রশ্ন করেছিলেন ওই সাংবাদিক।
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘের দলটির ওপর মহাসচিবের পূর্ণ আস্থা আছে।’
স্টিফেন দুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘের কোনো কর্মকর্তার মন্তব্যের সঙ্গে সে দেশের দ্বিমত থাকলে সরকার ওই কর্মকর্তাকে তলব করতেই পারে। এটাই যথাযথ প্রক্রিয়া। কোনো বক্তব্যে অসন্তোষ দেখা দিলে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই প্রক্রিয়া মেনে চলে।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে