অনলাইন ডেস্ক
বগুড়া সেনানিবাসে অবস্থিত আর্মার্ড কোর সেন্টার এন্ড স্কুলে (এসিসিএন্ডএস) সাঁজোয়া কোরের ৪৪তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি ২০২৫) এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সেনাবাহিনী প্রধান এসিসিএন্ডএসে পৌঁছালে তাঁকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; কর্নেল কমান্ড্যান্ট, সাঁজোয়া কোর; জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার, বগুড়া এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট এসিসিএন্ডএস অভ্যর্থনা জানান।
সেনাপ্রধান সম্মেলনে উপস্থিত সাঁজোয়া কোরের অধিনায়ক এবং কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। তিনি আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাঁজোয়া কোরের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
তিনি কোরের ঐতিহ্য এবং দেশের সেবায় সাঁজোয়া কোরের অবদানকে স্মরণ করে বলেন, ‘সাঁজোয়া কোরের প্রত্যেক সদস্য ভবিষ্যতে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।’
এরপর সেনাপ্রধান এসিসিএন্ডএস প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন এবং অধিনায়কদের সঙ্গে একটি গ্রুপ ফটোসেশনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, আর্মার্ড ব্রিগেডের কমান্ডার, সাঁজোয়া ইউনিটসমূহের অধিনায়ক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও গতকাল (১৯ জানুয়ারি ২০২৫) সাঁজোয়া কোরের নবম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, চেয়ারম্যান, সেনা কল্যাণ সংস্থা। বগুড়া সেনানিবাসের শহীদ লেফটেন্যান্ট বদিউজ্জামান প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে সামরিক ঐতিহ্য অনুযায়ী নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
বগুড়া সেনানিবাসে অবস্থিত আর্মার্ড কোর সেন্টার এন্ড স্কুলে (এসিসিএন্ডএস) সাঁজোয়া কোরের ৪৪তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি ২০২৫) এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সেনাবাহিনী প্রধান এসিসিএন্ডএসে পৌঁছালে তাঁকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; কর্নেল কমান্ড্যান্ট, সাঁজোয়া কোর; জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার, বগুড়া এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট এসিসিএন্ডএস অভ্যর্থনা জানান।
সেনাপ্রধান সম্মেলনে উপস্থিত সাঁজোয়া কোরের অধিনায়ক এবং কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। তিনি আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাঁজোয়া কোরের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
তিনি কোরের ঐতিহ্য এবং দেশের সেবায় সাঁজোয়া কোরের অবদানকে স্মরণ করে বলেন, ‘সাঁজোয়া কোরের প্রত্যেক সদস্য ভবিষ্যতে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।’
এরপর সেনাপ্রধান এসিসিএন্ডএস প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন এবং অধিনায়কদের সঙ্গে একটি গ্রুপ ফটোসেশনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, আর্মার্ড ব্রিগেডের কমান্ডার, সাঁজোয়া ইউনিটসমূহের অধিনায়ক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও গতকাল (১৯ জানুয়ারি ২০২৫) সাঁজোয়া কোরের নবম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, চেয়ারম্যান, সেনা কল্যাণ সংস্থা। বগুড়া সেনানিবাসের শহীদ লেফটেন্যান্ট বদিউজ্জামান প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে সামরিক ঐতিহ্য অনুযায়ী নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্টকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে