বিজিবির প্রতিবেদন
অনলাইন ডেস্ক
২০২৪ সালে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত অতিক্রম করার প্রবণতা আগের বছরের চেয়ে চার গুণ বেড়েছে। একই সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমার থেকে এসেছে ১৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাসহ দেশটির নাগরিক। ভারতীয় নাগরিকেরাও অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বিজিবির হাতে ধরা পড়েছেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য রয়েছে। গতকাল রোববার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবছর এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিজিবির বার্ষিক এই প্রতিবেদনে মাদক, অস্ত্র, মুদ্রা ও সোনা চোরাচালান, অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন তথ্য থাকে। ২০২৪ সালের প্রতিবেদনসংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গতকাল গণমাধ্যমে পাঠায় বিজিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে ২ হাজার ৬৭৮ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালে ছিল ৫৯৯ জন। নিকট অতীতে বাংলাদেশের নাগরিকদের এভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারত ও মিয়ানমারে প্রবেশের রেকর্ড নেই।
বিজিবির সূত্রগুলো বলেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতা-কর্মীদের অনেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন। ভারতীয় নাগরিকদেরও অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের নজির আছে। বিদায়ী বছরে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ১৫৫ ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিজিবি। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন জেলেও ছিলেন। ২০২৩ সালে একই অভিযোগে ৭৭ ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছিল বিজিবি।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৩ সালে ৮৫৭ জন রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করলেও গত বছর মিয়ানমার থেকে ১৪ হাজার ৩৩৬ রোহিঙ্গা ও অন্যান্য নাগরিক অবৈধভাবে আসেন। তাঁদের আটকের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মিয়ানমারের রাখাইনে আরকান আর্মির সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘাতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বেড়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিজিবি ২ হাজার ১৮৪ কোটি ২৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৩৮টি পিস্তল,৫টি এসএমজি, ১৮টি গ্রেনেড,৮টি রাইফেল,৬টি রিভলবার, অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র ৫২ টি,৮ হাজার ৮৫৯ গোলাবারুদ, ৪৫টি ম্যাগাজিন, ৪টি মর্টার শেল, ৪১টি ককটেল, ১০ কেজি ৪৪ গ্রাম গানপাউডার এবং ২৩৩টি ব্লাংক কার্টিজ।
২০২৪ সালে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত অতিক্রম করার প্রবণতা আগের বছরের চেয়ে চার গুণ বেড়েছে। একই সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমার থেকে এসেছে ১৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাসহ দেশটির নাগরিক। ভারতীয় নাগরিকেরাও অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বিজিবির হাতে ধরা পড়েছেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য রয়েছে। গতকাল রোববার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবছর এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিজিবির বার্ষিক এই প্রতিবেদনে মাদক, অস্ত্র, মুদ্রা ও সোনা চোরাচালান, অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন তথ্য থাকে। ২০২৪ সালের প্রতিবেদনসংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গতকাল গণমাধ্যমে পাঠায় বিজিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে ২ হাজার ৬৭৮ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালে ছিল ৫৯৯ জন। নিকট অতীতে বাংলাদেশের নাগরিকদের এভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারত ও মিয়ানমারে প্রবেশের রেকর্ড নেই।
বিজিবির সূত্রগুলো বলেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতা-কর্মীদের অনেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন। ভারতীয় নাগরিকদেরও অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের নজির আছে। বিদায়ী বছরে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ১৫৫ ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিজিবি। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন জেলেও ছিলেন। ২০২৩ সালে একই অভিযোগে ৭৭ ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছিল বিজিবি।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৩ সালে ৮৫৭ জন রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করলেও গত বছর মিয়ানমার থেকে ১৪ হাজার ৩৩৬ রোহিঙ্গা ও অন্যান্য নাগরিক অবৈধভাবে আসেন। তাঁদের আটকের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মিয়ানমারের রাখাইনে আরকান আর্মির সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘাতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বেড়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিজিবি ২ হাজার ১৮৪ কোটি ২৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৩৮টি পিস্তল,৫টি এসএমজি, ১৮টি গ্রেনেড,৮টি রাইফেল,৬টি রিভলবার, অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র ৫২ টি,৮ হাজার ৮৫৯ গোলাবারুদ, ৪৫টি ম্যাগাজিন, ৪টি মর্টার শেল, ৪১টি ককটেল, ১০ কেজি ৪৪ গ্রাম গানপাউডার এবং ২৩৩টি ব্লাংক কার্টিজ।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে