নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
জন্মনিবন্ধন সনদে প্রত্যেক ব্যক্তির নাম কমপক্ষে দুই শব্দের হতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে না। পাসপোর্ট তৈরি, বিদেশে বিভিন্ন সেবা নিতে সমস্যা হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানান, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. রাশেদুল হাসান।
রাশেদুল হাসান বলেন, ‘জন্মনিবন্ধনে প্রত্যেকের নাম কমপক্ষে দুই শব্দবিশিষ্ট হতে হবে। এখন থেকে সখিনা, মর্জিনা বা রশিদ—এ ধরনের এক শব্দের নামে আর জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হবে না। নাম দুই শব্দবিশিষ্ট যেমন—সখিনা বেগম বা সখিনা খাতুন, আব্দুর রশিদ বা মো. আব্দুর রশিদ সরকার এভাবে লিখতে হবে।’
রাশেদুল হাসান আরও বলেন, ‘জন্মনিবন্ধন ব্যক্তির প্রথম ও প্রাথমিক নিবন্ধন। জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যক্তির ও ব্যক্তির পিতা–মাতার পরিচয় বহন করে। এ নিবন্ধনের ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তিজীবনের পরবর্তী সব নিবন্ধন হয়ে থাকে। তাই শুধু ডাক নাম বা এক শব্দবিশিষ্ট নাম উল্লেখ করে জন্মনিবন্ধন করা যাবে না।’
জন্মনিবন্ধন আইন করা হয় ২০০৪ সালে, যা কার্যকর হয় ২০০৬ সালে। পাসপোর্ট ইস্যু, বিবাহনিবন্ধন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়া, জমি রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন কাজে জন্মনিবন্ধন সনদ করা হয়েছে বাধ্যতামূলক। শুরুর দিকে হাতে লিখে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হতো। পরে ২০১০ সালের শেষে ডিজিটাল পদ্ধতি অনলাইনে আবেদন করার মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া শুরু হয়।
ভোগান্তির শেষ নেই
রাজধানীর মগবাজার এলাকার বাসিন্দা তৈমুর আহমেদ। ছেলের জন্মসনদ করাতে প্রথমে যান স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে। সেখান থেকে বলা হয় সার্ভার সমস্যার কারণে আবেদন গ্রহণ করা যাচ্ছে না। পরে তিনি যোগাযোগ করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মূল কার্যালয়ে। সেখানেও একই জবাব দেওয়া হয়। পরে তিনি বাধ্য হয়ে জন্মনিবন্ধন অধিদপ্তর কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আবেদন করেন এবং জন্মনিবন্ধন সনদ গ্রহণ করেন।
একই অবস্থা হাজারীবাগের বাসিন্দা মৃদুল সরকারের। তিনি বলেন, ‘ভাই আর বইলেন না, আবেদন করতেই ১০ দিন ঘুরতে হয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করেছি।’
শুধু তৈমুর আহমেদ বা মৃদুল সরকার নয়, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ জন্মনিবন্ধন সনদে আবেদন, সংশোধনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, মূলত জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আবেদনের ওয়েবসাইটের কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রায়ই আবেদন করা যায় না। কারিগরি ত্রুটির মধ্যে রয়েছে সার্ভারে জায়গা কম থাকা, এর সঙ্গে যুক্ত সফটওয়্যারগুলো আপডেট না থাকা। এ ছাড়া রয়েছে জন্ম ও নিবন্ধন কার্যালয়ে দক্ষ জনবল না থাকা।
এসব সমস্যার কথা স্বীকার করেন রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. রাশেদুল হাসান। তিনি বলেন, ‘সফটওয়্যার প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। আশা করি শিগগির সব সমস্যার সমাধান হবে।’
জন্মনিবন্ধন সনদে প্রত্যেক ব্যক্তির নাম কমপক্ষে দুই শব্দের হতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে না। পাসপোর্ট তৈরি, বিদেশে বিভিন্ন সেবা নিতে সমস্যা হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানান, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. রাশেদুল হাসান।
রাশেদুল হাসান বলেন, ‘জন্মনিবন্ধনে প্রত্যেকের নাম কমপক্ষে দুই শব্দবিশিষ্ট হতে হবে। এখন থেকে সখিনা, মর্জিনা বা রশিদ—এ ধরনের এক শব্দের নামে আর জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হবে না। নাম দুই শব্দবিশিষ্ট যেমন—সখিনা বেগম বা সখিনা খাতুন, আব্দুর রশিদ বা মো. আব্দুর রশিদ সরকার এভাবে লিখতে হবে।’
রাশেদুল হাসান আরও বলেন, ‘জন্মনিবন্ধন ব্যক্তির প্রথম ও প্রাথমিক নিবন্ধন। জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যক্তির ও ব্যক্তির পিতা–মাতার পরিচয় বহন করে। এ নিবন্ধনের ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তিজীবনের পরবর্তী সব নিবন্ধন হয়ে থাকে। তাই শুধু ডাক নাম বা এক শব্দবিশিষ্ট নাম উল্লেখ করে জন্মনিবন্ধন করা যাবে না।’
জন্মনিবন্ধন আইন করা হয় ২০০৪ সালে, যা কার্যকর হয় ২০০৬ সালে। পাসপোর্ট ইস্যু, বিবাহনিবন্ধন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়া, জমি রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন কাজে জন্মনিবন্ধন সনদ করা হয়েছে বাধ্যতামূলক। শুরুর দিকে হাতে লিখে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হতো। পরে ২০১০ সালের শেষে ডিজিটাল পদ্ধতি অনলাইনে আবেদন করার মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া শুরু হয়।
ভোগান্তির শেষ নেই
রাজধানীর মগবাজার এলাকার বাসিন্দা তৈমুর আহমেদ। ছেলের জন্মসনদ করাতে প্রথমে যান স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে। সেখান থেকে বলা হয় সার্ভার সমস্যার কারণে আবেদন গ্রহণ করা যাচ্ছে না। পরে তিনি যোগাযোগ করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মূল কার্যালয়ে। সেখানেও একই জবাব দেওয়া হয়। পরে তিনি বাধ্য হয়ে জন্মনিবন্ধন অধিদপ্তর কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আবেদন করেন এবং জন্মনিবন্ধন সনদ গ্রহণ করেন।
একই অবস্থা হাজারীবাগের বাসিন্দা মৃদুল সরকারের। তিনি বলেন, ‘ভাই আর বইলেন না, আবেদন করতেই ১০ দিন ঘুরতে হয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করেছি।’
শুধু তৈমুর আহমেদ বা মৃদুল সরকার নয়, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ জন্মনিবন্ধন সনদে আবেদন, সংশোধনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, মূলত জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আবেদনের ওয়েবসাইটের কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রায়ই আবেদন করা যায় না। কারিগরি ত্রুটির মধ্যে রয়েছে সার্ভারে জায়গা কম থাকা, এর সঙ্গে যুক্ত সফটওয়্যারগুলো আপডেট না থাকা। এ ছাড়া রয়েছে জন্ম ও নিবন্ধন কার্যালয়ে দক্ষ জনবল না থাকা।
এসব সমস্যার কথা স্বীকার করেন রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. রাশেদুল হাসান। তিনি বলেন, ‘সফটওয়্যার প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে। আশা করি শিগগির সব সমস্যার সমাধান হবে।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে