নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাসুদুল হাসান বলেছেন, ‘খাদ্যসংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিতকরণ নয়, একসঙ্গে সমাধানের পথও দেখাতে হবে। আমরা জনগণের অর্থে গবেষণার কাজ করছি। তাই জনস্বার্থের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে গবেষণা করতে হবে।’
আজ রোববার (২৯ জুন) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে গৃহীত গবেষণা প্রকল্প অবহিতকরণ এবং চেক বিতরণ অনুষ্ঠান’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন সচিব মাসুদুল হাসান। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) সেমিনারটির আয়োজন করে।
সেমিনারে জানানো হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে বিএফএসএ গবেষণা কার্যক্রমে অনুদান দেওয়া শুরু করে। সে হিসেবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সাতটি, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১০টি এবং চলতি অর্থবছরে ১০টি গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ বছরে মোট ১১০টি প্রস্তাব পাওয়া যায়, সেখান থেকে তিন দফা বাছাই শেষে ১০টি গবেষণা প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে। উক্ত গবেষণা প্রকল্পে মোট ১ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১০টি গবেষণা প্রকল্পের জন্য যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন—যশোর বিজ্ঞান ও টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ এইচ খান, বিসিএসআইআরের ইনস্টিটিউট অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের পিএসও মো. আলমগীর কবির ও ড. মো. আহেদুল আকবর, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মফিজুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফরহাদুস আলতাফ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
মাসুদুল হাসান বলেন, অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ হচ্ছে খাদ্য। সে ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে গবেষণায় দৃষ্টি দিতে হবে। আর যেসব বিষয়ে গবেষণা হচ্ছে, তা যেন মানুষের কাজে আসে, তা প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি খাদ্যবর্জ্যের ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন।
সেমিনারে বিএফএসএর চেয়ারম্যান জাকারিয়ার (অতিরিক্ত সচিব) সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাসুদুল হাসান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব শাহ আব্দুল আলিম।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিএফএসএর সদস্য (জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি) ড. মোহাম্মদ মোস্তফা, আলোচক হিসেবে ছিলেন বিএফএসএর সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. শাকিলা নার্গিস খান।
শাহ আব্দুল আলিম বলেন, ‘ফুড অ্যাডালটেশনে আমরা বিশ্বে প্রথম সারিতে। দেশের ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে আমরা আত্মঘাতী জাতিতে পরিণত হচ্ছি।’
বাজেট বৃদ্ধির বিষয়ে আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমরা গবেষণায় বাজেট বাড়াতে চেষ্টা করব। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এ প্রয়াস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর জীবন গঠনে কাজে আসবে। বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের জায়গায় নেওয়া সম্ভব হবে।’
জাকারিয়া বলেন, ‘আমাদের গবেষণার উদ্দেশ্য হচ্ছে সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরামর্শ দেওয়া। আর নীতিনির্ধারণীরা তা বাস্তবায়ন করবে।’
ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা যারা গবেষণা করব, তারা বিএফএসএর সঙ্গে যুক্ত থাকব।’ তিনি বলেন, ‘এসব প্রকল্প যেন সাধারণ মানুষের কাজে আসে, সেটি নিয়ে ভাবতে হবে।’ তিনি প্রয়োজনীয়তা ও সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেন।
ড. শাকিলা নার্গিস খান বলেন, জাতীয় উন্নয়নে নিরাপদ খাদ্য অন্যতম উৎপাদন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে গবেষণার বিষয়টি অনুপস্থিত। যে দেশের খাদ্য নিরাপদ নয়, তার ভবিষ্যৎ কী হতে পারে?’
গবেষকদের উদ্দেশে বলেন, অনেক গবেষণা এক বছরে হওয়াটা কঠিন। সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরামর্শও দিতে হবে। সেখানে নীতিনির্ধারণীতে কাজে আসে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাসুদুল হাসান বলেছেন, ‘খাদ্যসংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিতকরণ নয়, একসঙ্গে সমাধানের পথও দেখাতে হবে। আমরা জনগণের অর্থে গবেষণার কাজ করছি। তাই জনস্বার্থের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে গবেষণা করতে হবে।’
আজ রোববার (২৯ জুন) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে গৃহীত গবেষণা প্রকল্প অবহিতকরণ এবং চেক বিতরণ অনুষ্ঠান’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন সচিব মাসুদুল হাসান। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) সেমিনারটির আয়োজন করে।
সেমিনারে জানানো হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে বিএফএসএ গবেষণা কার্যক্রমে অনুদান দেওয়া শুরু করে। সে হিসেবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সাতটি, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১০টি এবং চলতি অর্থবছরে ১০টি গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ বছরে মোট ১১০টি প্রস্তাব পাওয়া যায়, সেখান থেকে তিন দফা বাছাই শেষে ১০টি গবেষণা প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে। উক্ত গবেষণা প্রকল্পে মোট ১ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১০টি গবেষণা প্রকল্পের জন্য যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন—যশোর বিজ্ঞান ও টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ এইচ খান, বিসিএসআইআরের ইনস্টিটিউট অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের পিএসও মো. আলমগীর কবির ও ড. মো. আহেদুল আকবর, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মফিজুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফরহাদুস আলতাফ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
মাসুদুল হাসান বলেন, অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ হচ্ছে খাদ্য। সে ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে গবেষণায় দৃষ্টি দিতে হবে। আর যেসব বিষয়ে গবেষণা হচ্ছে, তা যেন মানুষের কাজে আসে, তা প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি খাদ্যবর্জ্যের ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন।
সেমিনারে বিএফএসএর চেয়ারম্যান জাকারিয়ার (অতিরিক্ত সচিব) সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাসুদুল হাসান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব শাহ আব্দুল আলিম।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিএফএসএর সদস্য (জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি) ড. মোহাম্মদ মোস্তফা, আলোচক হিসেবে ছিলেন বিএফএসএর সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. শাকিলা নার্গিস খান।
শাহ আব্দুল আলিম বলেন, ‘ফুড অ্যাডালটেশনে আমরা বিশ্বে প্রথম সারিতে। দেশের ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে আমরা আত্মঘাতী জাতিতে পরিণত হচ্ছি।’
বাজেট বৃদ্ধির বিষয়ে আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমরা গবেষণায় বাজেট বাড়াতে চেষ্টা করব। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এ প্রয়াস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর জীবন গঠনে কাজে আসবে। বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের জায়গায় নেওয়া সম্ভব হবে।’
জাকারিয়া বলেন, ‘আমাদের গবেষণার উদ্দেশ্য হচ্ছে সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরামর্শ দেওয়া। আর নীতিনির্ধারণীরা তা বাস্তবায়ন করবে।’
ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা যারা গবেষণা করব, তারা বিএফএসএর সঙ্গে যুক্ত থাকব।’ তিনি বলেন, ‘এসব প্রকল্প যেন সাধারণ মানুষের কাজে আসে, সেটি নিয়ে ভাবতে হবে।’ তিনি প্রয়োজনীয়তা ও সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেন।
ড. শাকিলা নার্গিস খান বলেন, জাতীয় উন্নয়নে নিরাপদ খাদ্য অন্যতম উৎপাদন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে গবেষণার বিষয়টি অনুপস্থিত। যে দেশের খাদ্য নিরাপদ নয়, তার ভবিষ্যৎ কী হতে পারে?’
গবেষকদের উদ্দেশে বলেন, অনেক গবেষণা এক বছরে হওয়াটা কঠিন। সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরামর্শও দিতে হবে। সেখানে নীতিনির্ধারণীতে কাজে আসে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে