নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশসহ রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনেও চলছে টিকাদান কার্যক্রম। এত দিন সিনোফার্ম, মডার্নাসহ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হতো দুই সিটি করপোরেশন এলাকায়। সেখানে এখন আনা হলো পরিবর্তন। এখন থেকে ঢাকায় প্রথম ডোজে কেবলমাত্র চীনের তৈরি সিনোভ্যাকের টিকা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বুস্টার ডোজে ব্যবহার করা হবে মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা।
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পরিচালক ও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নির্দেশনায় বলা হয়, চলমান কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আওতাধীন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, সরকারি হাসপাতাল এবং দুই সিটির আওতাধীন সকল ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রসমূহে প্রথম ডোজ হিসেবে সিনোভ্যাক এবং বুস্টার ডোজ হিসেবে মডার্না অথবা অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন প্রধান নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
এর আগেও প্রয়োগ হওয়া টিকাদানে পরিবর্তন এনেছিল সরকার। গত ১৩ জানুয়ারি বুস্টার ডোজে ফাইজারের টিকার পরিবর্তে মডার্না টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। আর ফাইজারের টিকা কেবলমাত্র স্কুল শিক্ষার্থীদের (১২-১৭ বছর বয়সী) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। যদিও সেই নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে অনেক কেন্দ্রেই বাস্তবায়ন হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো দৈনিক টিকাদানের তথ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখা যায়, দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৯টি টিকাদান কেন্দ্রে এদিন প্রথম ডোজ হিসেবে ফাইজারসহ তিন ধরনের টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টিতে প্রথম ডোজ হিসেবে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত কোভিশিল্ডের টিকা। এ ছাড়া পাঁচটিতে ফাইজার এবং ৩৯ টিতে মডার্নার টিকা দেওয়া হয়।
গতকাল সোমবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে ঢাকায় এখন পর্যন্ত ৭০ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩৮ জনকে প্রথম ডোজ, ৫২ লাখ ৯০ হাজার ৪৮৫ জনকে দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে তিন লাখ ৩৮ হাজার ৭৬৯ জনকে।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মত ঢাকায় ব্যবহার শুরু হতে যাওয়া চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানির এই টিকা গত বছরের জুনের প্রথম সপ্তাহে সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর জরুরি ব্যবহারে অনুমোদন দেয়। পরে সেটি ঢাকার বাইরে ব্যবহারও করা হয়।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশসহ রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনেও চলছে টিকাদান কার্যক্রম। এত দিন সিনোফার্ম, মডার্নাসহ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হতো দুই সিটি করপোরেশন এলাকায়। সেখানে এখন আনা হলো পরিবর্তন। এখন থেকে ঢাকায় প্রথম ডোজে কেবলমাত্র চীনের তৈরি সিনোভ্যাকের টিকা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বুস্টার ডোজে ব্যবহার করা হবে মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা।
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পরিচালক ও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নির্দেশনায় বলা হয়, চলমান কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আওতাধীন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, সরকারি হাসপাতাল এবং দুই সিটির আওতাধীন সকল ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রসমূহে প্রথম ডোজ হিসেবে সিনোভ্যাক এবং বুস্টার ডোজ হিসেবে মডার্না অথবা অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন প্রধান নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
এর আগেও প্রয়োগ হওয়া টিকাদানে পরিবর্তন এনেছিল সরকার। গত ১৩ জানুয়ারি বুস্টার ডোজে ফাইজারের টিকার পরিবর্তে মডার্না টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। আর ফাইজারের টিকা কেবলমাত্র স্কুল শিক্ষার্থীদের (১২-১৭ বছর বয়সী) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। যদিও সেই নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে অনেক কেন্দ্রেই বাস্তবায়ন হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো দৈনিক টিকাদানের তথ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখা যায়, দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৯টি টিকাদান কেন্দ্রে এদিন প্রথম ডোজ হিসেবে ফাইজারসহ তিন ধরনের টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টিতে প্রথম ডোজ হিসেবে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত কোভিশিল্ডের টিকা। এ ছাড়া পাঁচটিতে ফাইজার এবং ৩৯ টিতে মডার্নার টিকা দেওয়া হয়।
গতকাল সোমবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে ঢাকায় এখন পর্যন্ত ৭০ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩৮ জনকে প্রথম ডোজ, ৫২ লাখ ৯০ হাজার ৪৮৫ জনকে দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে তিন লাখ ৩৮ হাজার ৭৬৯ জনকে।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মত ঢাকায় ব্যবহার শুরু হতে যাওয়া চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানির এই টিকা গত বছরের জুনের প্রথম সপ্তাহে সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর জরুরি ব্যবহারে অনুমোদন দেয়। পরে সেটি ঢাকার বাইরে ব্যবহারও করা হয়।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে