নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
গত জুনে দেশে ৬৭১টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭১১ জন এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১ হাজার ৯০২ জন। এসব দুর্ঘটনার মধ্যে শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৪৪ জন এবং আহত হন ২১২ জন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং আহতের ১১ দশমিক ১৪ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয়, আঞ্চলিক এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।
ঈদের সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, অবাধ যান চলাচল, সড়কে ত্রুটি, অদক্ষ চালক ও ফিটনেসহীন যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলকে গত মাসের সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে—মোট ১৬০টি। এতে ১৭২ জন নিহত ও ৫৮৮ জন আহত হয়। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটে সিলেট বিভাগে—২৫টি। এই বিভাগে এসব দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৪৫ জন আহত হয়।
দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল, ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান ও লরি, ১৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ বাস, ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ সিএনজি অটোরিকশা এবং বাকি অংশে নছিমন-করিমন, কার-মাইক্রোবাস প্রভৃতি ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত জুনে ৪১ দশমিক ২৮ শতাংশই ছিল গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১ দশমিক ৩১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া, ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ বিভিন্ন কারণে, ওড়না চাকায় পেঁচিয়ে শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ এবং শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ ট্রেন ও যানবাহনের সংঘর্ষ।
রাস্তাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে, ৩১ দশমিক ১৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, ঈদের সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, অবাধ যান চলাচল, সড়কের ত্রুটি, অদক্ষ চালক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বেপরোয়া চালনাই জুন মাসের সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিজ্ঞপ্তিতে আলোকসজ্জাসহ নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ, ফিটনেসবিহীন যান অপসারণ ও পরিবহন খাতে ডিজিটাল নজরদারির সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
গত জুনে দেশে ৬৭১টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭১১ জন এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১ হাজার ৯০২ জন। এসব দুর্ঘটনার মধ্যে শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৪৪ জন এবং আহত হন ২১২ জন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং আহতের ১১ দশমিক ১৪ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয়, আঞ্চলিক এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।
ঈদের সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, অবাধ যান চলাচল, সড়কে ত্রুটি, অদক্ষ চালক ও ফিটনেসহীন যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলকে গত মাসের সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে—মোট ১৬০টি। এতে ১৭২ জন নিহত ও ৫৮৮ জন আহত হয়। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটে সিলেট বিভাগে—২৫টি। এই বিভাগে এসব দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৪৫ জন আহত হয়।
দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল, ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান ও লরি, ১৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ বাস, ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ সিএনজি অটোরিকশা এবং বাকি অংশে নছিমন-করিমন, কার-মাইক্রোবাস প্রভৃতি ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত জুনে ৪১ দশমিক ২৮ শতাংশই ছিল গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১ দশমিক ৩১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া, ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ বিভিন্ন কারণে, ওড়না চাকায় পেঁচিয়ে শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ এবং শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ ট্রেন ও যানবাহনের সংঘর্ষ।
রাস্তাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে, ৩১ দশমিক ১৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, ঈদের সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, অবাধ যান চলাচল, সড়কের ত্রুটি, অদক্ষ চালক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বেপরোয়া চালনাই জুন মাসের সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিজ্ঞপ্তিতে আলোকসজ্জাসহ নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ, ফিটনেসবিহীন যান অপসারণ ও পরিবহন খাতে ডিজিটাল নজরদারির সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে