সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে হজযাত্রার খরচ কমানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা। কিন্তু টাকার বিপরীতে সৌদি রিয়ালের দর বেড়ে যাওয়ায় হজের খরচ খুব একটা কমছে না। সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকার মতো হজের খরচ কমতে পারে বলে ধারণা করছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভা আছে আগামীকাল বুধবার। সচিবালয়ে এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। এই সভা থেকেই আগামী বছরের হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. মঞ্জুরুল হক গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকার হজ প্যাকেজের খরচ কমানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে খরচ কত কমবে, তা আগামীকালের নির্বাহী কমিটির সভায় আগে বলা যাচ্ছে না।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিমানভাড়া কমিয়ে এবং হজযাত্রীদের সব ধরনের ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ করে এবার হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোনো বিশেষ প্যাকেজ না দিয়ে হজের সাধারণ দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।
২০২৪ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজ খরচ হয়েছিল ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা। আর বেসরকারিভাবে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজের খরচ ছিল ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর মানুষ যে প্রত্যাশা করেছিল, হজ প্যাকেজে সবার প্রত্যাশা সেভাবে পূরণ হবে না। সরকার হজের খরচ কমানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু টাকার মান কমে গিয়ে সৌদি রিয়ালের মান বেড়ে যাওয়ায় হজের খরচ খুব বেশি কমানো যাচ্ছে না।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের হজের প্যাকেজ নির্ধারণের সময় ২৯.৭৪ টাকা সৌদি রিয়াল ধরে প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা ৩২ টাকার বেশি ধরে হিসাব করতে হচ্ছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত ফি রিয়ালে হিসাব করে দিতে হবে বলে এবার হজযাত্রীদের সৌদি অংশের খরচ বাড়বে। এই খরচ না বাড়লে হজের খরচ পাঁচ লাখের মধ্যেই নির্ধারণ করা যেত।
২০২৪ সালে হজে যাওয়ার বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা। এবার তা ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বিমানভাড়া আরেকটু কমানোর চেষ্টা করছে।
একজন কর্মকর্তা বলেন, বিমানভাড়া গতবারের থেকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার হাজার টাকা কমাতে চায় ধর্ম মন্ত্রণালয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হজযাত্রীদের টাকা থেকে ট্যাক্স-ভ্যাট কাটা হয়। বিমানবন্দর ব্যবহার করার কারণেও হজযাত্রীদের কাছ থেকে ফি নেওয়া হয়। এসব মওকুফ করলে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা কম দিতে হবে হজযাত্রীদের। সঙ্গে বিমানভাড়ার খরচ কমবে। সব মিলিয়ে হজের খরচ গতবারের থেকে ৫০ হাজার টাকা কমানোর চেষ্টা করছে মন্ত্রণালয়।
একজন কর্মকর্তা বলেন, এ বছর দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হতে পারে। এর মধ্যে একটি প্যাকেজ মসজিদুল হারামের আশপাশের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে বাড়িসহ একটি। অন্যটি হবে আজিজিয়া প্যাকেজ। এবার বিশেষ কোনো প্যাকেজ থাকবে না।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সরকারিভাবে ১ হাজার ৯৮৮ জন এবং বেসরকারিভাবে ৬৩ হাজার ৮৩৩ জন প্রাক্-নিবন্ধন করেছেন। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। বাংলাদেশ থেকে এবার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। আগামী বছরের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।
হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর নিবন্ধনের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. মঞ্জুরুল হক। তিনি বলেন, ‘হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর নিবন্ধনের গতি আরও বাড়বে বলে ধারণা করছি। আশা করছি, গতবারের থেকে হজের কোটা কম ফাঁকা থাকবে।’
সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে হজযাত্রার খরচ কমানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা। কিন্তু টাকার বিপরীতে সৌদি রিয়ালের দর বেড়ে যাওয়ায় হজের খরচ খুব একটা কমছে না। সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকার মতো হজের খরচ কমতে পারে বলে ধারণা করছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভা আছে আগামীকাল বুধবার। সচিবালয়ে এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। এই সভা থেকেই আগামী বছরের হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. মঞ্জুরুল হক গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকার হজ প্যাকেজের খরচ কমানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে খরচ কত কমবে, তা আগামীকালের নির্বাহী কমিটির সভায় আগে বলা যাচ্ছে না।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিমানভাড়া কমিয়ে এবং হজযাত্রীদের সব ধরনের ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ করে এবার হজের খরচ কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোনো বিশেষ প্যাকেজ না দিয়ে হজের সাধারণ দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।
২০২৪ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজ খরচ হয়েছিল ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা। আর বেসরকারিভাবে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজের খরচ ছিল ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর মানুষ যে প্রত্যাশা করেছিল, হজ প্যাকেজে সবার প্রত্যাশা সেভাবে পূরণ হবে না। সরকার হজের খরচ কমানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু টাকার মান কমে গিয়ে সৌদি রিয়ালের মান বেড়ে যাওয়ায় হজের খরচ খুব বেশি কমানো যাচ্ছে না।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের হজের প্যাকেজ নির্ধারণের সময় ২৯.৭৪ টাকা সৌদি রিয়াল ধরে প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা ৩২ টাকার বেশি ধরে হিসাব করতে হচ্ছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত ফি রিয়ালে হিসাব করে দিতে হবে বলে এবার হজযাত্রীদের সৌদি অংশের খরচ বাড়বে। এই খরচ না বাড়লে হজের খরচ পাঁচ লাখের মধ্যেই নির্ধারণ করা যেত।
২০২৪ সালে হজে যাওয়ার বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা। এবার তা ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বিমানভাড়া আরেকটু কমানোর চেষ্টা করছে।
একজন কর্মকর্তা বলেন, বিমানভাড়া গতবারের থেকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার হাজার টাকা কমাতে চায় ধর্ম মন্ত্রণালয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হজযাত্রীদের টাকা থেকে ট্যাক্স-ভ্যাট কাটা হয়। বিমানবন্দর ব্যবহার করার কারণেও হজযাত্রীদের কাছ থেকে ফি নেওয়া হয়। এসব মওকুফ করলে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা কম দিতে হবে হজযাত্রীদের। সঙ্গে বিমানভাড়ার খরচ কমবে। সব মিলিয়ে হজের খরচ গতবারের থেকে ৫০ হাজার টাকা কমানোর চেষ্টা করছে মন্ত্রণালয়।
একজন কর্মকর্তা বলেন, এ বছর দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হতে পারে। এর মধ্যে একটি প্যাকেজ মসজিদুল হারামের আশপাশের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে বাড়িসহ একটি। অন্যটি হবে আজিজিয়া প্যাকেজ। এবার বিশেষ কোনো প্যাকেজ থাকবে না।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সরকারিভাবে ১ হাজার ৯৮৮ জন এবং বেসরকারিভাবে ৬৩ হাজার ৮৩৩ জন প্রাক্-নিবন্ধন করেছেন। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। বাংলাদেশ থেকে এবার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। আগামী বছরের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।
হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর নিবন্ধনের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. মঞ্জুরুল হক। তিনি বলেন, ‘হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর নিবন্ধনের গতি আরও বাড়বে বলে ধারণা করছি। আশা করছি, গতবারের থেকে হজের কোটা কম ফাঁকা থাকবে।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে