অনলাইন ডেস্ক
চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে পরপর দুই দিন সড়ক অবরোধ করেছেন। এরপর আজ বৃহস্পতিবার তাঁরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন কারণে চাকরিচ্যুত এসব পুলিশ সদস্যের আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি কাজ করছে। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ না করতে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন কারণে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছেন। এরই মধ্যে তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহাল–সংক্রান্ত আবেদনগুলো পর্যালোচনার লক্ষ্যে ডিআইজির নেতৃত্বে গঠিত কমিটি কাজ করছে। আবেদনগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন কি না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এও দেখা যাচ্ছে, তাঁদের অনেকেই ফৌজদারি/আর্থিক/নৈতিক স্খলন/আচরণগত/বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত অপরাধেও চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, এরই মধ্যে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের ১ হাজার ৫২২টি আবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে গৃহীত হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে কনস্টেবল ১ হাজার ২৫ জন, নায়েক ৭৯ জন, এএসআই/এটিএসআই ১৮০, এসআই/সার্জেন্ট/টিএসআই ২০০, ইন্সপেক্টর ১০ জন এবং নন-পুলিশ সদস্য ২৮ জন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের অনেকের আবেদন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল/প্রশাসনিক অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের অধীনেও বিচারাধীন রয়েছে। চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা যাতে ন্যায়বিচার পান সে জন্য পুলিশ সদর দপ্তর আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হচ্ছে, গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ পুলিশ সদর দপ্তর সম্মুখে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা মানববন্ধন করার সময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তাঁদের কাছে গিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিস্তারিত বলার পরও চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা রাস্তা অবরোধের মতো জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কর্মসূচি করেছেন। চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের রাস্তা অবরোধ করে নগরবাসীর বিড়ম্বনা সৃষ্টি না করার জন্য আহ্বান জানায় পুলিশ সদর দপ্তর।
চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে পরপর দুই দিন সড়ক অবরোধ করেছেন। এরপর আজ বৃহস্পতিবার তাঁরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন কারণে চাকরিচ্যুত এসব পুলিশ সদস্যের আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি কাজ করছে। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ না করতে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন কারণে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছেন। এরই মধ্যে তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহাল–সংক্রান্ত আবেদনগুলো পর্যালোচনার লক্ষ্যে ডিআইজির নেতৃত্বে গঠিত কমিটি কাজ করছে। আবেদনগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন কি না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এও দেখা যাচ্ছে, তাঁদের অনেকেই ফৌজদারি/আর্থিক/নৈতিক স্খলন/আচরণগত/বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত অপরাধেও চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, এরই মধ্যে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের ১ হাজার ৫২২টি আবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে গৃহীত হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে কনস্টেবল ১ হাজার ২৫ জন, নায়েক ৭৯ জন, এএসআই/এটিএসআই ১৮০, এসআই/সার্জেন্ট/টিএসআই ২০০, ইন্সপেক্টর ১০ জন এবং নন-পুলিশ সদস্য ২৮ জন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের অনেকের আবেদন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল/প্রশাসনিক অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের অধীনেও বিচারাধীন রয়েছে। চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা যাতে ন্যায়বিচার পান সে জন্য পুলিশ সদর দপ্তর আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হচ্ছে, গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ পুলিশ সদর দপ্তর সম্মুখে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা মানববন্ধন করার সময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তাঁদের কাছে গিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিস্তারিত বলার পরও চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা রাস্তা অবরোধের মতো জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কর্মসূচি করেছেন। চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের রাস্তা অবরোধ করে নগরবাসীর বিড়ম্বনা সৃষ্টি না করার জন্য আহ্বান জানায় পুলিশ সদর দপ্তর।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে