ফিচার ডেস্ক, ঢাকা
ভিয়েতনামের নাম শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে হা লং উপসাগর, হ্যানয় কিংবা হো চি মিন সিটির দৃশ্যপট। যেখানে দেখা মেলে দেশটির চলমান জীবনের ছন্দ, পর্যটকের ভিড়, উঁচু দালান আর আলো-ঝলমলে রাত। তবে দেশটির গভীরতর সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে এসব জাঁকজমকের বাইরেও। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও স্থানীয় জীবনের অনন্য মেলবন্ধন খুঁজতে চাইলে যেতে হবে ভিয়েতনামের সেই সব শহরে, যেগুলোর নাম আজও পর্যটন মানচিত্রে খুব বেশি আলোচিত নয়।
নিন বিন
এককথায় বলা যায়, স্থলভাগের হা লং উপসাগর হলো নিন বিন শহর। হ্যানয় থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণের এই শহরে আছে বিশালাকার চুনাপাথরের পাহাড়, সবুজ ধানখেত আর তার মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী। মনে হয় যেন নিন বিন শহরটি এক জীবন্ত পেইন্টিং। এখানকার নদীপথে ছোট নৌকায় ঘুরে ঘুরে দেখতে পাবেন প্রকৃতির আশ্চর্য নিদর্শন। বিচ ডং প্যাগোডার দিকে পাহাড় বেয়ে উঠতে উঠতে কিংবা হ্যাং মুয়া চূড়ায় উঠে চারপাশের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সেখানে দাঁড়িয়েই বোঝা যায়, কেন এই শহর প্রকৃতিপ্রেমীদের এত প্রিয়।
ডং হোই
প্রকৃতির গর্ভে এক গুহার রাজ্য ডং হোই। ভিয়েতনামের উত্তর-মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এই শহর মূলত ফং না-কে বাং ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। এখানে আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গুহা হ্যাংসন ডুং। আর আছে প্যারাডাইজ কেভের মতো প্রাকৃতিক বিস্ময়। তবে ডং হোই শুধু গুহার শহর নয়, এটি শান্ত ও সাগর তটবর্তী শহর; যেখানে হাঁটা যাবে সরু গলিপথ ধরে, উপভোগ করা যায় স্থানীয় খাবারের গন্ধ, আর সন্ধ্যায় হারিয়ে যাওয়া যায় নির্জন সৈকতে। গুহার ভেতরের রহস্য যেমন মানুষকে টানে, ঠিক তেমনি শহরের সরলতাও মুগ্ধ করে রাখে কখনো কখনো। ডং হোই তেমনি এক সরল শহর।
বাক হা
পাহাড়ঘেরা এক প্রাচীন সংস্কৃতি বাক হা। উত্তর ভিয়েতনামের সাপা অঞ্চল ঘুরে দেখে কেউ যদি চান আরও নির্জন, কম পর্যটক-অধ্যুষিত কোনো স্থানে যেতে, তাহলে বাক হা হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। এখানে রোববার হাট বসে। স্থানীয় মানুষজন ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে সেসব হাটে যান। দেখে মনে হয়, যেন কোনো উৎসব চলছে; যেখানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা বাধ্যতামূলক। এখানে চলতে চলতে দেখা মিলবে ধাপে ধাপে সাজানো ধানখেত। গ্রামগুলোর মেঠো পথে হেঁটে যেতে যেতে হারিয়ে যাওয়া যাবে এক পুরোনো ভিয়েতনামে, যেটি এখনো প্রযুক্তির ছোঁয়া থেকে অনেকটা দূরে।
কুই নিয়ন
নীল জল, সোনালি বালি ও নির্জনতা খুঁজে পেতে চাইলে যেতে হবে কুই নিয়ন শহরে। মধ্য ভিয়েতনামে অবস্থিত এই শহর পর্যটকের চাপ থেকে এখনো অনেকটা মুক্ত। এর দীর্ঘ বালুকাবেলা, স্বচ্ছ জলরাশি আর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পাথুরে পাহাড়ে ছড়িয়ে আছে কুই নিয়নের নিঃসঙ্গ সৌন্দর্য। এখানে আছে বাই জেপ কিংবা কয় কো-র মতো সৈকত। এগুলো দেখলে মনে হবে প্রকৃতির হাতে তৈরি ক্যানভাস। যাঁরা স্নরকেলিং বা ডাইভিং ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এ শহরের হোন খো দ্বীপে রয়েছে রঙিন সামুদ্রিক জগতের হাতছানি। এখানে স্থানীয় জেলেদের কাছে পাওয়া যাবে প্রতিদিন আসা টাটকা সামুদ্রিক মাছ দিয়ে তৈরি খাবারের স্বাদ।
বুয়োন মা থুয়ট
কফির শহর বুয়োন মা থুয়ট। একে বলা হয় পাহাড়ের নিশ্বাস। যাঁরা কফিপ্রেমী, তাঁদের জন্য এই শহর অনন্য ঠিকানা। এখানকার কফি শুধু জনপ্রিয়ই নয়; অনেকে বলেন, এখানকার কফি পৃথিবীর অন্যতম সেরা। শহরটি পাহাড়ঘেরা। বিশাল কফি বাগান আর এক ধীরস্থির, শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ বুয়োন মা থুয়ট শহরে। এখানে ড্রে নুর ও ড্রে স্যাপ নামের দুটি জলপ্রপাত আছে। জলের গর্জন, ঝরনার নিচে পাহাড়ি ছায়া আর কফির সুবাস—সব মিলিয়ে এই শহর ভ্রমণ এমন এক অভিজ্ঞতা দেবে, যা কেবল অনুভবেই বোঝা যায়।
সূত্র: ই এন ভলস
ভিয়েতনামের নাম শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে হা লং উপসাগর, হ্যানয় কিংবা হো চি মিন সিটির দৃশ্যপট। যেখানে দেখা মেলে দেশটির চলমান জীবনের ছন্দ, পর্যটকের ভিড়, উঁচু দালান আর আলো-ঝলমলে রাত। তবে দেশটির গভীরতর সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে এসব জাঁকজমকের বাইরেও। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও স্থানীয় জীবনের অনন্য মেলবন্ধন খুঁজতে চাইলে যেতে হবে ভিয়েতনামের সেই সব শহরে, যেগুলোর নাম আজও পর্যটন মানচিত্রে খুব বেশি আলোচিত নয়।
নিন বিন
এককথায় বলা যায়, স্থলভাগের হা লং উপসাগর হলো নিন বিন শহর। হ্যানয় থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণের এই শহরে আছে বিশালাকার চুনাপাথরের পাহাড়, সবুজ ধানখেত আর তার মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী। মনে হয় যেন নিন বিন শহরটি এক জীবন্ত পেইন্টিং। এখানকার নদীপথে ছোট নৌকায় ঘুরে ঘুরে দেখতে পাবেন প্রকৃতির আশ্চর্য নিদর্শন। বিচ ডং প্যাগোডার দিকে পাহাড় বেয়ে উঠতে উঠতে কিংবা হ্যাং মুয়া চূড়ায় উঠে চারপাশের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সেখানে দাঁড়িয়েই বোঝা যায়, কেন এই শহর প্রকৃতিপ্রেমীদের এত প্রিয়।
ডং হোই
প্রকৃতির গর্ভে এক গুহার রাজ্য ডং হোই। ভিয়েতনামের উত্তর-মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এই শহর মূলত ফং না-কে বাং ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। এখানে আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গুহা হ্যাংসন ডুং। আর আছে প্যারাডাইজ কেভের মতো প্রাকৃতিক বিস্ময়। তবে ডং হোই শুধু গুহার শহর নয়, এটি শান্ত ও সাগর তটবর্তী শহর; যেখানে হাঁটা যাবে সরু গলিপথ ধরে, উপভোগ করা যায় স্থানীয় খাবারের গন্ধ, আর সন্ধ্যায় হারিয়ে যাওয়া যায় নির্জন সৈকতে। গুহার ভেতরের রহস্য যেমন মানুষকে টানে, ঠিক তেমনি শহরের সরলতাও মুগ্ধ করে রাখে কখনো কখনো। ডং হোই তেমনি এক সরল শহর।
বাক হা
পাহাড়ঘেরা এক প্রাচীন সংস্কৃতি বাক হা। উত্তর ভিয়েতনামের সাপা অঞ্চল ঘুরে দেখে কেউ যদি চান আরও নির্জন, কম পর্যটক-অধ্যুষিত কোনো স্থানে যেতে, তাহলে বাক হা হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। এখানে রোববার হাট বসে। স্থানীয় মানুষজন ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে সেসব হাটে যান। দেখে মনে হয়, যেন কোনো উৎসব চলছে; যেখানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা বাধ্যতামূলক। এখানে চলতে চলতে দেখা মিলবে ধাপে ধাপে সাজানো ধানখেত। গ্রামগুলোর মেঠো পথে হেঁটে যেতে যেতে হারিয়ে যাওয়া যাবে এক পুরোনো ভিয়েতনামে, যেটি এখনো প্রযুক্তির ছোঁয়া থেকে অনেকটা দূরে।
কুই নিয়ন
নীল জল, সোনালি বালি ও নির্জনতা খুঁজে পেতে চাইলে যেতে হবে কুই নিয়ন শহরে। মধ্য ভিয়েতনামে অবস্থিত এই শহর পর্যটকের চাপ থেকে এখনো অনেকটা মুক্ত। এর দীর্ঘ বালুকাবেলা, স্বচ্ছ জলরাশি আর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পাথুরে পাহাড়ে ছড়িয়ে আছে কুই নিয়নের নিঃসঙ্গ সৌন্দর্য। এখানে আছে বাই জেপ কিংবা কয় কো-র মতো সৈকত। এগুলো দেখলে মনে হবে প্রকৃতির হাতে তৈরি ক্যানভাস। যাঁরা স্নরকেলিং বা ডাইভিং ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এ শহরের হোন খো দ্বীপে রয়েছে রঙিন সামুদ্রিক জগতের হাতছানি। এখানে স্থানীয় জেলেদের কাছে পাওয়া যাবে প্রতিদিন আসা টাটকা সামুদ্রিক মাছ দিয়ে তৈরি খাবারের স্বাদ।
বুয়োন মা থুয়ট
কফির শহর বুয়োন মা থুয়ট। একে বলা হয় পাহাড়ের নিশ্বাস। যাঁরা কফিপ্রেমী, তাঁদের জন্য এই শহর অনন্য ঠিকানা। এখানকার কফি শুধু জনপ্রিয়ই নয়; অনেকে বলেন, এখানকার কফি পৃথিবীর অন্যতম সেরা। শহরটি পাহাড়ঘেরা। বিশাল কফি বাগান আর এক ধীরস্থির, শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ বুয়োন মা থুয়ট শহরে। এখানে ড্রে নুর ও ড্রে স্যাপ নামের দুটি জলপ্রপাত আছে। জলের গর্জন, ঝরনার নিচে পাহাড়ি ছায়া আর কফির সুবাস—সব মিলিয়ে এই শহর ভ্রমণ এমন এক অভিজ্ঞতা দেবে, যা কেবল অনুভবেই বোঝা যায়।
সূত্র: ই এন ভলস
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৯ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৯ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
২০ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
২০ দিন আগে