ফিচার ডেস্ক
কয়েক বছর ধরে পর্যটনের দিকে বাড়তি নজর দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এই লক্ষ্যে দেশটি পর্যটন স্থানগুলো উন্নয়নের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের আমন্ত্রণ জানাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। সম্প্রতি খবর প্রকাশিত হয়েছে, ৪০টি দেশের নাগরিকদের শ্রীলঙ্কা সফরে ভিসা ফি দিতে হবে না।
এই দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ভারত, চীন, রাশিয়াসহ সাতটি দেশের জন্য এমন সুবিধা চালু ছিল।
শ্রীলঙ্কার পর্যটনমন্ত্রী বিজিত হেরাথ জানান, এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের কিছু আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, বেশি পর্যটক এলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে যাবে।
এখন যারা দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে থেকে শ্রীলঙ্কায় ভ্রমণে যায়, তাদের ৫০-৬০ ডলার পর্যন্ত ভিসা ফি দিতে হয়। নতুন নিয়ম চালু হলে এই খরচের আর প্রয়োজন হবে না।
শ্রীলঙ্কা সরকার এ বছর দেশটিতে ৩০ লাখ পর্যটকের আগমন নিশ্চিত করে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা করেছে। গত বছর দেশটিতে ভ্রমণ করেছিল প্রায় ২০ লাখ ৫০ হাজার পর্যটক এবং সেখান থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
গত মার্চে বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে শ্রীলঙ্কা নতুন এক ক্যাম্পেইন শুরু করে। সেই প্রচারে বিভিন্ন দেশের ১২ জন ভ্রমণ ভ্লগারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁদের দিয়ে শ্রীলঙ্কা নিজেদের বিভিন্ন ভ্রমণ স্থানের কথা বিশ্বের সামনে তুলে ধরে।
জানা গেছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় ১৩ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা ৪ শতাংশ বেশি। তবে জুলাই মাসে ক্যানডির বিখ্যাত এসালা পেরাহেরা উৎসব থাকলেও পর্যটকের সংখ্যা আশানুরূপ হয়নি। দেশটি আশা করেছিল, ২ লাখ ৭৭ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করবে সে সময়। পর্যটক এসেছিল মাত্র ১ লাখ ৪৫ হাজার।
শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ করা বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ভারতে এই সংখ্যা বেশি। তালিকায় এর পর রয়েছে যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া।
শ্রীলঙ্কা ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা দেশ। কিন্তু সঠিকভাবে নিজের প্রচার না করতে পারায় তারা অনেক পিছিয়ে আছে। ভিসা ফি মওকুফ তাদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তবে পর্যটক বাড়াতে হলে আরও বড় পরিকল্পনা, উন্নত সেবা এবং ভালো প্রচার দরকার বলে মনে করেন সে দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: স্কিফ্ট
কয়েক বছর ধরে পর্যটনের দিকে বাড়তি নজর দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এই লক্ষ্যে দেশটি পর্যটন স্থানগুলো উন্নয়নের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের আমন্ত্রণ জানাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। সম্প্রতি খবর প্রকাশিত হয়েছে, ৪০টি দেশের নাগরিকদের শ্রীলঙ্কা সফরে ভিসা ফি দিতে হবে না।
এই দেশগুলোর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ভারত, চীন, রাশিয়াসহ সাতটি দেশের জন্য এমন সুবিধা চালু ছিল।
শ্রীলঙ্কার পর্যটনমন্ত্রী বিজিত হেরাথ জানান, এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের কিছু আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, বেশি পর্যটক এলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে যাবে।
এখন যারা দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে থেকে শ্রীলঙ্কায় ভ্রমণে যায়, তাদের ৫০-৬০ ডলার পর্যন্ত ভিসা ফি দিতে হয়। নতুন নিয়ম চালু হলে এই খরচের আর প্রয়োজন হবে না।
শ্রীলঙ্কা সরকার এ বছর দেশটিতে ৩০ লাখ পর্যটকের আগমন নিশ্চিত করে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা করেছে। গত বছর দেশটিতে ভ্রমণ করেছিল প্রায় ২০ লাখ ৫০ হাজার পর্যটক এবং সেখান থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
গত মার্চে বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে শ্রীলঙ্কা নতুন এক ক্যাম্পেইন শুরু করে। সেই প্রচারে বিভিন্ন দেশের ১২ জন ভ্রমণ ভ্লগারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁদের দিয়ে শ্রীলঙ্কা নিজেদের বিভিন্ন ভ্রমণ স্থানের কথা বিশ্বের সামনে তুলে ধরে।
জানা গেছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় ১৩ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা ৪ শতাংশ বেশি। তবে জুলাই মাসে ক্যানডির বিখ্যাত এসালা পেরাহেরা উৎসব থাকলেও পর্যটকের সংখ্যা আশানুরূপ হয়নি। দেশটি আশা করেছিল, ২ লাখ ৭৭ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করবে সে সময়। পর্যটক এসেছিল মাত্র ১ লাখ ৪৫ হাজার।
শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ করা বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ভারতে এই সংখ্যা বেশি। তালিকায় এর পর রয়েছে যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া।
শ্রীলঙ্কা ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা দেশ। কিন্তু সঠিকভাবে নিজের প্রচার না করতে পারায় তারা অনেক পিছিয়ে আছে। ভিসা ফি মওকুফ তাদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তবে পর্যটক বাড়াতে হলে আরও বড় পরিকল্পনা, উন্নত সেবা এবং ভালো প্রচার দরকার বলে মনে করেন সে দেশের পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: স্কিফ্ট
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে