সানজিদা সামরিন, ঢাকা
শানায়া কাপুরকে চেনেন তো? বলিউডের প্রভাবশালী কাপুর পরিবারের কন্যা শানায়া কাপুর। বাবা সঞ্জয় কাপুর ও মা মাহিপ কাপুরের মতো তিনিও বেছে নিয়েছেন অভিনয়কে। প্রথম অভিনীত ‘আঁখো কি গুসতাখিয়াঁ’ ছবিটির ট্রেলার দেখেই হয়তো অনেকে প্রেমে পড়ে গেছেন নবাগত এই তারকার। সৌন্দর্যসচেতন নারীরা ভাবতে বসেছেন, এমন মাখন-কোমল ত্বক তিনি পেলেন কী করে? জিনগত কারণ থাকতেই পারে, তবে এর বাইরেও নিজের ত্বক যেন তারুণ্যদীপ্ত থাকে, তাই নানান উপায়ে যত্নও নেন শানায়া। কীভাবে? তা নিয়েই তো বাকি কথা হবে।
হাইড্রেশন, হাইড্রেশন ও হাইড্রেশন
ত্বককে ভেতর থেকে ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি পানকে তো তিনি গুরুত্ব দেনই, ত্বকে বেশি পরিমাণে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করেন; যাতে ত্বক শুষ্কতায় না ভোগে। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় মৌসুমভেদে পানিবহুল ফল; যেমন তরমুজ, কমলা, স্ট্রবেরি ইত্যাদি থাকে, সেদিকেও লক্ষ রাখেন।
বাহুল্য়ের চেয়ে প্রয়োজনের দিকে মনোযোগ দেন
১০ বা ১২ ধাপে ত্বকের যত্ন নেওয়ার চেয়ে বেসিক স্কিনকেয়ারকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এই লাস্যময়ী। ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার রাখা, টোনিং ও ময়শ্চারাইজ রাখাটাই তাঁর কাছে মুখ্য। এরপর আর কিছু না হলেও ক্ষতি নেই।
এক্সফোলিয়েশন একেবারেই করেন না
ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে এক্সফোলিয়েশনের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু এটা করলেই শানায়ার ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে ওঠে; পাশাপাশি ব্রণ ও র্যাশও বের হয়। তাই এক্সফোলিয়েশনকে ‘বিগ নো’ বলেই জানেন তিনি।
এ ছাড়া শানায়ার মতো স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল ত্বক পেতে হলে মেনে চলতে হবে আরও কিছু বিষয়।
জেল্লাদার ত্বক পেতে হাসুন মন খুলে
মন খুলে হাসতে পারা বড় গুণ। হাসি শরীরকে চাঙা রাখে, বিষণ্ণতা দূর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা প্রাণখুলে হাসতে পারেন, তাঁরা অন্যদের তুলনায় তরুণ হন। তাই বিষণ্নতা ভুলে হাসতে শিখুন। এতে ত্বকে উজ্জ্বল আভা ফুটে উঠবে।
মৌসুমি ফল তো খাবেন, মাখতেও হবে ত্বকে
ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে ফাস্ট ফুড ও তৈলাক্ত খাবার না খেয়ে ফল খেতে হবে। শানায়াও তাই করেন। মৌসুমি বিভিন্ন ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ত্বক ভালো রাখবে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে।
প্রতিবার মুখ-হাত ধোয়ার পর ময়শ্চারাইজার ব্যবহার
ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের বিকল্প নেই। অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের ময়শ্চারাইজার কিনবেন। ত্বকে সাবান ব্যবহার না করে শাওয়ার জেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল থাকে।
খেতে হবে রঙিন শাকসবজি
ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে মাল্টিভিটামিনের জুড়ি নেই। আর মাল্টিভিটামিন পেতে রঙিন শাকসবজি খেতে হবে। ত্বকের জন্য পালংশাক যেমন উপকারী, তেমনই টমেটো। এগুলোতে থাকা লাইকোপেন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্য ভালো রাখে। সেই সঙ্গে ত্বক তরুণ রাখে।
তৈলাক্ত মাছ
যাঁরা ত্বক সুস্থ ও সুন্দর রাখতে চান, তাঁরা অবশ্যই তৈলাক্ত মাছ খাবেন। মাছের তেল শরীরের জন্য উপকারী। মাছে থাকে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বক ভালো রাখে। স্যামন, রুই, কাতলসহ যেকোনো দেশি ও বিদেশি মাছ খেতে পারেন। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণে বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।
শরীরচর্চা
গবেষণা বলছে, নিয়মিত শরীরচর্চা করলে ত্বকের বয়স কমে। অর্থাৎ শরীরচর্চা আপনাকে তরুণ করবে। ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করলে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যায়, ঘুম ভালো হয়। আর ঘুম ভালো হলে মনও ভালো থাকে। ত্বকের লাবণ্য বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের ফেস ইয়োগা করা যেতে পারে। নিয়মিত করলে লক্ষণীয় ফল পাওয়া যাবে।
লবণ ও চিনিকে ‘না’ বলুন
লবণ ও চিনি হলো হোয়াইট পয়জন। এগুলো শরীরের ক্ষতি করে। ত্বক বুড়িয়ে দেয়। ওজন বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চিনি খেলে ব্রণের প্রকোপ বাড়ে। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে লবণ ও চিনি পরিমিত গ্রহণ করুন।
সূত্র: এল ম্যাগাজিন ও রিডার্স ডাইজেস্ট
শানায়া কাপুরকে চেনেন তো? বলিউডের প্রভাবশালী কাপুর পরিবারের কন্যা শানায়া কাপুর। বাবা সঞ্জয় কাপুর ও মা মাহিপ কাপুরের মতো তিনিও বেছে নিয়েছেন অভিনয়কে। প্রথম অভিনীত ‘আঁখো কি গুসতাখিয়াঁ’ ছবিটির ট্রেলার দেখেই হয়তো অনেকে প্রেমে পড়ে গেছেন নবাগত এই তারকার। সৌন্দর্যসচেতন নারীরা ভাবতে বসেছেন, এমন মাখন-কোমল ত্বক তিনি পেলেন কী করে? জিনগত কারণ থাকতেই পারে, তবে এর বাইরেও নিজের ত্বক যেন তারুণ্যদীপ্ত থাকে, তাই নানান উপায়ে যত্নও নেন শানায়া। কীভাবে? তা নিয়েই তো বাকি কথা হবে।
হাইড্রেশন, হাইড্রেশন ও হাইড্রেশন
ত্বককে ভেতর থেকে ভালো রাখতে পর্যাপ্ত পানি পানকে তো তিনি গুরুত্ব দেনই, ত্বকে বেশি পরিমাণে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করেন; যাতে ত্বক শুষ্কতায় না ভোগে। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় মৌসুমভেদে পানিবহুল ফল; যেমন তরমুজ, কমলা, স্ট্রবেরি ইত্যাদি থাকে, সেদিকেও লক্ষ রাখেন।
বাহুল্য়ের চেয়ে প্রয়োজনের দিকে মনোযোগ দেন
১০ বা ১২ ধাপে ত্বকের যত্ন নেওয়ার চেয়ে বেসিক স্কিনকেয়ারকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এই লাস্যময়ী। ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার রাখা, টোনিং ও ময়শ্চারাইজ রাখাটাই তাঁর কাছে মুখ্য। এরপর আর কিছু না হলেও ক্ষতি নেই।
এক্সফোলিয়েশন একেবারেই করেন না
ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে এক্সফোলিয়েশনের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু এটা করলেই শানায়ার ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে ওঠে; পাশাপাশি ব্রণ ও র্যাশও বের হয়। তাই এক্সফোলিয়েশনকে ‘বিগ নো’ বলেই জানেন তিনি।
এ ছাড়া শানায়ার মতো স্বাস্থ্য়োজ্জ্বল ত্বক পেতে হলে মেনে চলতে হবে আরও কিছু বিষয়।
জেল্লাদার ত্বক পেতে হাসুন মন খুলে
মন খুলে হাসতে পারা বড় গুণ। হাসি শরীরকে চাঙা রাখে, বিষণ্ণতা দূর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা প্রাণখুলে হাসতে পারেন, তাঁরা অন্যদের তুলনায় তরুণ হন। তাই বিষণ্নতা ভুলে হাসতে শিখুন। এতে ত্বকে উজ্জ্বল আভা ফুটে উঠবে।
মৌসুমি ফল তো খাবেন, মাখতেও হবে ত্বকে
ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে ফাস্ট ফুড ও তৈলাক্ত খাবার না খেয়ে ফল খেতে হবে। শানায়াও তাই করেন। মৌসুমি বিভিন্ন ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ত্বক ভালো রাখবে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে।
প্রতিবার মুখ-হাত ধোয়ার পর ময়শ্চারাইজার ব্যবহার
ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের বিকল্প নেই। অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের ময়শ্চারাইজার কিনবেন। ত্বকে সাবান ব্যবহার না করে শাওয়ার জেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল থাকে।
খেতে হবে রঙিন শাকসবজি
ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে মাল্টিভিটামিনের জুড়ি নেই। আর মাল্টিভিটামিন পেতে রঙিন শাকসবজি খেতে হবে। ত্বকের জন্য পালংশাক যেমন উপকারী, তেমনই টমেটো। এগুলোতে থাকা লাইকোপেন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্য ভালো রাখে। সেই সঙ্গে ত্বক তরুণ রাখে।
তৈলাক্ত মাছ
যাঁরা ত্বক সুস্থ ও সুন্দর রাখতে চান, তাঁরা অবশ্যই তৈলাক্ত মাছ খাবেন। মাছের তেল শরীরের জন্য উপকারী। মাছে থাকে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বক ভালো রাখে। স্যামন, রুই, কাতলসহ যেকোনো দেশি ও বিদেশি মাছ খেতে পারেন। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণে বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।
শরীরচর্চা
গবেষণা বলছে, নিয়মিত শরীরচর্চা করলে ত্বকের বয়স কমে। অর্থাৎ শরীরচর্চা আপনাকে তরুণ করবে। ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করলে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যায়, ঘুম ভালো হয়। আর ঘুম ভালো হলে মনও ভালো থাকে। ত্বকের লাবণ্য বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের ফেস ইয়োগা করা যেতে পারে। নিয়মিত করলে লক্ষণীয় ফল পাওয়া যাবে।
লবণ ও চিনিকে ‘না’ বলুন
লবণ ও চিনি হলো হোয়াইট পয়জন। এগুলো শরীরের ক্ষতি করে। ত্বক বুড়িয়ে দেয়। ওজন বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চিনি খেলে ব্রণের প্রকোপ বাড়ে। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে লবণ ও চিনি পরিমিত গ্রহণ করুন।
সূত্র: এল ম্যাগাজিন ও রিডার্স ডাইজেস্ট
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে