সানজিদা সামরিন, ঢাকা
আজকাল মুখে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতে সৌন্দর্যসচেতন নারীরা নানা ধরনের ব্লাশ ব্যবহার করেন। ক্রিম বা পাউডার বেসড এসব ব্লাশ বেশ জনপ্রিয় হলেও প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হয়। নিয়মিত ও বিশেষ কিছু উপায়ে যত্ন নিলে ত্বকে প্রাকৃতিকভাবেই গোলাপি আভা ফুটে উঠবে। তবে হ্যাঁ, প্রাকৃতিক এই গোলাপি আভা পেতে দীর্ঘদিন ধৈর্যসহকারে ত্বকের যত্ন নিতে হবে। তাহলেই পাওয়া যাবে সুফল। এ জন্য যা ব্যবহার করবেন—
মধু ও দারুচিনির প্যাক
মধু হচ্ছে একধরনের প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। অন্যদিকে দারুচিনি ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সহায়তা করে। আর এই দুই উপাদানের সংমিশ্রণ ত্বকে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতে সহায়ক। এক টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক চিমটি দারুচিনিগুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণ দুই গালে লাগিয়ে রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানির ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্য়ে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।
বিটরুটের রস
বিটরুটে আছে প্রচুর ভিটামিন সি। এতে থাকা প্রাকৃতিক মেরুন রং ত্বকে গোলাপি আভা এনে দিতে পারে। প্রতিদিন ত্বকে বিটরুটের রসের প্রলেপ দিলে ত্বকে গোলাপি আভা ফুটে উঠবে। এর রস করে তুলার বলের সাহায্যে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে ব্যবহার করুন। এরপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে নিন। বিটরুটের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে আরও ভালো উপকার পাওয়া যাবে। যাঁরা নিয়মিত এর রস পান করেন, তাঁরা আরও ভালো ফল পেতে পারেন। তবে একটানা কত দিন বিটরুটের রস খাওয়া নিরাপদ, তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
গোলাপজল ও গ্লিসারিন
প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে গোলাপজল ভীষণ জনপ্রিয়। ত্বকে পিএইচের ভারসাম্য রক্ষায় এর জুড়ি মেলা ভার। অন্যদিকে গ্লিসারিন খুব ভালো ময়শ্চারাইজার। এটি আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। এই দুই উপকরণের সংমিশ্রণ ত্বকে মেখে যদি সারা রাত রাখা যায়, তাহলে ত্বকে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা ফুটে উঠবে। একটি কাচের বোতলে সমপরিমাণ গোলাপজল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে রেখে দিন। প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলার বলের সাহায্যে ত্বকে বুলিয়ে নিন।
স্ট্রবেরি ও টক দইয়ের মাস্ক
স্ট্রবেরি ভিটামিন সি ও আলফা-হাইড্রক্সি অ্যাসিড সমৃদ্ধ একটি ফল। এটি ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়তা করে। অন্যদিকে টক দইয়ের মধ্য়কার ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। এই অ্যাসিডগুলো ত্বকে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতেও খুব ভালো কাজ করে। স্ট্রবেরি পেস্ট ও টক দইয়ের মিশ্রণ সপ্তাহে এক দিন ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়। ২ থেকে ৩টি পাকা স্ট্রবেরির সঙ্গে ২ টেবিল চামচ টক দই ব্লেন্ড করে মিশ্রণ তৈরি করুন। তারপর মুখে, গলায় ও ঘাড়ে মেখে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে নিন। এক মাস পর থেকে ভালো ফল দেখতে পাবেন।
গ্রিন টি আইসকিউব
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর গ্রিন টি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে খুব ভালো কাজ করে। গ্রিন টি পান করলে ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং ত্বক হয়ে ওঠে তারুণ্যদীপ্ত। অন্যদিকে এটি ত্বকে ব্যবহার করলেও সুফল পাওয়া যায়। গ্রিন টি তৈরি করে ঠান্ডা করে নিন। এরপর আইস ট্রেতে ঢেলে বরফ করে নিতে হবে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ত্বকে গ্রিন টি দিয়ে তৈরি আইসকিউব ম্যাসাজ করুন ৩০ সেকেন্ড। এরপর বরফ পানি মুখে শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকে গোলাপি আভা ফুটে উঠবে, ত্বক হবে মসৃণ।
ত্বকে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতে আরও যা করতে হবে
সূত্র: অরগানিক হারভেস্ট
আজকাল মুখে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতে সৌন্দর্যসচেতন নারীরা নানা ধরনের ব্লাশ ব্যবহার করেন। ক্রিম বা পাউডার বেসড এসব ব্লাশ বেশ জনপ্রিয় হলেও প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হয়। নিয়মিত ও বিশেষ কিছু উপায়ে যত্ন নিলে ত্বকে প্রাকৃতিকভাবেই গোলাপি আভা ফুটে উঠবে। তবে হ্যাঁ, প্রাকৃতিক এই গোলাপি আভা পেতে দীর্ঘদিন ধৈর্যসহকারে ত্বকের যত্ন নিতে হবে। তাহলেই পাওয়া যাবে সুফল। এ জন্য যা ব্যবহার করবেন—
মধু ও দারুচিনির প্যাক
মধু হচ্ছে একধরনের প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। অন্যদিকে দারুচিনি ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সহায়তা করে। আর এই দুই উপাদানের সংমিশ্রণ ত্বকে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতে সহায়ক। এক টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক চিমটি দারুচিনিগুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণ দুই গালে লাগিয়ে রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানির ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্য়ে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।
বিটরুটের রস
বিটরুটে আছে প্রচুর ভিটামিন সি। এতে থাকা প্রাকৃতিক মেরুন রং ত্বকে গোলাপি আভা এনে দিতে পারে। প্রতিদিন ত্বকে বিটরুটের রসের প্রলেপ দিলে ত্বকে গোলাপি আভা ফুটে উঠবে। এর রস করে তুলার বলের সাহায্যে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে ব্যবহার করুন। এরপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে নিন। বিটরুটের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে আরও ভালো উপকার পাওয়া যাবে। যাঁরা নিয়মিত এর রস পান করেন, তাঁরা আরও ভালো ফল পেতে পারেন। তবে একটানা কত দিন বিটরুটের রস খাওয়া নিরাপদ, তা অবশ্যই বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
গোলাপজল ও গ্লিসারিন
প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে গোলাপজল ভীষণ জনপ্রিয়। ত্বকে পিএইচের ভারসাম্য রক্ষায় এর জুড়ি মেলা ভার। অন্যদিকে গ্লিসারিন খুব ভালো ময়শ্চারাইজার। এটি আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। এই দুই উপকরণের সংমিশ্রণ ত্বকে মেখে যদি সারা রাত রাখা যায়, তাহলে ত্বকে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা ফুটে উঠবে। একটি কাচের বোতলে সমপরিমাণ গোলাপজল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে রেখে দিন। প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলার বলের সাহায্যে ত্বকে বুলিয়ে নিন।
স্ট্রবেরি ও টক দইয়ের মাস্ক
স্ট্রবেরি ভিটামিন সি ও আলফা-হাইড্রক্সি অ্যাসিড সমৃদ্ধ একটি ফল। এটি ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়তা করে। অন্যদিকে টক দইয়ের মধ্য়কার ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। এই অ্যাসিডগুলো ত্বকে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতেও খুব ভালো কাজ করে। স্ট্রবেরি পেস্ট ও টক দইয়ের মিশ্রণ সপ্তাহে এক দিন ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়। ২ থেকে ৩টি পাকা স্ট্রবেরির সঙ্গে ২ টেবিল চামচ টক দই ব্লেন্ড করে মিশ্রণ তৈরি করুন। তারপর মুখে, গলায় ও ঘাড়ে মেখে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে নিন। এক মাস পর থেকে ভালো ফল দেখতে পাবেন।
গ্রিন টি আইসকিউব
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর গ্রিন টি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে খুব ভালো কাজ করে। গ্রিন টি পান করলে ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং ত্বক হয়ে ওঠে তারুণ্যদীপ্ত। অন্যদিকে এটি ত্বকে ব্যবহার করলেও সুফল পাওয়া যায়। গ্রিন টি তৈরি করে ঠান্ডা করে নিন। এরপর আইস ট্রেতে ঢেলে বরফ করে নিতে হবে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ত্বকে গ্রিন টি দিয়ে তৈরি আইসকিউব ম্যাসাজ করুন ৩০ সেকেন্ড। এরপর বরফ পানি মুখে শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকে গোলাপি আভা ফুটে উঠবে, ত্বক হবে মসৃণ।
ত্বকে গোলাপি আভা ফুটিয়ে তুলতে আরও যা করতে হবে
সূত্র: অরগানিক হারভেস্ট
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে