বিভাবরী রায়
শরীরচর্চা না করেই কি ওজন কমানো সম্ভব? বলিউড তারকা বিদ্যা বালান তো বলছেন, ‘সম্ভব’। যেভাবে কড়া ডায়েট আর কঠোর শরীরচর্চা করার বিষয়ে বলিপাড়ার নায়ক–নায়িকাদের সুনাম রয়েছে, সেখানে বিদ্য়া ওজন কমানোর জন্য ব্যায়ামই করেন না! অবাক করা ব্যাপার না?
ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বিদ্য়া বালান জানান, জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটিয়েও কোনো লাভ নেই, যদি খাদ্যাভাসে ঝামেলা থাকে। তাঁর বেলাতেও এমনটাই হয়েছিল বলে জানান তিনি। স্বাস্থ্যকর খাবার তো অনেক আছে, কিন্তু সব স্বাস্থ্যকর খাবার সবার জন্য উপযোগী নয়, এটাও বোঝা প্রয়োজন।
বলিপাড়ায় ‘ফ্যাট গার্ল’ হিসেবে পরিচিত এই মিষ্টি মেয়ে কী করে ওজন কমালেন তাহলে? খুব ভালো খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম করার পরও যখন লক্ষণীয় ফল পাচ্ছিলেন না, তখন গত বছর চেন্নাইয়ের ‘আমুরা হেলথ’ নামের একটি পুষ্টিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন বিশেষজ্ঞরা জানান, চর্বির কারণে নয়, বরং প্রদাহের কারণে তিনি মুটিয়ে যাচ্ছেন। এরপর তারা বিদ্যা বালানকে একটি ডায়েট চার্ট করে দেয়, যাতে শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি না হয়।
যেখানে নিরামিষাশী বিদ্যা বুঝতেই পারছিলেন না, এত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার পরও কেন মুটিয়ে যাচ্ছেন, সেখানে বিশেষজ্ঞরা জানান, পালংশাক আর লাউ খাওয়ার কারণে তাঁর শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে তিনি মুটিয়ে যাচ্ছেন। অথচ বিশেষজ্ঞরা বলার আগে তিনি জানতেনই না, এই দুটি খাবার তাঁর শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
বিদ্যা বালান বলেন, ‘আমরা ভাবি, শাকসবজি মানেই তা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু না, বুঝতে হবে, আপনার জন্য কোনটি ভালো, আর কোনটি তা নয়। যে ফল, শাক বা সবজি অন্য কারও শরীরের জন্য উপকারী, সেটা আপনার ক্ষেত্রেও ভালো হবে, এমন কোনো কথা নেই।
সম্প্রতি ভারতের ‘দ্য পিকক’ ম্যাগাজিনে বিদ্যা বালানকে দেখা গেছে নতুন রূপে। বিদ্যার নতুন এই ফটোশুট ম্যাগাজিনের কভারের জন্য করা। বিদ্যা বালানের এই ফটোশুটের ছবি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে সাড়া পড়েছে। তাঁর নতুন হেয়ারস্টাইল, গ্ল্যামারাস লুক ও অনবদ্য পোশাক নির্বাচন তাঁকে একেবারে ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করেছে।
ফটোশুটে বিদ্যাকে দেখা যায় দুটি পোশাকে। একটি ছিল ফ্ল্যামিঙ্গো গোলাপি রঙের ঝলমলে গাউন, অপরটি ছিল সিলভার রঙের ফ্লোর টাচ গাউন। দুটি পোশাকেই ব্যবহার করা হয়েছে সিকুইন ও বিডস। সফট গ্ল্যাম লুকে তাঁকে মোহনীয় লাগছিল। ছবিগুলোই যেন বলছিল, বিদ্যার এই নতুন লুক কেবল ফ্যাশন নয়, এটি নিজের প্রতি ভালোবাসা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও অন্যান্য
শরীরচর্চা না করেই কি ওজন কমানো সম্ভব? বলিউড তারকা বিদ্যা বালান তো বলছেন, ‘সম্ভব’। যেভাবে কড়া ডায়েট আর কঠোর শরীরচর্চা করার বিষয়ে বলিপাড়ার নায়ক–নায়িকাদের সুনাম রয়েছে, সেখানে বিদ্য়া ওজন কমানোর জন্য ব্যায়ামই করেন না! অবাক করা ব্যাপার না?
ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বিদ্য়া বালান জানান, জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটিয়েও কোনো লাভ নেই, যদি খাদ্যাভাসে ঝামেলা থাকে। তাঁর বেলাতেও এমনটাই হয়েছিল বলে জানান তিনি। স্বাস্থ্যকর খাবার তো অনেক আছে, কিন্তু সব স্বাস্থ্যকর খাবার সবার জন্য উপযোগী নয়, এটাও বোঝা প্রয়োজন।
বলিপাড়ায় ‘ফ্যাট গার্ল’ হিসেবে পরিচিত এই মিষ্টি মেয়ে কী করে ওজন কমালেন তাহলে? খুব ভালো খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম করার পরও যখন লক্ষণীয় ফল পাচ্ছিলেন না, তখন গত বছর চেন্নাইয়ের ‘আমুরা হেলথ’ নামের একটি পুষ্টিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন বিশেষজ্ঞরা জানান, চর্বির কারণে নয়, বরং প্রদাহের কারণে তিনি মুটিয়ে যাচ্ছেন। এরপর তারা বিদ্যা বালানকে একটি ডায়েট চার্ট করে দেয়, যাতে শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি না হয়।
যেখানে নিরামিষাশী বিদ্যা বুঝতেই পারছিলেন না, এত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার পরও কেন মুটিয়ে যাচ্ছেন, সেখানে বিশেষজ্ঞরা জানান, পালংশাক আর লাউ খাওয়ার কারণে তাঁর শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে তিনি মুটিয়ে যাচ্ছেন। অথচ বিশেষজ্ঞরা বলার আগে তিনি জানতেনই না, এই দুটি খাবার তাঁর শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
বিদ্যা বালান বলেন, ‘আমরা ভাবি, শাকসবজি মানেই তা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু না, বুঝতে হবে, আপনার জন্য কোনটি ভালো, আর কোনটি তা নয়। যে ফল, শাক বা সবজি অন্য কারও শরীরের জন্য উপকারী, সেটা আপনার ক্ষেত্রেও ভালো হবে, এমন কোনো কথা নেই।
সম্প্রতি ভারতের ‘দ্য পিকক’ ম্যাগাজিনে বিদ্যা বালানকে দেখা গেছে নতুন রূপে। বিদ্যার নতুন এই ফটোশুট ম্যাগাজিনের কভারের জন্য করা। বিদ্যা বালানের এই ফটোশুটের ছবি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে সাড়া পড়েছে। তাঁর নতুন হেয়ারস্টাইল, গ্ল্যামারাস লুক ও অনবদ্য পোশাক নির্বাচন তাঁকে একেবারে ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করেছে।
ফটোশুটে বিদ্যাকে দেখা যায় দুটি পোশাকে। একটি ছিল ফ্ল্যামিঙ্গো গোলাপি রঙের ঝলমলে গাউন, অপরটি ছিল সিলভার রঙের ফ্লোর টাচ গাউন। দুটি পোশাকেই ব্যবহার করা হয়েছে সিকুইন ও বিডস। সফট গ্ল্যাম লুকে তাঁকে মোহনীয় লাগছিল। ছবিগুলোই যেন বলছিল, বিদ্যার এই নতুন লুক কেবল ফ্যাশন নয়, এটি নিজের প্রতি ভালোবাসা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও অন্যান্য
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে