রিদা মুনাম হক
গরম মানেই প্রচণ্ড তাপ আর ঘাম। কিন্তু রোদে বের হলে ত্বক কেমন যেন শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে। আঙুলের ডগা, গোড়ালি এমনকি ঠোঁটও ফাটে এখনকার গ্রীষ্মকালে। ভাবা যায়? এর কারণ হলো, গরম পড়লেও বাতাসে আর্দ্রতা কম, ফলে ত্বকে টান টান অনুভব হয়, অতিরিক্ত শুষ্কতাও দেখা দেয়। গরমে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে বাড়তি যত্ন নেওয়া চাই। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই শুষ্কতা কমানো যাবে অনেকটাই।
ক্ষারযুক্ত সাবান ও ফেসওয়াশ এড়িয়ে চলা
এ সময় অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে চামড়া উঠে যাচ্ছে। তাই মাইল্ড ফেসওয়াশ ও সাবান ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সামগ্রী ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে ত্বক শুষ্ক করে তোলে।
ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতেই হবে
দিনে ও রাতে ত্বকের ধরন বুঝে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ময়শ্চারাইজারে যেন নিয়াসিনামাইড, গ্লিসারিন, ল্যানোলিন ও ভিটামিন সি থাকে, তা দেখে কিনুন। এগুলো ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
রূপরুটিন সেট করা এবং তা মেনে চলা
দিনের বেলায় ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে টোনার ব্যবহার করতে হবে। এরপর সানস্ক্রিন ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। রাতে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার লাগান। বাইরে থেকে এসে ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বক শীতল হবে। ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের চেষ্টা করুন। সপ্তাহে এক দিন রাতে হাইড্রেটিং মাস্ক ব্যবহার জরুরি।
গোসলে গরম পানি নয়
গোসলের সময় গরম পানির ব্যবহার বাদ দিতে হবে। গরম পানি ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে আরও শুষ্ক করে তোলে। এই প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়েই গোসল করুন। এতে শরীর শীতল থাকবে।
ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে আপনার ত্বক ভেতর থেকে উজ্জীবিত হয়ে উঠবে। দিনে বাইরে বের হলে সানস্ক্রিন ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের পাশাপাশি লম্বা হাতার সুতির পোশাক পরা জরুরি। রোদে গেলে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করতে ভুলবেন না কিন্তু। শারমিন কচি, রূপ বিশেষজ্ঞ, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ার
প্রকৃতির ওপর ভরসা রাখা
ত্বকের আর্দ্রতার জন্য মধুর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঘাড়, হাত ও মুখে লাগাতে পারেন। গরমে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা ভালো। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, বিভিন্ন মিনারেল এবং অ্যামিনো অ্যাসিড। তা ছাড়া ত্বকে ব্যবহৃত প্যাকে গোলাপজল, গ্লিসারিন ও অলিভ অয়েলের মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
খাদ্যতালিকায় নজর দেওয়া
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও ফলের রস পানের সঙ্গে সঙ্গে পুরো খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। এই গরমে অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও গুরুপাক খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া ভালো। খাদ্যতালিকায় শসা, লাউ, লেবু, বিভিন্ন শাক, মাছ, মুরগি, বিভিন্ন রকম ফলমূল ও শুকনো ফল রাখুন। এগুলোতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও মিনারেল, যা ত্বক শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। তা ছাড়া মিষ্টিআলু খেতে পারেন। এর ভিটামিন ‘এ’ ও বিটা ক্যারোটিন ত্বকের পানি ধরে রাখে। অতিরিক্ত লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার ত্বক শুষ্ক করে তোলে। তাই ত্বক আর্দ্র রাখতে বিভিন্ন রকমের চিপস, মিষ্টি, কার্বোহাইড্রেট-জাতীয় খাবার এবং চা-কফি পান করা কমিয়ে ফেলতে হবে।
গরম মানেই প্রচণ্ড তাপ আর ঘাম। কিন্তু রোদে বের হলে ত্বক কেমন যেন শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে। আঙুলের ডগা, গোড়ালি এমনকি ঠোঁটও ফাটে এখনকার গ্রীষ্মকালে। ভাবা যায়? এর কারণ হলো, গরম পড়লেও বাতাসে আর্দ্রতা কম, ফলে ত্বকে টান টান অনুভব হয়, অতিরিক্ত শুষ্কতাও দেখা দেয়। গরমে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে বাড়তি যত্ন নেওয়া চাই। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই শুষ্কতা কমানো যাবে অনেকটাই।
ক্ষারযুক্ত সাবান ও ফেসওয়াশ এড়িয়ে চলা
এ সময় অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে চামড়া উঠে যাচ্ছে। তাই মাইল্ড ফেসওয়াশ ও সাবান ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সামগ্রী ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে ত্বক শুষ্ক করে তোলে।
ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতেই হবে
দিনে ও রাতে ত্বকের ধরন বুঝে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ময়শ্চারাইজারে যেন নিয়াসিনামাইড, গ্লিসারিন, ল্যানোলিন ও ভিটামিন সি থাকে, তা দেখে কিনুন। এগুলো ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
রূপরুটিন সেট করা এবং তা মেনে চলা
দিনের বেলায় ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে টোনার ব্যবহার করতে হবে। এরপর সানস্ক্রিন ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। রাতে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার লাগান। বাইরে থেকে এসে ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বক শীতল হবে। ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের চেষ্টা করুন। সপ্তাহে এক দিন রাতে হাইড্রেটিং মাস্ক ব্যবহার জরুরি।
গোসলে গরম পানি নয়
গোসলের সময় গরম পানির ব্যবহার বাদ দিতে হবে। গরম পানি ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে আরও শুষ্ক করে তোলে। এই প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়েই গোসল করুন। এতে শরীর শীতল থাকবে।
ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে আপনার ত্বক ভেতর থেকে উজ্জীবিত হয়ে উঠবে। দিনে বাইরে বের হলে সানস্ক্রিন ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের পাশাপাশি লম্বা হাতার সুতির পোশাক পরা জরুরি। রোদে গেলে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করতে ভুলবেন না কিন্তু। শারমিন কচি, রূপ বিশেষজ্ঞ, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ার
প্রকৃতির ওপর ভরসা রাখা
ত্বকের আর্দ্রতার জন্য মধুর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঘাড়, হাত ও মুখে লাগাতে পারেন। গরমে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা ভালো। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, বিভিন্ন মিনারেল এবং অ্যামিনো অ্যাসিড। তা ছাড়া ত্বকে ব্যবহৃত প্যাকে গোলাপজল, গ্লিসারিন ও অলিভ অয়েলের মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
খাদ্যতালিকায় নজর দেওয়া
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও ফলের রস পানের সঙ্গে সঙ্গে পুরো খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। এই গরমে অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও গুরুপাক খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া ভালো। খাদ্যতালিকায় শসা, লাউ, লেবু, বিভিন্ন শাক, মাছ, মুরগি, বিভিন্ন রকম ফলমূল ও শুকনো ফল রাখুন। এগুলোতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও মিনারেল, যা ত্বক শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। তা ছাড়া মিষ্টিআলু খেতে পারেন। এর ভিটামিন ‘এ’ ও বিটা ক্যারোটিন ত্বকের পানি ধরে রাখে। অতিরিক্ত লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার ত্বক শুষ্ক করে তোলে। তাই ত্বক আর্দ্র রাখতে বিভিন্ন রকমের চিপস, মিষ্টি, কার্বোহাইড্রেট-জাতীয় খাবার এবং চা-কফি পান করা কমিয়ে ফেলতে হবে।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে