ডা. ফারজানা রহমান
প্রশ্ন: আমার বয়স ২৩ বছর। ৩ বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়। শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালে আমি অনেক রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গেছি। যে কারণে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হই। কিন্তু ৩ বছর পার হয়ে গেলেও আমি সেসব নির্যাতনের স্মৃতি ভুলতে পারছি না। আমার রাতে ঘুম হয় না, সব সময় দুঃস্বপ্ন দেখি। সারা দিন আমার মাথাব্যথা করে। কোনো কারণ ছাড়াই দিনে ১০ থেকে ১২ বার করে বমি হয়। আমি কয়েকবার ডাক্তার দেখিয়েছি। রক্ত পরীক্ষার ফলাফলে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। আমার আত্মহত্যাপ্রবণতা আছে। আমি প্রায়ই ভাবি, আত্মহত্যা করব; কিন্তু শেষ পর্যন্ত করে উঠতে পারি না। এভাবে চলতে থাকলে আমি যেকোনো দিন আত্মহত্যা করে
ফেলব। এই মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে কী করতে পারি?
হৃদিতা নূর, রংপুর
উত্তর: অনেক ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, আপনি চাকরি করছেন কি না, আপনার আর্থিক বিষয়ের দায়িত্ব কার ওপর, এ তথ্যগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
লক্ষণ বিশ্লেষণ করে বোঝা যাচ্ছে, এখানে দুই ধরনের সমস্যা একসঙ্গে চলমান। একটি হলো বিষণ্নতা, অন্যটি অতীতের নির্যাতনের স্মৃতিজনিত মানসিক চাপ। এটাকে সাইকিয়াট্রির ভাষায় বলে পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার। সংক্ষেপে পিটিএসডি। একটির গুরুতর বিষয় হলো আপনার আত্মহত্যাবিষয়ক চিন্তা। কেবল এ সমস্যার জন্যই আপনাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে পরবর্তী চিকিৎসা নিতে হবে। কারণ, আত্মহত্যার চেষ্টা একটি মেডিকেল ও সাইকিয়াট্রিক ইমার্জেন্সি।
আপনার বয়স অনেক কম। সামনে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন থেকে আপনি মুক্ত থাকতে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কোনো পিছুটান না রেখে এখন নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করুন। আমরা আপনার সঙ্গে আছি। সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে যত দ্রুত সম্ভব আপনি মনস্তত্ত্ববিদের পরামর্শ নিন। আশা করি, সমস্যার খুব সুন্দর সমাধান হবে।
প্রশ্ন: আমার বয়স ২৩ বছর। ৩ বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়। শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালে আমি অনেক রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গেছি। যে কারণে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হই। কিন্তু ৩ বছর পার হয়ে গেলেও আমি সেসব নির্যাতনের স্মৃতি ভুলতে পারছি না। আমার রাতে ঘুম হয় না, সব সময় দুঃস্বপ্ন দেখি। সারা দিন আমার মাথাব্যথা করে। কোনো কারণ ছাড়াই দিনে ১০ থেকে ১২ বার করে বমি হয়। আমি কয়েকবার ডাক্তার দেখিয়েছি। রক্ত পরীক্ষার ফলাফলে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। আমার আত্মহত্যাপ্রবণতা আছে। আমি প্রায়ই ভাবি, আত্মহত্যা করব; কিন্তু শেষ পর্যন্ত করে উঠতে পারি না। এভাবে চলতে থাকলে আমি যেকোনো দিন আত্মহত্যা করে
ফেলব। এই মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে কী করতে পারি?
হৃদিতা নূর, রংপুর
উত্তর: অনেক ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, আপনি চাকরি করছেন কি না, আপনার আর্থিক বিষয়ের দায়িত্ব কার ওপর, এ তথ্যগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
লক্ষণ বিশ্লেষণ করে বোঝা যাচ্ছে, এখানে দুই ধরনের সমস্যা একসঙ্গে চলমান। একটি হলো বিষণ্নতা, অন্যটি অতীতের নির্যাতনের স্মৃতিজনিত মানসিক চাপ। এটাকে সাইকিয়াট্রির ভাষায় বলে পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার। সংক্ষেপে পিটিএসডি। একটির গুরুতর বিষয় হলো আপনার আত্মহত্যাবিষয়ক চিন্তা। কেবল এ সমস্যার জন্যই আপনাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে পরবর্তী চিকিৎসা নিতে হবে। কারণ, আত্মহত্যার চেষ্টা একটি মেডিকেল ও সাইকিয়াট্রিক ইমার্জেন্সি।
আপনার বয়স অনেক কম। সামনে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন থেকে আপনি মুক্ত থাকতে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কোনো পিছুটান না রেখে এখন নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করুন। আমরা আপনার সঙ্গে আছি। সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে যত দ্রুত সম্ভব আপনি মনস্তত্ত্ববিদের পরামর্শ নিন। আশা করি, সমস্যার খুব সুন্দর সমাধান হবে।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে