ডা. ফারজানা রহমান
প্রশ্ন: আমি জানি না কেন, ইদানীং সবকিছুতেই অসুখী হচ্ছি। আমি এমন ছিলাম না। কপালে আছে বলে মেনে নিতাম। এখন পারছি না। চাকরির ক্ষেত্রে, বাসার অন্যান্য যেকোনো বিষয়ে আগে মেনে নেওয়ার একটা ব্যাপার ছিল আমার মধ্যে। এখন শুধু মনে হয়, আমিই কেন? আমার কাছের মানুষগুলো আমাকে মুখের ওপরেই নেগেটিভ তকমা দিচ্ছে। মাঝেমধ্যে মনে হয়, তাদের এভাবে বলার জন্যই আমি নেগেটিভ হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। আমার জীবনযাপনে সমস্যা হচ্ছে, ঘুমাতে পারছি না। কাউকে কোনো কথা শেয়ার করতে পারছি না। মনে হচ্ছে, সবাই বলবে আমার মধ্যেই সমস্যা। হুট করে আমার মায়ের মারা যাওয়া মেনে নিতে পারছি না। আশপাশের সবাইকে কেমন অসহ্য লাগছে। আমি জানি না, আমি কী করব।
অনিতা হালদার, উত্তরা, ঢাকা
উত্তর: আমার মনে হচ্ছে, সমস্যাটি যতটা আপনার, তার চেয়েও বেশি আপনার আশপাশের মানুষদের। তবে অন্য সবাই আপনাকে নেগেটিভ তকমা দিচ্ছে, একটু অন্য রকম আলোচনা করছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা করতে পারি। যেমন শৈশব থেকেই কি এই সমস্যার শুরু? নাকি ইদানীং কোনো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এমনটি ঘটছে?
আপনি জানিয়েছেন, আপনি এমন ছিলেন না, ‘কপালে আছে’ এই ভেবে মেনে নিতেন। কী ঘটনা ঘটেছে আপনার জীবনে, মনে হতো এগুলো কপালের লিখন, মেনে নিতেই হবে? বিষয়গুলো জানতে পারলে খুব ভালো হতো। আরেকটি কথা, আপনি লিখেছেন, চাকরি করছেন। তার মানে আর্থিকভাবে স্বাধীন। একটু সময় নিয়ে ভেবে দেখুন তো, আপনার ব্যক্তিত্বের এমন কোনো দিক আছে কি না, যা নিয়ে আপনার সমস্যা হচ্ছে? হয়তো আপনার আচরণে কেউ কষ্ট পাচ্ছেন অথবা আপনার ব্যবহার নিয়ে ক্রমাগত নালিশ জানাচ্ছেন? দিন দিন নেতিবাচক হয়ে উঠেছেন, শুধুই কি অন্যরা অনুযোগ করছে বলে?
আপনি একটু নিজের মতো করে আপনার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করুন। কোনো সমস্যা মনে হলে একজন মনোরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আশা করছি, আপনার সমস্যার একটি সুন্দর সমাধান হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপ, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
প্রশ্ন: আমি জানি না কেন, ইদানীং সবকিছুতেই অসুখী হচ্ছি। আমি এমন ছিলাম না। কপালে আছে বলে মেনে নিতাম। এখন পারছি না। চাকরির ক্ষেত্রে, বাসার অন্যান্য যেকোনো বিষয়ে আগে মেনে নেওয়ার একটা ব্যাপার ছিল আমার মধ্যে। এখন শুধু মনে হয়, আমিই কেন? আমার কাছের মানুষগুলো আমাকে মুখের ওপরেই নেগেটিভ তকমা দিচ্ছে। মাঝেমধ্যে মনে হয়, তাদের এভাবে বলার জন্যই আমি নেগেটিভ হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। আমার জীবনযাপনে সমস্যা হচ্ছে, ঘুমাতে পারছি না। কাউকে কোনো কথা শেয়ার করতে পারছি না। মনে হচ্ছে, সবাই বলবে আমার মধ্যেই সমস্যা। হুট করে আমার মায়ের মারা যাওয়া মেনে নিতে পারছি না। আশপাশের সবাইকে কেমন অসহ্য লাগছে। আমি জানি না, আমি কী করব।
অনিতা হালদার, উত্তরা, ঢাকা
উত্তর: আমার মনে হচ্ছে, সমস্যাটি যতটা আপনার, তার চেয়েও বেশি আপনার আশপাশের মানুষদের। তবে অন্য সবাই আপনাকে নেগেটিভ তকমা দিচ্ছে, একটু অন্য রকম আলোচনা করছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা করতে পারি। যেমন শৈশব থেকেই কি এই সমস্যার শুরু? নাকি ইদানীং কোনো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এমনটি ঘটছে?
আপনি জানিয়েছেন, আপনি এমন ছিলেন না, ‘কপালে আছে’ এই ভেবে মেনে নিতেন। কী ঘটনা ঘটেছে আপনার জীবনে, মনে হতো এগুলো কপালের লিখন, মেনে নিতেই হবে? বিষয়গুলো জানতে পারলে খুব ভালো হতো। আরেকটি কথা, আপনি লিখেছেন, চাকরি করছেন। তার মানে আর্থিকভাবে স্বাধীন। একটু সময় নিয়ে ভেবে দেখুন তো, আপনার ব্যক্তিত্বের এমন কোনো দিক আছে কি না, যা নিয়ে আপনার সমস্যা হচ্ছে? হয়তো আপনার আচরণে কেউ কষ্ট পাচ্ছেন অথবা আপনার ব্যবহার নিয়ে ক্রমাগত নালিশ জানাচ্ছেন? দিন দিন নেতিবাচক হয়ে উঠেছেন, শুধুই কি অন্যরা অনুযোগ করছে বলে?
আপনি একটু নিজের মতো করে আপনার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করুন। কোনো সমস্যা মনে হলে একজন মনোরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আশা করছি, আপনার সমস্যার একটি সুন্দর সমাধান হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপ, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে