আফরোজা খানম মুক্তা
আমের মৌসুমে আচার হবে না, তা নয় নাকি? হাতে সময় কম থাকলে মাত্র কয়েকটি উপকরণ দিয়ে বানিয়ে রাখতে পারেন সহজ দুই পদের আচার। এর রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন আফরোজা খানম মুক্তা।
আমের টক-ঝাল-মিষ্টি আচার
উপকরণ
আম ১ কেজি, চিনি ১ কাপ, ছেঁচা রসুন ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ভাজা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরাবাটা ২ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ১ কাপ, লবণ ও বিট লবণ স্বাদমতো, তেজপাতা ২টি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, হলুদ ও ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, সোডিয়াম বেনজয়েট ২ চা-চামচ।
প্রণালি
একটি আমের খোসা ফেলে ৮ টুকরা করুন। কেটে ধুয়ে ফুটন্ত পানিতে ৩-৪ মিনিট সেদ্ধ করে রোদে বা বাতাসে ৮ ঘণ্টা রেখে দিন। তারপর কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম হলে তেজপাতার ফোড়ন দিন। পরে থেঁতো করা রসুন, মরিচগুঁড়া, হলুদ, ধনে, লবণ, বিট লবণ, সরিষা বাটা ও চিনি দিয়ে ১ মিনিট কষিয়ে সিরকা দিয়ে আবারও কষিয়ে আম দিয়ে দিন। তারপর ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করুন। এবার চুলার তাপ কমিয়ে লেবুর রস ও সোডিয়াম বেনজয়েট দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
আস্ত রসুনের টক আচার
উপকরণ
আস্ত দেশি রসুন ৫০০ গ্রাম, আম ১০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ১০ থেকে ১২টি, তেজপাতা ২টি, আদা ও রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, সরিষাবাটা ২ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন ২ টেবিল চামচ, বিট লবণ ও লবণ প্রয়োজনমতো, সরিষার তেল ২ কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, সিরকা আধা কাপ, সোডিয়াম বেনজয়েট ২ চা-চামচ।
প্রণালি
আম খোসাসহ কুচি করে কেটে ধুয়ে ৩ মিনিট ফুটন্ত পানিতে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রোদ বা বাতাসে রাখুন ৪-৫ ঘণ্টা। আস্ত রসুনের ওপরের খোসা ছাড়িয়ে নিন। রসুন যেন আস্ত থাকে। কড়াইতে সরিষার তেল গরম হলে তেজপাতা, আস্ত রসুন, আদা ও রসুনবাটা, হলুদ, মরিচ, ধনেগুঁড়া, লবণ, সরিষাবাটা, পাঁচফোড়ন, বিট লবণ, চিনি, সিরকা দিয়ে কষিয়ে নিন। পরে আমের কুচি দিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন। নামানোর আগে চুলার তাপ কমিয়ে সোডিয়াম বেনজয়েট দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
আমের মৌসুমে আচার হবে না, তা নয় নাকি? হাতে সময় কম থাকলে মাত্র কয়েকটি উপকরণ দিয়ে বানিয়ে রাখতে পারেন সহজ দুই পদের আচার। এর রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন আফরোজা খানম মুক্তা।
আমের টক-ঝাল-মিষ্টি আচার
উপকরণ
আম ১ কেজি, চিনি ১ কাপ, ছেঁচা রসুন ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ভাজা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরাবাটা ২ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ১ কাপ, লবণ ও বিট লবণ স্বাদমতো, তেজপাতা ২টি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, হলুদ ও ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, সোডিয়াম বেনজয়েট ২ চা-চামচ।
প্রণালি
একটি আমের খোসা ফেলে ৮ টুকরা করুন। কেটে ধুয়ে ফুটন্ত পানিতে ৩-৪ মিনিট সেদ্ধ করে রোদে বা বাতাসে ৮ ঘণ্টা রেখে দিন। তারপর কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম হলে তেজপাতার ফোড়ন দিন। পরে থেঁতো করা রসুন, মরিচগুঁড়া, হলুদ, ধনে, লবণ, বিট লবণ, সরিষা বাটা ও চিনি দিয়ে ১ মিনিট কষিয়ে সিরকা দিয়ে আবারও কষিয়ে আম দিয়ে দিন। তারপর ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করুন। এবার চুলার তাপ কমিয়ে লেবুর রস ও সোডিয়াম বেনজয়েট দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
আস্ত রসুনের টক আচার
উপকরণ
আস্ত দেশি রসুন ৫০০ গ্রাম, আম ১০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ১০ থেকে ১২টি, তেজপাতা ২টি, আদা ও রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, সরিষাবাটা ২ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন ২ টেবিল চামচ, বিট লবণ ও লবণ প্রয়োজনমতো, সরিষার তেল ২ কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, সিরকা আধা কাপ, সোডিয়াম বেনজয়েট ২ চা-চামচ।
প্রণালি
আম খোসাসহ কুচি করে কেটে ধুয়ে ৩ মিনিট ফুটন্ত পানিতে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রোদ বা বাতাসে রাখুন ৪-৫ ঘণ্টা। আস্ত রসুনের ওপরের খোসা ছাড়িয়ে নিন। রসুন যেন আস্ত থাকে। কড়াইতে সরিষার তেল গরম হলে তেজপাতা, আস্ত রসুন, আদা ও রসুনবাটা, হলুদ, মরিচ, ধনেগুঁড়া, লবণ, সরিষাবাটা, পাঁচফোড়ন, বিট লবণ, চিনি, সিরকা দিয়ে কষিয়ে নিন। পরে আমের কুচি দিয়ে ৭-৮ মিনিট রান্না করুন। নামানোর আগে চুলার তাপ কমিয়ে সোডিয়াম বেনজয়েট দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে