আফসানা মিমি
চারদিকে কেমন একটা হিম হিম পরিবেশ। বিকেল বেলা রিকশায় একটু ঘুরলেই হাড়ে কেমন কাঁপন ধরে যায়! একটু ঘুরে এসে খেয়ে নিন এক বাটি গরম-গরম হালিম। না কিনে নয়। নিজেই বানিয়ে নিন। হালিমের রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন আফসানা মিমি।
উপকরণ
হাড়সহ গরুর মাংস ১ কেজি, গম ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, বুটের ডাল আধা কাপ, মসুর ও মুগ ডাল কোয়ার্টার কাপ, সুগন্ধি চাল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা আধা চা-চামচ করে, হলুদ গুঁড়ো পরিমাণ মতো, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ বা স্বাদ মতো, হালিমের মসলা আড়াই টেবিল চামচ, তেঁতুলের মাড় ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো, তেল ১ কাপ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা ও আদা আদা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা এবং লেবু।
প্রস্তুত প্রণালি
হাঁড়িতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। হালকা বাদামি হয়ে আসলে গুঁড়ো মসলা দিয়ে নেড়েচেড়ে লবণ দিয়ে দিন। মাংস ছোট টুকরো করে দিয়ে দিন। তারপর হালিমের মসলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে হাঁড়ি ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর মাংস থেকে পানি বের হয়ে গেলে আবারও নেড়ে দিন। ২ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে মাংস সেদ্ধ করুন। এর মধ্যে চাল, গম ও ডাল ধুয়ে সামান্য পানি দিয়ে একসঙ্গে বেটে বা ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন। একদম মিহি করার প্রয়োজন নেই। চাইলে প্যাকেট হালিম মিক্স ব্যবহার করতে পারেন। এবার মাংস খানিকটা সেদ্ধ হলে চাল-ডালের মিশ্রণ দিয়ে নেড়েচেড়ে ৫ কাপ পানি দিয়ে দিন। ঘনঘন নাড়তে থাকুন। মাংস সেদ্ধ হলে একটু পাতলা থাকা অবস্থায় নামিয়ে ফেলুন। নামানোর আগে পানির সঙ্গে গুলিয়ে তেঁতুলের মাড় দিয়ে দিন। এরপর ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ ও আদা কুচি করে কেটে ওপরে ছিটিয়ে পরিবেশন করুন গরম-গরম হালিম।
চারদিকে কেমন একটা হিম হিম পরিবেশ। বিকেল বেলা রিকশায় একটু ঘুরলেই হাড়ে কেমন কাঁপন ধরে যায়! একটু ঘুরে এসে খেয়ে নিন এক বাটি গরম-গরম হালিম। না কিনে নয়। নিজেই বানিয়ে নিন। হালিমের রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন আফসানা মিমি।
উপকরণ
হাড়সহ গরুর মাংস ১ কেজি, গম ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, বুটের ডাল আধা কাপ, মসুর ও মুগ ডাল কোয়ার্টার কাপ, সুগন্ধি চাল আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা আধা চা-চামচ করে, হলুদ গুঁড়ো পরিমাণ মতো, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ বা স্বাদ মতো, হালিমের মসলা আড়াই টেবিল চামচ, তেঁতুলের মাড় ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো, তেল ১ কাপ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা ও আদা আদা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা এবং লেবু।
প্রস্তুত প্রণালি
হাঁড়িতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। হালকা বাদামি হয়ে আসলে গুঁড়ো মসলা দিয়ে নেড়েচেড়ে লবণ দিয়ে দিন। মাংস ছোট টুকরো করে দিয়ে দিন। তারপর হালিমের মসলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে হাঁড়ি ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর মাংস থেকে পানি বের হয়ে গেলে আবারও নেড়ে দিন। ২ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে মাংস সেদ্ধ করুন। এর মধ্যে চাল, গম ও ডাল ধুয়ে সামান্য পানি দিয়ে একসঙ্গে বেটে বা ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন। একদম মিহি করার প্রয়োজন নেই। চাইলে প্যাকেট হালিম মিক্স ব্যবহার করতে পারেন। এবার মাংস খানিকটা সেদ্ধ হলে চাল-ডালের মিশ্রণ দিয়ে নেড়েচেড়ে ৫ কাপ পানি দিয়ে দিন। ঘনঘন নাড়তে থাকুন। মাংস সেদ্ধ হলে একটু পাতলা থাকা অবস্থায় নামিয়ে ফেলুন। নামানোর আগে পানির সঙ্গে গুলিয়ে তেঁতুলের মাড় দিয়ে দিন। এরপর ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ ও আদা কুচি করে কেটে ওপরে ছিটিয়ে পরিবেশন করুন গরম-গরম হালিম।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৯ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৯ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
২০ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
২০ দিন আগে