রজত কান্তি রায়, ঢাকা
ভায়া রাশিয়া ইংরেজি ভাষার দুনিয়ায় কিছু প্রবেশ করা রাজনৈতিকভাবে প্রায় অসম্ভবই বটে। কিন্তু খাবার বলে কথা। তখন রাজনীতি আর কাজ করে না। বলছি, যত দূর জানা যায়, সাসলিক শব্দটি ইংরেজিতে প্রবেশ করেছে রাশিয়া হয়ে। আবার শব্দটির মূল আছে তুর্কি ভাষায়। উনিশ শতক থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে। ফলে এর শত শত রেসিপি তৈরি হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে।
যাঁরা কাবাব খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে সাসলিক নিতান্তই ছেলেখেলার মতো বিষয়। কিন্তু কীভাবে যেন এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে আমাদের এই শহরে। এখন গলির মুখের খাবারের দোকান থেকে শুরু করে নামী রেস্তোরাঁতেও পাওয়া যায় বিভিন্ন স্বাদ ও উপকরণের সাসলিক। আর বিভিন্ন উপলক্ষ সামনে রেখে বাসায়ও বানানো যায় কাঠিতে গাঁথা এই খাবার।
সাসলিকের মজা হলো, এটি কাবাবের মতো পোড়ানো যায়, তাওয়ায় সেঁকা যায় আবার ওভেনেও বেক করা যায়। এর রেসিপিও খুবই সাদামাটা। সম্ভবত এ কারণে সাসলিক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাংসের সঙ্গে সবজি ও আনারসের মতো ফল গেঁথে সাসলিক বানানো যায়।
যাহোক, আষাঢ় মাস কেটে যাচ্ছে, বৃষ্টিভেজা কোনো সন্ধ্যায় মাংসের ধোঁয়াগন্ধি সাসলিক খেতে কারও যে খারাপ লাগবে না, এটা নিশ্চিত।
ঝটপট চিকেন সাসলিক
উপকরণ
কিউব করে কাটা মুরগির বুকের মাংস আধা কেজি, রসুনবাটা, মরিচ ও গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ করে, পুদিনাপাতা বাটা, চিলি ও টমেটো সস ১ চা-চামচ করে, লেবুর রস ২ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, কিউব করে কাটা পেঁয়াজ, টমেটো, শসা ও গাজর পরিমাণমতো, সয়াবিন তেল ২ চা-চামচ।
প্রণালি
সাসলিকের কাঠিগুলো আধা ঘণ্টার মতো ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। গাজর কিউব আধা সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করে নিন। চিকেন কিউব ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর তেল বাদে সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে রেখে দিন ২ ঘণ্টার মতো। এবার সাসলিক স্টিকে একে একে গাজর, টমেটো, পেঁয়াজ, শসা কিউব এবং এক টুকরো চিকেন কিউব কাঠির শেষ মাথা পর্যন্ত গেঁথে নিন। সব সাসলিকে তেল ব্রাশ করে ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট বেক করুন। ওভেন ব্যবহার না করে চুলায়ও তৈরি করতে পারেন চিকেন সাসলিক। সে ক্ষেত্রে লোহার কড়াই বা নন-স্টিক প্যানে সেঁকে নিতে হবে। দুই পাশই ১৫ মিনিট করে সেঁকে নেবেন। মাঝে মাঝে সামান্য তেল ব্রাশ করে দিতে পারেন। পোড়া পোড়া হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এরপর নানরুটি, পোলাও কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।
ভায়া রাশিয়া ইংরেজি ভাষার দুনিয়ায় কিছু প্রবেশ করা রাজনৈতিকভাবে প্রায় অসম্ভবই বটে। কিন্তু খাবার বলে কথা। তখন রাজনীতি আর কাজ করে না। বলছি, যত দূর জানা যায়, সাসলিক শব্দটি ইংরেজিতে প্রবেশ করেছে রাশিয়া হয়ে। আবার শব্দটির মূল আছে তুর্কি ভাষায়। উনিশ শতক থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে। ফলে এর শত শত রেসিপি তৈরি হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে।
যাঁরা কাবাব খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে সাসলিক নিতান্তই ছেলেখেলার মতো বিষয়। কিন্তু কীভাবে যেন এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে আমাদের এই শহরে। এখন গলির মুখের খাবারের দোকান থেকে শুরু করে নামী রেস্তোরাঁতেও পাওয়া যায় বিভিন্ন স্বাদ ও উপকরণের সাসলিক। আর বিভিন্ন উপলক্ষ সামনে রেখে বাসায়ও বানানো যায় কাঠিতে গাঁথা এই খাবার।
সাসলিকের মজা হলো, এটি কাবাবের মতো পোড়ানো যায়, তাওয়ায় সেঁকা যায় আবার ওভেনেও বেক করা যায়। এর রেসিপিও খুবই সাদামাটা। সম্ভবত এ কারণে সাসলিক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাংসের সঙ্গে সবজি ও আনারসের মতো ফল গেঁথে সাসলিক বানানো যায়।
যাহোক, আষাঢ় মাস কেটে যাচ্ছে, বৃষ্টিভেজা কোনো সন্ধ্যায় মাংসের ধোঁয়াগন্ধি সাসলিক খেতে কারও যে খারাপ লাগবে না, এটা নিশ্চিত।
ঝটপট চিকেন সাসলিক
উপকরণ
কিউব করে কাটা মুরগির বুকের মাংস আধা কেজি, রসুনবাটা, মরিচ ও গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ করে, পুদিনাপাতা বাটা, চিলি ও টমেটো সস ১ চা-চামচ করে, লেবুর রস ২ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, কিউব করে কাটা পেঁয়াজ, টমেটো, শসা ও গাজর পরিমাণমতো, সয়াবিন তেল ২ চা-চামচ।
প্রণালি
সাসলিকের কাঠিগুলো আধা ঘণ্টার মতো ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। গাজর কিউব আধা সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করে নিন। চিকেন কিউব ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর তেল বাদে সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে রেখে দিন ২ ঘণ্টার মতো। এবার সাসলিক স্টিকে একে একে গাজর, টমেটো, পেঁয়াজ, শসা কিউব এবং এক টুকরো চিকেন কিউব কাঠির শেষ মাথা পর্যন্ত গেঁথে নিন। সব সাসলিকে তেল ব্রাশ করে ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট বেক করুন। ওভেন ব্যবহার না করে চুলায়ও তৈরি করতে পারেন চিকেন সাসলিক। সে ক্ষেত্রে লোহার কড়াই বা নন-স্টিক প্যানে সেঁকে নিতে হবে। দুই পাশই ১৫ মিনিট করে সেঁকে নেবেন। মাঝে মাঝে সামান্য তেল ব্রাশ করে দিতে পারেন। পোড়া পোড়া হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এরপর নানরুটি, পোলাও কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৯ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে