ফিচার ডেস্ক, ঢাকা
বাজারে এখন যেসব সবজি পাওয়া যাচ্ছে, তার মধ্য়ে পটোল আর ঢ্যাঁড়স বলতে গেলে দু-এক দিন পরপরই কিনছেন প্রায় সবাই। কিন্তু সব সময় কি এগুলোর ভাজা আর তরকারি খেতে ভালো লাগে? মাঝেমধ্যে একটু ভিন্ন কায়দায় রান্না করলে এসব সবজিও একঘেয়ে অবস্থা কাটিয়ে হয়ে উঠতে পারে মুখরোচক। আপনাদের জন্য পটোল ও ঢ্যাঁড়সের দুটি ভিন্ন স্বাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আভা তাসনোভা ইরা।
নারকেলি পটোল
খুব ঝটপট ও সহজ রান্নাগুলোর মধ্যে একটি এই নারকেলি পটোল খেতে সুস্বাদু। পটোলের একঘেয়ে তরকারির বদলে একদিন রেঁধে দেখুন।
উপকরণ
পটোল ৮ থেকে ১০টি, কুচো চিংড়ি আধা কাপ (বড় চিংড়িও চাইলে দেওয়া যাবে), নারকেলবাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, হলুদ, মরিচ, তেল ও লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ ৩ থেকে ৪টি।
প্রণালি
প্রথমে কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। এরপর একে একে সব গুঁড়া মসলা, বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। তেল ওপরে উঠে এলে চিংড়িগুলো দিয়ে দিন কষানো মসলার মধ্যে। এরপর একটু কষিয়ে তার মধ্যে বাটা নারকেল দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এরপর পটোল দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে পটোল সেদ্ধ হওয়ার জন্য ঢেকে দিন। নামানোর আগে ৩ থেকে ৪টি কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে। একটু সময় রেখে নামিয়ে ফেলুন।
সরিষাবাটায় ঢ্যাঁড়সের দোপিয়াজা
খুব মজাদার ও সহজ রেসিপি ঢ্যাঁড়সের দোপিয়াজা। রেসিপি সহজ হলেও খেতে দারুণ সুস্বাদু।
উপকরণ
কচি ঢ্যাঁড়স আধা কেজি, পেঁয়াজ ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, তেল পরিমাণমতো, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, সরিষাবাটা ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চিমটি, ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চিমটি।
প্রণালি
ঢ্যাঁড়স ধুয়ে পানি ঝরিয়ে তিন টুকরা করে কেটে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে তার মধ্যে পেঁয়াজকুচি দিয়ে বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। এরপর এক এক করে মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হয়ে গেলে তাতে ঢ্যাঁড়স দিয়ে দিন। সঙ্গে সামান্য পানিও দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে সামান্য চিনি ও ভাজা জিরার গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। তারপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
বাজারে এখন যেসব সবজি পাওয়া যাচ্ছে, তার মধ্য়ে পটোল আর ঢ্যাঁড়স বলতে গেলে দু-এক দিন পরপরই কিনছেন প্রায় সবাই। কিন্তু সব সময় কি এগুলোর ভাজা আর তরকারি খেতে ভালো লাগে? মাঝেমধ্যে একটু ভিন্ন কায়দায় রান্না করলে এসব সবজিও একঘেয়ে অবস্থা কাটিয়ে হয়ে উঠতে পারে মুখরোচক। আপনাদের জন্য পটোল ও ঢ্যাঁড়সের দুটি ভিন্ন স্বাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আভা তাসনোভা ইরা।
নারকেলি পটোল
খুব ঝটপট ও সহজ রান্নাগুলোর মধ্যে একটি এই নারকেলি পটোল খেতে সুস্বাদু। পটোলের একঘেয়ে তরকারির বদলে একদিন রেঁধে দেখুন।
উপকরণ
পটোল ৮ থেকে ১০টি, কুচো চিংড়ি আধা কাপ (বড় চিংড়িও চাইলে দেওয়া যাবে), নারকেলবাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, হলুদ, মরিচ, তেল ও লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ ৩ থেকে ৪টি।
প্রণালি
প্রথমে কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। এরপর একে একে সব গুঁড়া মসলা, বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। তেল ওপরে উঠে এলে চিংড়িগুলো দিয়ে দিন কষানো মসলার মধ্যে। এরপর একটু কষিয়ে তার মধ্যে বাটা নারকেল দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এরপর পটোল দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে পটোল সেদ্ধ হওয়ার জন্য ঢেকে দিন। নামানোর আগে ৩ থেকে ৪টি কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ বের হবে। একটু সময় রেখে নামিয়ে ফেলুন।
সরিষাবাটায় ঢ্যাঁড়সের দোপিয়াজা
খুব মজাদার ও সহজ রেসিপি ঢ্যাঁড়সের দোপিয়াজা। রেসিপি সহজ হলেও খেতে দারুণ সুস্বাদু।
উপকরণ
কচি ঢ্যাঁড়স আধা কেজি, পেঁয়াজ ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, তেল পরিমাণমতো, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, সরিষাবাটা ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চিমটি, ভাজা জিরার গুঁড়া ১ চিমটি।
প্রণালি
ঢ্যাঁড়স ধুয়ে পানি ঝরিয়ে তিন টুকরা করে কেটে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে তার মধ্যে পেঁয়াজকুচি দিয়ে বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। এরপর এক এক করে মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হয়ে গেলে তাতে ঢ্যাঁড়স দিয়ে দিন। সঙ্গে সামান্য পানিও দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে সামান্য চিনি ও ভাজা জিরার গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। তারপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে