জীবনধারা ডেস্ক
মন হারাবার আজি বেলা
পথ ভুলিবার খেলা
মন চায়, মন চায়
হৃদয় জড়াতে কার চিরঋণে
আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদরদিনে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আষাঢ়ের আকাশ দখল করে আছে ছাইরঙা মেঘ। সেই মেঘ ভেঙে যখন-তখন নামছে বৃষ্টি। বর্ষা মানেই স্নিগ্ধতা, তা বসনে হোক বা প্রকৃতিতে। এই ঋতুতে বদলে যায় প্রকৃতি ও রোমান্টিক মানুষের মন। আর সেই রোমান্টিকতার ছাপ থাকে পোশাকের ধরন ও রঙে।
আচ্ছা, বর্ষার রং আসলে কী? নীল, আকাশি, ছাইরঙা নাকি সবুজ? হতে পারে তা একটু ছাই রং, একটু নীলের ছোঁয়া, থইথই জলে জ্বলে যাওয়া সাদা কিংবা সতেজ সবুজ। তবে বর্ষায় নীল রংটাকেই যেন সবচেয়ে আপন মনে হয়, তাই না? আর এ কারণেই হয়তো রবিঠাকুর বলেছেন, ‘পরো দেহ ঘেরি মেঘনীল বেশ’।
আশপাশে তাকালে চোখে পড়বে, বর্ষাকালে নীল রং অনেক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে এখন। বৃষ্টিস্নাত পরিবেশের সঙ্গে ঠান্ডা ধাঁচের এই রং যে মানানসই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শাড়ি হলে তো কথাই নেই; সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট বা অন্যান্য পোশাকে নীলের বিভিন্ন শেড, যেমন টার্কিশ ব্লু, রয়্যাল ব্লু, সি ব্লু, আকাশি, নেভি ব্লু প্রভৃতি বেশ জায়গা করে নিয়েছে।
তবে অন্য রং যে পছন্দ করবেন না, তা নয়। রং পছন্দ করাটা একেবারে ব্যক্তিগত বিষয়। সবুজ হতে পারে বর্ষার রং। সাদা যেকোনো ঋতুতেই মানানসই। তবে যে রংই বাছাই করেন না কেন, তাতে যেন স্নিগ্ধতা থাকে।
বর্ষাকালে জর্জেট, সিল্ক, হাফসিল্ক, সিনথেটিক বা লিনেনের তৈরি কাপড়ের পোশাক পরা ভালো। তবে আরামের কথা বললে সুতিই থাকবে প্রথম তালিকায়।
ফ্যাশন ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ এবারের বর্ষার সংগ্রহও সাজিয়েছে নতুন করে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট আউটলেট ও অনলাইনে রঙ বাংলাদেশের বাছাই পণ্যের ওপর থাকছে ৫০% পর্যন্ত মূল্যছাড়। এই আয়োজনে আছে আকর্ষণীয় ডিজাইন ও ইউনিক থিমের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, সিঙ্গেল কামিজ, গাউন, আনস্টিচ ড্রেস, স্কার্ট, ওড়না, পাঞ্জাবি, পায়জামা, টি-শার্ট, শার্ট, ফতুয়া, কাতুয়া, গয়না, অ্যাকসেসরিজসহ আরও অনেক সামগ্রী। রয়েছে বাবা-ছেলে, মা-মেয়ের ম্যাচিং পোশাক, কাপল প্যাকেজ আর পরিবারের সবার জন্য একই ডিজাইনের ফ্যামিলি প্যাকেজ। এই অফারের মধ্যেই রয়েছে বেশ কিছু জমকালো ভিন্ন নকশার পোশাক, যেগুলোর স্বাতন্ত্র্য ধরে রাখার জন্য মাত্র একটি করে পিস নকশা করা হয়েছে; যাতে বর্ষার এই মৌসুমটা কারও কারও জন্য হয়ে ওঠে স্মৃতিময়।
মন হারাবার আজি বেলা
পথ ভুলিবার খেলা
মন চায়, মন চায়
হৃদয় জড়াতে কার চিরঋণে
আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদরদিনে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আষাঢ়ের আকাশ দখল করে আছে ছাইরঙা মেঘ। সেই মেঘ ভেঙে যখন-তখন নামছে বৃষ্টি। বর্ষা মানেই স্নিগ্ধতা, তা বসনে হোক বা প্রকৃতিতে। এই ঋতুতে বদলে যায় প্রকৃতি ও রোমান্টিক মানুষের মন। আর সেই রোমান্টিকতার ছাপ থাকে পোশাকের ধরন ও রঙে।
আচ্ছা, বর্ষার রং আসলে কী? নীল, আকাশি, ছাইরঙা নাকি সবুজ? হতে পারে তা একটু ছাই রং, একটু নীলের ছোঁয়া, থইথই জলে জ্বলে যাওয়া সাদা কিংবা সতেজ সবুজ। তবে বর্ষায় নীল রংটাকেই যেন সবচেয়ে আপন মনে হয়, তাই না? আর এ কারণেই হয়তো রবিঠাকুর বলেছেন, ‘পরো দেহ ঘেরি মেঘনীল বেশ’।
আশপাশে তাকালে চোখে পড়বে, বর্ষাকালে নীল রং অনেক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে এখন। বৃষ্টিস্নাত পরিবেশের সঙ্গে ঠান্ডা ধাঁচের এই রং যে মানানসই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শাড়ি হলে তো কথাই নেই; সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট বা অন্যান্য পোশাকে নীলের বিভিন্ন শেড, যেমন টার্কিশ ব্লু, রয়্যাল ব্লু, সি ব্লু, আকাশি, নেভি ব্লু প্রভৃতি বেশ জায়গা করে নিয়েছে।
তবে অন্য রং যে পছন্দ করবেন না, তা নয়। রং পছন্দ করাটা একেবারে ব্যক্তিগত বিষয়। সবুজ হতে পারে বর্ষার রং। সাদা যেকোনো ঋতুতেই মানানসই। তবে যে রংই বাছাই করেন না কেন, তাতে যেন স্নিগ্ধতা থাকে।
বর্ষাকালে জর্জেট, সিল্ক, হাফসিল্ক, সিনথেটিক বা লিনেনের তৈরি কাপড়ের পোশাক পরা ভালো। তবে আরামের কথা বললে সুতিই থাকবে প্রথম তালিকায়।
ফ্যাশন ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ এবারের বর্ষার সংগ্রহও সাজিয়েছে নতুন করে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট আউটলেট ও অনলাইনে রঙ বাংলাদেশের বাছাই পণ্যের ওপর থাকছে ৫০% পর্যন্ত মূল্যছাড়। এই আয়োজনে আছে আকর্ষণীয় ডিজাইন ও ইউনিক থিমের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, সিঙ্গেল কামিজ, গাউন, আনস্টিচ ড্রেস, স্কার্ট, ওড়না, পাঞ্জাবি, পায়জামা, টি-শার্ট, শার্ট, ফতুয়া, কাতুয়া, গয়না, অ্যাকসেসরিজসহ আরও অনেক সামগ্রী। রয়েছে বাবা-ছেলে, মা-মেয়ের ম্যাচিং পোশাক, কাপল প্যাকেজ আর পরিবারের সবার জন্য একই ডিজাইনের ফ্যামিলি প্যাকেজ। এই অফারের মধ্যেই রয়েছে বেশ কিছু জমকালো ভিন্ন নকশার পোশাক, যেগুলোর স্বাতন্ত্র্য ধরে রাখার জন্য মাত্র একটি করে পিস নকশা করা হয়েছে; যাতে বর্ষার এই মৌসুমটা কারও কারও জন্য হয়ে ওঠে স্মৃতিময়।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে