রোজ ভোরে ঘুম থেকে উঠে লেবু ও মধু মেশানো পানি পান করেই কি ইয়োগা ম্যাটের ওপর দাঁড়িয়ে যান? প্রাণায়াম, সূর্য নমস্কারসহ একে একে প্রয়োজনীয় যোগাসন শেষ করে তবেই দিনের কাজ শুরু হয় আপনার। তাই তো? তাহলে বলছি, যোগব্যায়ামের জন্য একটা ঘর আলাদা করে ফেলুন। সম্ভব না হলে যে ঘরে যোগব্যায়াম করছেন, সেই ঘরটার একটা অংশকে পাকাপাকিভাবে ব্যায়ামের জন্য সাজিয়ে-গুছিয়ে নিন। যোগব্যায়াম তো কেবল শরীরচর্চাই নয়, বরং মন ও মস্তিষ্ককেও পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। তাই প্রশান্তির দিকটাও ভাবতে হবে। ডিপ ক্লিনিংয়ের পর ঘরকে যেভাবে যোগব্যায়ামের উপযোগী স্থান করে তোলা যায়, তা নিয়েই কথা হচ্ছে এখন—
দেয়ালে থাকুক শান্তির রং
যোগব্যায়াম আমাদের মনেও প্রশান্তি এনে দেয়। তাই যে ঘরে যোগব্যায়াম করবেন, সেই ঘর যেন শান্তিপূর্ণ হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি। ঘরের দেয়ালে যেন কোনো উত্তেজক রং না থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। আকাশি, সি ব্লু বা নীলের অন্য যেকোনো গাঢ় শেড দেওয়া যেতে পারে ঘরের বড় একটি দেয়ালে। বাকি দেয়ালে ধূসর, অফ হোয়াইট বা সাদা রং করা যেতে পারে। এতে করে ভোরে সূর্যের আলো সাদা দেয়ালগুলোয় প্রতিফলিত হয়ে পুরো ঘরে একটা শান্তির আবহ সৃষ্টি করবে। মনেও শান্তি বিরাজ করবে।
ইয়োগা ম্যাটে ভিন্নতা
দীর্ঘদিন ধরে একই রঙের ইয়োগা ম্যাট ব্যবহার করছেন? বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেচ করার জন্য ইয়োগা ম্যাট বেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। কিন্তু ইয়োগা ম্যাটের রংও অনেক সময় ব্যায়াম করায় উদ্যম ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। তাই সম্ভব হলে কয়েকটি রঙের ও নকশার ইয়োগা ম্যাট রাখুন। একেক দিন একেকটি ম্যাটে যোগব্যায়াম করুন।
নরম আলোয় ভরে থাক ঘর
খেয়াল করলে দেখবেন, বেশির ভাগ ইয়োগা স্টুডিও একটু ডার্ক শেডের হয়। এর কারণ বেশি উজ্জ্বল রং বা চড়া রং আমাদের মস্তিষ্ক উত্তেজিত করে। অন্যদিকে একটু গাঢ় শীতল রংগুলো মস্তিষ্ক ঠান্ডা রাখে। তাই যে ঘরে যোগব্যায়াম করা হয়, সেই ঘরের আলো যত নরম হবে ততই ভালো। এলইডি হোয়াইট লাইটের পরিবর্তে ওয়ার্ম লাইট ব্যবহার করতে পারেন। ডেকোরেটিভ ল্যাম্পও থাকতে পারে। দেয়ালে ঢেউয়ের নকশায় ঝুলিয়ে দিতে পারেন উষ্ণ ফেইরি লাইট। চাইলে নিচু একটি টেবিলে সুগন্ধি মোম রাখতে পারেন। মোমের মৃদু আলো ও সুগন্ধ মুড লিফটিংয়ে খুব ভালো কাজ করে।
সবুজের উপস্থিতি
বাড়িতে ইয়োগা স্টুডিও বা যোগব্যায়াম করার আলাদা ঘর করতে চাইলে সেখানে রাখুন ইনডোর প্ল্যান্ট। এতে করে ঘরে একটা প্রাকৃতিক আবহ তৈরি হবে। পাশাপাশি সবুজ রং চোখে আরাম দেয় এবং মস্তিষ্ক শান্ত রাখতে সহায়তা করে। চেষ্টা করুন সাদা রঙের পটে সবুজ রঙের ইনডোর প্ল্যান্ট রাখতে। ইনডোর প্ল্যান্টের পাতায় যেন কোনো প্রকার ধুলোবালু না জমে, সেদিকেও খেয়াল রাখা চাই।
সুগন্ধি
ইয়োগা রুমে মিষ্টি গন্ধের কয়েক ধরনের ধূপকাঠি রাখুন। পদ্ম ফুলের আকৃতির ধূপদানিও রাখতে পারেন। হালকা মিষ্টি সুগন্ধ গোটা ঘরকে শান্তিময় করে তুলবে। দিনের একটা সময় এই ঘরের দরজা-জানালা খুলে দিন। এতে করে ঘরটা ফ্রেশ থাকবে।
আয়না
ইয়োগা রুমের একটি দেয়ালে প্লেইন শেপের ফ্রেমের আয়না রাখুন। এতে করে যোগব্যায়ামের পোজগুলো একবার করে আয়নায় নিরীক্ষা করে নেওয়া যায়। এতে ব্যায়াম করায় মনোযোগ বাড়ে এবং সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করা যায়।
আই পিলো ও অ্যাসেনশিয়াল অয়েল
যোগব্যায়াম শেষ তো করবেন শবাসন দিয়েই। তাই এই আসনকে আরেকটু আরামদায়ক করার জন্য চোখের ওপর রাখতে আই পিলো কিনে নিতে পারেন বা হাতেই বানিয়ে নিতে পারেন। আই পিলোতে ছড়িয়ে নিতে পারেন কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল। ক্লান্তি দূর হয়ে একেবারে ঝরঝরে হয়ে উঠবেন আপনি।
সূত্র: দ্য ইয়োগাটিক, ইয়োগাডাইজেস্ট ও অন্যান্য
রোজ ভোরে ঘুম থেকে উঠে লেবু ও মধু মেশানো পানি পান করেই কি ইয়োগা ম্যাটের ওপর দাঁড়িয়ে যান? প্রাণায়াম, সূর্য নমস্কারসহ একে একে প্রয়োজনীয় যোগাসন শেষ করে তবেই দিনের কাজ শুরু হয় আপনার। তাই তো? তাহলে বলছি, যোগব্যায়ামের জন্য একটা ঘর আলাদা করে ফেলুন। সম্ভব না হলে যে ঘরে যোগব্যায়াম করছেন, সেই ঘরটার একটা অংশকে পাকাপাকিভাবে ব্যায়ামের জন্য সাজিয়ে-গুছিয়ে নিন। যোগব্যায়াম তো কেবল শরীরচর্চাই নয়, বরং মন ও মস্তিষ্ককেও পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। তাই প্রশান্তির দিকটাও ভাবতে হবে। ডিপ ক্লিনিংয়ের পর ঘরকে যেভাবে যোগব্যায়ামের উপযোগী স্থান করে তোলা যায়, তা নিয়েই কথা হচ্ছে এখন—
দেয়ালে থাকুক শান্তির রং
যোগব্যায়াম আমাদের মনেও প্রশান্তি এনে দেয়। তাই যে ঘরে যোগব্যায়াম করবেন, সেই ঘর যেন শান্তিপূর্ণ হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি। ঘরের দেয়ালে যেন কোনো উত্তেজক রং না থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। আকাশি, সি ব্লু বা নীলের অন্য যেকোনো গাঢ় শেড দেওয়া যেতে পারে ঘরের বড় একটি দেয়ালে। বাকি দেয়ালে ধূসর, অফ হোয়াইট বা সাদা রং করা যেতে পারে। এতে করে ভোরে সূর্যের আলো সাদা দেয়ালগুলোয় প্রতিফলিত হয়ে পুরো ঘরে একটা শান্তির আবহ সৃষ্টি করবে। মনেও শান্তি বিরাজ করবে।
ইয়োগা ম্যাটে ভিন্নতা
দীর্ঘদিন ধরে একই রঙের ইয়োগা ম্যাট ব্যবহার করছেন? বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেচ করার জন্য ইয়োগা ম্যাট বেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। কিন্তু ইয়োগা ম্যাটের রংও অনেক সময় ব্যায়াম করায় উদ্যম ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। তাই সম্ভব হলে কয়েকটি রঙের ও নকশার ইয়োগা ম্যাট রাখুন। একেক দিন একেকটি ম্যাটে যোগব্যায়াম করুন।
নরম আলোয় ভরে থাক ঘর
খেয়াল করলে দেখবেন, বেশির ভাগ ইয়োগা স্টুডিও একটু ডার্ক শেডের হয়। এর কারণ বেশি উজ্জ্বল রং বা চড়া রং আমাদের মস্তিষ্ক উত্তেজিত করে। অন্যদিকে একটু গাঢ় শীতল রংগুলো মস্তিষ্ক ঠান্ডা রাখে। তাই যে ঘরে যোগব্যায়াম করা হয়, সেই ঘরের আলো যত নরম হবে ততই ভালো। এলইডি হোয়াইট লাইটের পরিবর্তে ওয়ার্ম লাইট ব্যবহার করতে পারেন। ডেকোরেটিভ ল্যাম্পও থাকতে পারে। দেয়ালে ঢেউয়ের নকশায় ঝুলিয়ে দিতে পারেন উষ্ণ ফেইরি লাইট। চাইলে নিচু একটি টেবিলে সুগন্ধি মোম রাখতে পারেন। মোমের মৃদু আলো ও সুগন্ধ মুড লিফটিংয়ে খুব ভালো কাজ করে।
সবুজের উপস্থিতি
বাড়িতে ইয়োগা স্টুডিও বা যোগব্যায়াম করার আলাদা ঘর করতে চাইলে সেখানে রাখুন ইনডোর প্ল্যান্ট। এতে করে ঘরে একটা প্রাকৃতিক আবহ তৈরি হবে। পাশাপাশি সবুজ রং চোখে আরাম দেয় এবং মস্তিষ্ক শান্ত রাখতে সহায়তা করে। চেষ্টা করুন সাদা রঙের পটে সবুজ রঙের ইনডোর প্ল্যান্ট রাখতে। ইনডোর প্ল্যান্টের পাতায় যেন কোনো প্রকার ধুলোবালু না জমে, সেদিকেও খেয়াল রাখা চাই।
সুগন্ধি
ইয়োগা রুমে মিষ্টি গন্ধের কয়েক ধরনের ধূপকাঠি রাখুন। পদ্ম ফুলের আকৃতির ধূপদানিও রাখতে পারেন। হালকা মিষ্টি সুগন্ধ গোটা ঘরকে শান্তিময় করে তুলবে। দিনের একটা সময় এই ঘরের দরজা-জানালা খুলে দিন। এতে করে ঘরটা ফ্রেশ থাকবে।
আয়না
ইয়োগা রুমের একটি দেয়ালে প্লেইন শেপের ফ্রেমের আয়না রাখুন। এতে করে যোগব্যায়ামের পোজগুলো একবার করে আয়নায় নিরীক্ষা করে নেওয়া যায়। এতে ব্যায়াম করায় মনোযোগ বাড়ে এবং সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করা যায়।
আই পিলো ও অ্যাসেনশিয়াল অয়েল
যোগব্যায়াম শেষ তো করবেন শবাসন দিয়েই। তাই এই আসনকে আরেকটু আরামদায়ক করার জন্য চোখের ওপর রাখতে আই পিলো কিনে নিতে পারেন বা হাতেই বানিয়ে নিতে পারেন। আই পিলোতে ছড়িয়ে নিতে পারেন কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল। ক্লান্তি দূর হয়ে একেবারে ঝরঝরে হয়ে উঠবেন আপনি।
সূত্র: দ্য ইয়োগাটিক, ইয়োগাডাইজেস্ট ও অন্যান্য
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৯ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৯ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে