সানজিদা সামরিন, ঢাকা
শোনা যায়, রানিরা গোসলের পানিতে গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতেন। ত্বক ও চুলের জেল্লা বাড়াতে এই ফুলের তুলনা নেই। সে কারণে রূপচর্চায় গোলাপজলের ব্যবহার এখনো রয়েছে। গোলাপের পাপড়িও রূপচর্চার অনুষঙ্গ হিসেবে রয়ে গেছে দারুণভাবে। গোলাপ ফুল দিয়ে ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়াটা বেশ সহজ। শুধু কয়েকটি সহজ উপকরণ আর গোলাপ ফুল ফিরিয়ে দিতে পারে আপনার ত্বক ও চুলের হারানো সৌন্দর্য।
ত্বকের যত্নে
ত্বকের দাগ হালকা করে গোলাপজলের টোনার
যাঁদের ত্বক খুব বেশি তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য টোনার হিসেবে বেশ কাজের এই গোলাপজল। ত্বকের তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি খুব ভালো কাজ করে। পাশাপাশি ত্বক তরতাজা দেখাতে এবং ত্বকের জেল্লা ধরে রাখতেও সহায়ক এটি। এর মধ্যকার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা কমায়। এতে আরও রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান, যা রোদের কারণে ত্বকের লালচে ভাব কমাতে সহায়ক।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
বাইরে থেকে ফিরে ক্লিনজার দিয়ে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে হালকা মুছে নিন। এবার তুলার বলে গোলাপজল নিয়ে পুরো মুখে বুলিয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ কমে আসবে। সেই সঙ্গে হালকা হতে থাকবে ত্বকের দাগ।
গোলাপ পাপড়ির স্ক্রাব
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এই স্ক্রাব খুব ভালো। যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁরা গোলাপের পাপড়িগুঁড়া, চিনি ও নারকেল তেল মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ ঝরিয়ে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে এই মিশ্রণ জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। গোলাপের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়া করে নিন। এবার এই গুঁড়া এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
গোসলের আগে ওটমিল গুঁড়ার সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপের পাপড়ি ও কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে নিন।
গোলাপজল–চন্দনের ফেসপ্যাক
ফেসপ্যাকে গোলাপজল ব্যবহার করলে ত্বকের পানির ভারসাম্য ঠিক থাকে। শুধু তা-ই নয়, এই প্যাক ত্বক ঠান্ডা রাখতে এবং জ্বালাপোড়া কমাতেও সহায়তা করে। যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল এবং ব্রণ হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁরা এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
চন্দনগুঁড়া ও গোলাপজল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। তারপর হালকা শুকিয়ে এলে কয়েক সেকেন্ড ম্যাসাজ করে কুসুম গরম পানির ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। চন্দনগুঁড়ার পরিবর্তে মুলতানি মাটি ব্যবহার করলেও উপকার মিলবে।
গোলাপ–দুধে গোসল
আগের দিনে রানিরা নাকি ত্বক নরম রাখতে পানিতে দুধ ও গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে গোসল করতেন। ত্বক নরম রাখতে চান?
যেভাবে ব্যবহার করবেন
গোসলের পানিতে এক কাপ দুধ ও এক মুঠো গোলাপের পাপড়ি ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ২০ মিনিট। বাথটাব থাকলে এই পানিতে ২০ মিনিট গা ভিজিয়ে বসে থাকুন। এতে মরা কোষ ঝরে গিয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে এবং ক্লান্তি কেটে গিয়ে শরীরও রিলাক্স হবে।
চুলের যত্নে
চুল ধোয়ায় গোলাপ পাপড়ির সেদ্ধ পানি
চুল মসৃণ করার জন্য এক মুঠো গোলাপের পাপড়ি সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে রেখে দিন। শ্যাম্পু করার পর শেষবার চুল ধোয়ার সময় গোলাপের পাপড়ির সেদ্ধ পানি ব্যবহার করুন। এতে চুল নরম, সিল্কি হওয়ার পাশাপাশি সুবাসিত হয়ে উঠবে।
চুলের স্বাস্থ্য ফেরাবে রোজ অয়েল
রোজ অয়েল ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এটি মাথার ত্বক ও চুলে পুষ্টি জোগায়। চুলের শুষ্ক ও রুক্ষ ভাব দূর করে চুলের প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতেও এর জুড়ি নেই। তবে রোজ অয়েল সরাসরি মাথার ত্বক ও চুলে ব্যবহার করা যায় না। নারকেল তেলের মতো অন্য কোনো তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে ব্যবহার করতে হয়। মাথার ত্বক ও পুরো চুলে এই তেলের মিশ্রণটি মালিশ করে রাখুন এক ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করলেই চুল ঝলমলে হয়ে উঠবে।
ঠোঁটের যত্নে
গোলাপ দিয়েই তৈরি করুন লিপ বাম
নরম ও আর্দ্র ঠোঁটের জন্য গোলাপের পাপড়ি দিয়ে ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন লিপ বাম। গোলাপের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়া করে নারকেল তেলে ভিজিয়ে রাখুন এক রাত। তারপর মৌ মোম ও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে গোলাপের পাপড়ি গুঁড়া ভেজানো তেল মিশিয়ে ছোট কৌটায় ভরে রাখুন। রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা প্রয়োজন বুঝে ব্যবহার করুন।
সূত্র: অনলি মাই হেলথ ও অন্যান্য
শোনা যায়, রানিরা গোসলের পানিতে গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করতেন। ত্বক ও চুলের জেল্লা বাড়াতে এই ফুলের তুলনা নেই। সে কারণে রূপচর্চায় গোলাপজলের ব্যবহার এখনো রয়েছে। গোলাপের পাপড়িও রূপচর্চার অনুষঙ্গ হিসেবে রয়ে গেছে দারুণভাবে। গোলাপ ফুল দিয়ে ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়াটা বেশ সহজ। শুধু কয়েকটি সহজ উপকরণ আর গোলাপ ফুল ফিরিয়ে দিতে পারে আপনার ত্বক ও চুলের হারানো সৌন্দর্য।
ত্বকের যত্নে
ত্বকের দাগ হালকা করে গোলাপজলের টোনার
যাঁদের ত্বক খুব বেশি তৈলাক্ত, তাঁদের জন্য টোনার হিসেবে বেশ কাজের এই গোলাপজল। ত্বকের তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি খুব ভালো কাজ করে। পাশাপাশি ত্বক তরতাজা দেখাতে এবং ত্বকের জেল্লা ধরে রাখতেও সহায়ক এটি। এর মধ্যকার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা কমায়। এতে আরও রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান, যা রোদের কারণে ত্বকের লালচে ভাব কমাতে সহায়ক।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
বাইরে থেকে ফিরে ক্লিনজার দিয়ে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে হালকা মুছে নিন। এবার তুলার বলে গোলাপজল নিয়ে পুরো মুখে বুলিয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ কমে আসবে। সেই সঙ্গে হালকা হতে থাকবে ত্বকের দাগ।
গোলাপ পাপড়ির স্ক্রাব
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এই স্ক্রাব খুব ভালো। যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁরা গোলাপের পাপড়িগুঁড়া, চিনি ও নারকেল তেল মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ ঝরিয়ে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে এই মিশ্রণ জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। গোলাপের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়া করে নিন। এবার এই গুঁড়া এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
গোসলের আগে ওটমিল গুঁড়ার সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপের পাপড়ি ও কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে নিন।
গোলাপজল–চন্দনের ফেসপ্যাক
ফেসপ্যাকে গোলাপজল ব্যবহার করলে ত্বকের পানির ভারসাম্য ঠিক থাকে। শুধু তা-ই নয়, এই প্যাক ত্বক ঠান্ডা রাখতে এবং জ্বালাপোড়া কমাতেও সহায়তা করে। যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল এবং ব্রণ হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁরা এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
চন্দনগুঁড়া ও গোলাপজল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। তারপর হালকা শুকিয়ে এলে কয়েক সেকেন্ড ম্যাসাজ করে কুসুম গরম পানির ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। চন্দনগুঁড়ার পরিবর্তে মুলতানি মাটি ব্যবহার করলেও উপকার মিলবে।
গোলাপ–দুধে গোসল
আগের দিনে রানিরা নাকি ত্বক নরম রাখতে পানিতে দুধ ও গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে গোসল করতেন। ত্বক নরম রাখতে চান?
যেভাবে ব্যবহার করবেন
গোসলের পানিতে এক কাপ দুধ ও এক মুঠো গোলাপের পাপড়ি ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ২০ মিনিট। বাথটাব থাকলে এই পানিতে ২০ মিনিট গা ভিজিয়ে বসে থাকুন। এতে মরা কোষ ঝরে গিয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে এবং ক্লান্তি কেটে গিয়ে শরীরও রিলাক্স হবে।
চুলের যত্নে
চুল ধোয়ায় গোলাপ পাপড়ির সেদ্ধ পানি
চুল মসৃণ করার জন্য এক মুঠো গোলাপের পাপড়ি সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে রেখে দিন। শ্যাম্পু করার পর শেষবার চুল ধোয়ার সময় গোলাপের পাপড়ির সেদ্ধ পানি ব্যবহার করুন। এতে চুল নরম, সিল্কি হওয়ার পাশাপাশি সুবাসিত হয়ে উঠবে।
চুলের স্বাস্থ্য ফেরাবে রোজ অয়েল
রোজ অয়েল ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এটি মাথার ত্বক ও চুলে পুষ্টি জোগায়। চুলের শুষ্ক ও রুক্ষ ভাব দূর করে চুলের প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতেও এর জুড়ি নেই। তবে রোজ অয়েল সরাসরি মাথার ত্বক ও চুলে ব্যবহার করা যায় না। নারকেল তেলের মতো অন্য কোনো তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে ব্যবহার করতে হয়। মাথার ত্বক ও পুরো চুলে এই তেলের মিশ্রণটি মালিশ করে রাখুন এক ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করলেই চুল ঝলমলে হয়ে উঠবে।
ঠোঁটের যত্নে
গোলাপ দিয়েই তৈরি করুন লিপ বাম
নরম ও আর্দ্র ঠোঁটের জন্য গোলাপের পাপড়ি দিয়ে ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন লিপ বাম। গোলাপের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়া করে নারকেল তেলে ভিজিয়ে রাখুন এক রাত। তারপর মৌ মোম ও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে গোলাপের পাপড়ি গুঁড়া ভেজানো তেল মিশিয়ে ছোট কৌটায় ভরে রাখুন। রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা প্রয়োজন বুঝে ব্যবহার করুন।
সূত্র: অনলি মাই হেলথ ও অন্যান্য
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে