বিভাবরী রায়
‘সারা মন কেন তুমি চোখে সাজালে,/ কত কী রয়েছে লেখা কাজলে কাজলে।’
কিশোর কুমারের গাওয়া এই গান শুনলেই ভেসে ওঠে এমন এক মুখশ্রী, যার চোখেই হৃদয়ের সব গল্প ফুটে উঠেছে। আর এ কারণেই হয়তো বলা হয়, চোখ মনের কথা বলে। চোখেই ভেসে ওঠে আনন্দের হাসি, চোখেই থাকে প্রেম আবার এ চোখেই লেখা থাকে বেদনার গল্প।
যাঁরা সাজতে একেবারেই পছন্দ করেন না, তাঁরাও বাইরে বের হলে চোখের নিচে বা ওপরে কাজল বুলিয়ে নেন। নারীর কাজলমাখা চোখ নিয়ে যুগ যুগ ধরে বহু গান, কবিতা লেখা হয়েছে। কেউ কাজলকালো চোখের প্রেমে পড়েছেন, কেউ এই চোখকে ভেবেছেন আশ্রয়। আবার এই চোখেই কেউ দেখেছেন নিজের ভবিষ্যৎ। কবি-সাহিত্য়িক-গীতিকারেরা নানান উপমা তৈরি করেছেন যাঁদের চোখ দেখে, তাঁদের বেশির ভাগেরই কিন্তু টানা কাজল বেশি পছন্দ। ‘কালো মেয়ের কালো হরিণ চোখ’ কিংবা ‘পাখির নীড়ের মতো’ বনলতা সেনের চোখ পেতে কত কসরতই না করতে হয়! টানা কাজলে চোখ সাজানোর ট্রেন্ডও চলছে এখন। কী করে সাজবেন টানা কাজলে?
চোখ সাজাতে যা যা লাগবে
টানা কাজলে চোখ সাজাতে প্রয়োজন হবে মাত্র দুটি জিনিস, ভালো ব্র্যান্ডের একটি প্রাইমার ও আইলাইনার। চোখ আরও বেশি ড্রামাটিক করে তুলতে লেন্স পরতে পারেন। তবে সেটা একান্তই নিজের পছন্দ।
শুরুতে চোখে একটি ভালো বেস তৈরি করতে হবে। সে জন্য খুব ভালো করে চোখ পরিষ্কার, টোনিং ও ময়শ্চারাইজ করে নিন। যদি আপনার চোখের চার পাশে লালচে, ডার্ক সার্কেল বা ফোলা ভাব থাকে, তবে চোখের সেরাম বা আই ক্রিম ব্যবহার করুন। এরপর চোখের পাতায় মেকআপ ভালোভাবে বসবে, সেটা নিশ্চিত করতে প্রাইমার লাগিয়ে নিন।
এবার পালা আইলাইনার বাছাইয়ের। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ধরনের আইলাইনার পাওয়া যায়। আপনি বেছে নিতে পারেন লিকুইড আইলাইনার, যেগুলো সরু ব্রাশ দিয়ে সহজে চোখে ব্যবহার করা যায়। অথবা বেছে নিতে পারেন জেল-বেসড আইলাইনার। ক্যাটস আই আঁকার ক্ষেত্রে সাধারণত বাঁকানো ব্রাশ ভালো কাজে দেয়। চেষ্টা করবেন ফেল্ট টিপ ব্রাশ বেছে নিতে। তাহলে বিশেষ করে নতুনদের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই আঁকা বেশি সহজ হবে।
প্রস্তুতি শেষ হলে এবার ধাপে ধাপে চোখ সাজানো শুরু করুন।
কাজল ব্যবহারে সতর্কতা
⦁ অন্যের ব্যবহার করা কাজল ব্যবহার করবেন না। এতে চোখের সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
⦁ ঘুমানোর আগে কাজল পরিষ্কার করুন।
⦁ চোখ ওঠা বা চোখে কোনো ধরনের সংক্রমণ থাকলে কাজল ব্যবহার করবেন না।
⦁ দীর্ঘ সময় ধরে চোখে কাজল রাখা যাবে না। তাতে চোখে জ্বালা বা লাল হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য
‘সারা মন কেন তুমি চোখে সাজালে,/ কত কী রয়েছে লেখা কাজলে কাজলে।’
কিশোর কুমারের গাওয়া এই গান শুনলেই ভেসে ওঠে এমন এক মুখশ্রী, যার চোখেই হৃদয়ের সব গল্প ফুটে উঠেছে। আর এ কারণেই হয়তো বলা হয়, চোখ মনের কথা বলে। চোখেই ভেসে ওঠে আনন্দের হাসি, চোখেই থাকে প্রেম আবার এ চোখেই লেখা থাকে বেদনার গল্প।
যাঁরা সাজতে একেবারেই পছন্দ করেন না, তাঁরাও বাইরে বের হলে চোখের নিচে বা ওপরে কাজল বুলিয়ে নেন। নারীর কাজলমাখা চোখ নিয়ে যুগ যুগ ধরে বহু গান, কবিতা লেখা হয়েছে। কেউ কাজলকালো চোখের প্রেমে পড়েছেন, কেউ এই চোখকে ভেবেছেন আশ্রয়। আবার এই চোখেই কেউ দেখেছেন নিজের ভবিষ্যৎ। কবি-সাহিত্য়িক-গীতিকারেরা নানান উপমা তৈরি করেছেন যাঁদের চোখ দেখে, তাঁদের বেশির ভাগেরই কিন্তু টানা কাজল বেশি পছন্দ। ‘কালো মেয়ের কালো হরিণ চোখ’ কিংবা ‘পাখির নীড়ের মতো’ বনলতা সেনের চোখ পেতে কত কসরতই না করতে হয়! টানা কাজলে চোখ সাজানোর ট্রেন্ডও চলছে এখন। কী করে সাজবেন টানা কাজলে?
চোখ সাজাতে যা যা লাগবে
টানা কাজলে চোখ সাজাতে প্রয়োজন হবে মাত্র দুটি জিনিস, ভালো ব্র্যান্ডের একটি প্রাইমার ও আইলাইনার। চোখ আরও বেশি ড্রামাটিক করে তুলতে লেন্স পরতে পারেন। তবে সেটা একান্তই নিজের পছন্দ।
শুরুতে চোখে একটি ভালো বেস তৈরি করতে হবে। সে জন্য খুব ভালো করে চোখ পরিষ্কার, টোনিং ও ময়শ্চারাইজ করে নিন। যদি আপনার চোখের চার পাশে লালচে, ডার্ক সার্কেল বা ফোলা ভাব থাকে, তবে চোখের সেরাম বা আই ক্রিম ব্যবহার করুন। এরপর চোখের পাতায় মেকআপ ভালোভাবে বসবে, সেটা নিশ্চিত করতে প্রাইমার লাগিয়ে নিন।
এবার পালা আইলাইনার বাছাইয়ের। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ধরনের আইলাইনার পাওয়া যায়। আপনি বেছে নিতে পারেন লিকুইড আইলাইনার, যেগুলো সরু ব্রাশ দিয়ে সহজে চোখে ব্যবহার করা যায়। অথবা বেছে নিতে পারেন জেল-বেসড আইলাইনার। ক্যাটস আই আঁকার ক্ষেত্রে সাধারণত বাঁকানো ব্রাশ ভালো কাজে দেয়। চেষ্টা করবেন ফেল্ট টিপ ব্রাশ বেছে নিতে। তাহলে বিশেষ করে নতুনদের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই আঁকা বেশি সহজ হবে।
প্রস্তুতি শেষ হলে এবার ধাপে ধাপে চোখ সাজানো শুরু করুন।
কাজল ব্যবহারে সতর্কতা
⦁ অন্যের ব্যবহার করা কাজল ব্যবহার করবেন না। এতে চোখের সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
⦁ ঘুমানোর আগে কাজল পরিষ্কার করুন।
⦁ চোখ ওঠা বা চোখে কোনো ধরনের সংক্রমণ থাকলে কাজল ব্যবহার করবেন না।
⦁ দীর্ঘ সময় ধরে চোখে কাজল রাখা যাবে না। তাতে চোখে জ্বালা বা লাল হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে