জীবনধারা ডেস্ক
‘দাঁড়ালে দুয়ারে মোর
কে তুমি ভিখারিনী
গাহিয়া সজল চোখে
বেলা-শেষের রাগিণী’
কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এ গান যেন নতুন করে সবার হৃদয়ে প্রেম জাগিয়েছে কোক স্টুডিও বাংলা সিজন টু এর মাধ্যমে। এই তো কিছুদিন আগের কথা, কোক স্টুডিও সিজন টু-তে কী চমৎকার করে গানটি গাইলেন সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা। সঙ্গে ছিলেন সহশিল্পী মুকুল মজুমদার ঈশান।
নন্দিতা কেবল গান দিয়েই নন, ফ্যাশন ভাবনা দিয়েও নাড়িয়ে দিয়েছেন ভক্তদের হৃদয়। গয়নার নকশাকার লোরা খানের গয়নার ফেসবুক পেজ ‘সিক্স ইয়ার্ডস স্টোরি’তে বরাবরই দেখা মেলে লাস্য়ময়ী নন্দিতার। তাঁর ‘অ্যাসথেটিকস সেন্স’ বরাবরই প্রশংসা পেয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাঁর ইনস্টাগ্রাম ঘাঁটলে দারুণ সব ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়।
এত কথা বলার একটাই কারণ। সম্প্রতি বাগদান সম্পন্ন করেছেন নন্দিতা। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এ তথ্য তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
গত রোববার বিকেল চারটায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নন্দিতা। ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এই আংটি পেলাম।’ সাবেকি আমলের বাগদানের নকশাদার আংটি নয় সেটি। ছিমছাম একটি রিংয়ের মাঝখানে হিরে বসানো ছিল তাতে। অনামিকায় পরা আংটিসহ হাতটি ধরে ছিলেন একজন। কে তিনি? এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল ভক্ত অনুসারীদের মনে। নজরুলের ভাষায় বললে বলতে হবে, ‘কে তুমি জাদুকরী, বলো কে তুমি জাদুকরী?’ এই জাদুকরের নাম মুফরাত। তিনি নন্দিত সংগীতশিল্পী শাকিলা জাফরের পুত্র। জানা গেছে, আগামী ১ মার্চ ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে নন্দিতা–মুফরাত যুগল।
নন্দিতার ছবিগুলো পোস্ট করার পর তাঁকে সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, পুতুল, সুনিধি নায়েক, ঝিলিক, অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলাসহ আরও অনেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ফরিদপুরের মেয়ে নন্দিতা পড়ালেখা করেছেন মুন্সিগঞ্জে। এরপর রাজধানী ঢাকার সিটি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর ছায়ানটে গান শিখতে শুরু করেন। ২০১৩ সালে আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পড়ার সময় ‘বাংলাদেশি আইডল’ রিয়্যালিটি শোয়ে অংশ নেন নন্দিতা। সেখানে সেরা ১০-এ সপ্তম হন। তারপর থেকে নিয়মিত গান করছেন তিনি। কোক স্টুডিও বাংলায় ‘বুলবুলি’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’ গানের মাধ্যমে ভক্তকুলের মন কেড়ে নেন নন্দিতা। পাশাপাশি উপস্থাপনা ও মডেলিংও করছেন এই তারকা।
‘দাঁড়ালে দুয়ারে মোর
কে তুমি ভিখারিনী
গাহিয়া সজল চোখে
বেলা-শেষের রাগিণী’
কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এ গান যেন নতুন করে সবার হৃদয়ে প্রেম জাগিয়েছে কোক স্টুডিও বাংলা সিজন টু এর মাধ্যমে। এই তো কিছুদিন আগের কথা, কোক স্টুডিও সিজন টু-তে কী চমৎকার করে গানটি গাইলেন সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা। সঙ্গে ছিলেন সহশিল্পী মুকুল মজুমদার ঈশান।
নন্দিতা কেবল গান দিয়েই নন, ফ্যাশন ভাবনা দিয়েও নাড়িয়ে দিয়েছেন ভক্তদের হৃদয়। গয়নার নকশাকার লোরা খানের গয়নার ফেসবুক পেজ ‘সিক্স ইয়ার্ডস স্টোরি’তে বরাবরই দেখা মেলে লাস্য়ময়ী নন্দিতার। তাঁর ‘অ্যাসথেটিকস সেন্স’ বরাবরই প্রশংসা পেয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাঁর ইনস্টাগ্রাম ঘাঁটলে দারুণ সব ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়।
এত কথা বলার একটাই কারণ। সম্প্রতি বাগদান সম্পন্ন করেছেন নন্দিতা। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এ তথ্য তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
গত রোববার বিকেল চারটায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নন্দিতা। ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এই আংটি পেলাম।’ সাবেকি আমলের বাগদানের নকশাদার আংটি নয় সেটি। ছিমছাম একটি রিংয়ের মাঝখানে হিরে বসানো ছিল তাতে। অনামিকায় পরা আংটিসহ হাতটি ধরে ছিলেন একজন। কে তিনি? এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল ভক্ত অনুসারীদের মনে। নজরুলের ভাষায় বললে বলতে হবে, ‘কে তুমি জাদুকরী, বলো কে তুমি জাদুকরী?’ এই জাদুকরের নাম মুফরাত। তিনি নন্দিত সংগীতশিল্পী শাকিলা জাফরের পুত্র। জানা গেছে, আগামী ১ মার্চ ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে নন্দিতা–মুফরাত যুগল।
নন্দিতার ছবিগুলো পোস্ট করার পর তাঁকে সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, পুতুল, সুনিধি নায়েক, ঝিলিক, অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলাসহ আরও অনেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ফরিদপুরের মেয়ে নন্দিতা পড়ালেখা করেছেন মুন্সিগঞ্জে। এরপর রাজধানী ঢাকার সিটি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর ছায়ানটে গান শিখতে শুরু করেন। ২০১৩ সালে আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পড়ার সময় ‘বাংলাদেশি আইডল’ রিয়্যালিটি শোয়ে অংশ নেন নন্দিতা। সেখানে সেরা ১০-এ সপ্তম হন। তারপর থেকে নিয়মিত গান করছেন তিনি। কোক স্টুডিও বাংলায় ‘বুলবুলি’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’ গানের মাধ্যমে ভক্তকুলের মন কেড়ে নেন নন্দিতা। পাশাপাশি উপস্থাপনা ও মডেলিংও করছেন এই তারকা।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে