সানজিদা সামরিন, ঢাকা
আকাশ যখন ধূসর মেঘে ভরে যায়, মৃদু হাওয়া বইতে থাকে চারপাশে, তখন অনেকে গুনগুনিয়ে গেয়ে ওঠে—‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন,/ কাছে যাব কবে পাব ওগো তোমার নিমন্ত্রণ।’ তবে সেই বুদ্ধিদীপ্ত চোখে বাঁধা পড়ুন আর না-ই পড়ুন, আপনার খোঁপায় জড়ানো বেলির সুবাস কোনো বিপ্লবীর বুকে বাসা বাঁধুক আর না-ই বাঁধুক, হৃদয়ে প্রেমের আগমনের এই অনুভূতি যে স্বর্গীয়, তা স্বীকার না করে যাবেন কোথায়?
লোকে বলে, প্রেমে পড়লে মানুষ নিজের সৌন্দর্য আর বেশভূষার প্রতিও যত্নশীল হয়ে ওঠে। মোটেও মিথ্য়ে নয়। এই যে মেঘলা দিনে যখন জানালায় দাঁড়িয়ে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি গায়ে মাখছেন, তখন কি ইচ্ছে করছে না চোখ ভরে কাজল পরতে? ইচ্ছে করছে না নীলাভ শেডের কোনো শাড়ি পরে পিচ ঢালা রাস্তায় ঝুম বৃষ্টিতে দুহাত মেলে ছুটে বেড়াতে? জানি জানি, সে রকম ইচ্ছে করছেই।
বৃষ্টি আর প্রেম একই সরলরেখায় রেখে সাজগোজের ব্যাপারটা কিন্তু আরও উসকে দেয় বলিউডের বিভিন্ন সিনেমা। অনেকে নিশ্চয় একমত হবেন। আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামছে। নায়িকার পরনে তখন আকাশি, সাদা কিংবা লাল রঙের শিফনের শাড়ি। স্লিভলেস ব্লাউজ আর খোলা চুলে চোখ বুজে দাঁড়িয়ে তিনি উপভোগ করছেন শ্রাবণের বৃষ্টি। রোমান্টিক সাজের অনুষঙ্গ হিসেবে পায়ে রয়েছে রুপার নূপুর আর হাতে চুড়ি। বৃষ্টির রুমঝুম আর চুড়ির রিনিঝিনি সুর যেন মিলেমিশে একাকার! আমরা তো এই দৃশ্য় দেখেই অভ্যস্ত। প্রেমময় হৃদয় যখন বৃষ্টি নামলে আরও উতলা হয়, তখন এভাবেই সেজে উঠতে মন চায়।
স্বীকার করতে না চাইলেও আয়নায় আমরা নিজেদের সেভাবেই দেখি, যেভাবে প্রিয় মানুষটি আমাদের দেখতে চায় বলে আমরা ভাবি। তাঁর কী পছন্দ, সেটাই মনে ঘুরপাক খেতে থাকে। কখনো কখনো কপালের টিপ, চোখে কাজলের রেখা, যত্নে ভাঙা শাড়ির ভাঁজ যেন তাঁর চোখে সঁপে দেওয়ার জন্যই। উল্টো দিকে ঝাঁজালো সুগন্ধির পরিবর্তে একটু কোমল সুবাসই কাপড়ে মেখে নিচ্ছে সুদর্শন তরুণ। কারণ একটাই, সে যদি মুগ্ধ হয়!
এই ভাবনাকে উপলক্ষ করেই আজকাল নকশাকারেরা ঋতুভিত্তিক বিভিন্ন পোশাক নকশা করছেন।
বর্ষাকে উপলক্ষ করে অনেক ফ্যাশন হাউস শাড়ি তৈরি করছে। সেই শাড়িতে মোটিফ হিসেবে থাকছে বর্ষার বিভিন্ন উপকরণ। যেমন কদমফুল, পদ্ম, নৌকা, বৃষ্টির ফোঁটা ইত্য়াদি। মনে একরাশ প্রেমের অনুভূতি নিয়ে মেঘলা দিনে একলা ঘুরে বেড়াতে বের হলে গায়ে জড়িয়ে নিন না বর্ষাকে উৎসর্গ করা এমন কোনো শাড়ি। বলিউড তারকার মতো শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে বা কনট্রাস্ট করে পরতে পারেন স্লিভলেস ব্লাউজ। চুলটা না হয় খোলাই থাক। চোখভর্তি কাজল আর শামুক-ঝিনুকের গয়নায় পরিপূর্ণ করুন সাজটা।
কসমেটোলজিস্ট ও শোভন মেকওভারের স্বত্বাধিকারী শোভন সাহা বলেন, ‘বর্ষায় যেহেতু সবার মনে প্রেম প্রেম অনুভূতি কাজ করে, তাই নীল রংটা সাজপোশাকে থাকতেই পারে। এই রংকে মুখ্য রেখে অনেকভাবে সেজে নেওয়া যায়।’ নীলের আবার রকমফের রয়েছে—গাঢ় নীল, কালচে নীল, আকাশি ইত্যাদি। চাইলে নীলের সঙ্গে সাদার মিলমিশ রয়েছে এমন পোশাকও বেছে নেওয়া যেতে পারে। পায়ে থাকবে বর্ষায় পরার উপযোগী জুতা। ঠোঁটে থাকতে পারে ন্য়ুড শেডের লিপস্টিক। তবে সবটাই নির্ভর করছে—কোথায় যাচ্ছেন, সেখানকার পরিবেশের ওপর।
আকাশ যখন ধূসর মেঘে ভরে যায়, মৃদু হাওয়া বইতে থাকে চারপাশে, তখন অনেকে গুনগুনিয়ে গেয়ে ওঠে—‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন,/ কাছে যাব কবে পাব ওগো তোমার নিমন্ত্রণ।’ তবে সেই বুদ্ধিদীপ্ত চোখে বাঁধা পড়ুন আর না-ই পড়ুন, আপনার খোঁপায় জড়ানো বেলির সুবাস কোনো বিপ্লবীর বুকে বাসা বাঁধুক আর না-ই বাঁধুক, হৃদয়ে প্রেমের আগমনের এই অনুভূতি যে স্বর্গীয়, তা স্বীকার না করে যাবেন কোথায়?
লোকে বলে, প্রেমে পড়লে মানুষ নিজের সৌন্দর্য আর বেশভূষার প্রতিও যত্নশীল হয়ে ওঠে। মোটেও মিথ্য়ে নয়। এই যে মেঘলা দিনে যখন জানালায় দাঁড়িয়ে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি গায়ে মাখছেন, তখন কি ইচ্ছে করছে না চোখ ভরে কাজল পরতে? ইচ্ছে করছে না নীলাভ শেডের কোনো শাড়ি পরে পিচ ঢালা রাস্তায় ঝুম বৃষ্টিতে দুহাত মেলে ছুটে বেড়াতে? জানি জানি, সে রকম ইচ্ছে করছেই।
বৃষ্টি আর প্রেম একই সরলরেখায় রেখে সাজগোজের ব্যাপারটা কিন্তু আরও উসকে দেয় বলিউডের বিভিন্ন সিনেমা। অনেকে নিশ্চয় একমত হবেন। আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামছে। নায়িকার পরনে তখন আকাশি, সাদা কিংবা লাল রঙের শিফনের শাড়ি। স্লিভলেস ব্লাউজ আর খোলা চুলে চোখ বুজে দাঁড়িয়ে তিনি উপভোগ করছেন শ্রাবণের বৃষ্টি। রোমান্টিক সাজের অনুষঙ্গ হিসেবে পায়ে রয়েছে রুপার নূপুর আর হাতে চুড়ি। বৃষ্টির রুমঝুম আর চুড়ির রিনিঝিনি সুর যেন মিলেমিশে একাকার! আমরা তো এই দৃশ্য় দেখেই অভ্যস্ত। প্রেমময় হৃদয় যখন বৃষ্টি নামলে আরও উতলা হয়, তখন এভাবেই সেজে উঠতে মন চায়।
স্বীকার করতে না চাইলেও আয়নায় আমরা নিজেদের সেভাবেই দেখি, যেভাবে প্রিয় মানুষটি আমাদের দেখতে চায় বলে আমরা ভাবি। তাঁর কী পছন্দ, সেটাই মনে ঘুরপাক খেতে থাকে। কখনো কখনো কপালের টিপ, চোখে কাজলের রেখা, যত্নে ভাঙা শাড়ির ভাঁজ যেন তাঁর চোখে সঁপে দেওয়ার জন্যই। উল্টো দিকে ঝাঁজালো সুগন্ধির পরিবর্তে একটু কোমল সুবাসই কাপড়ে মেখে নিচ্ছে সুদর্শন তরুণ। কারণ একটাই, সে যদি মুগ্ধ হয়!
এই ভাবনাকে উপলক্ষ করেই আজকাল নকশাকারেরা ঋতুভিত্তিক বিভিন্ন পোশাক নকশা করছেন।
বর্ষাকে উপলক্ষ করে অনেক ফ্যাশন হাউস শাড়ি তৈরি করছে। সেই শাড়িতে মোটিফ হিসেবে থাকছে বর্ষার বিভিন্ন উপকরণ। যেমন কদমফুল, পদ্ম, নৌকা, বৃষ্টির ফোঁটা ইত্য়াদি। মনে একরাশ প্রেমের অনুভূতি নিয়ে মেঘলা দিনে একলা ঘুরে বেড়াতে বের হলে গায়ে জড়িয়ে নিন না বর্ষাকে উৎসর্গ করা এমন কোনো শাড়ি। বলিউড তারকার মতো শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে বা কনট্রাস্ট করে পরতে পারেন স্লিভলেস ব্লাউজ। চুলটা না হয় খোলাই থাক। চোখভর্তি কাজল আর শামুক-ঝিনুকের গয়নায় পরিপূর্ণ করুন সাজটা।
কসমেটোলজিস্ট ও শোভন মেকওভারের স্বত্বাধিকারী শোভন সাহা বলেন, ‘বর্ষায় যেহেতু সবার মনে প্রেম প্রেম অনুভূতি কাজ করে, তাই নীল রংটা সাজপোশাকে থাকতেই পারে। এই রংকে মুখ্য রেখে অনেকভাবে সেজে নেওয়া যায়।’ নীলের আবার রকমফের রয়েছে—গাঢ় নীল, কালচে নীল, আকাশি ইত্যাদি। চাইলে নীলের সঙ্গে সাদার মিলমিশ রয়েছে এমন পোশাকও বেছে নেওয়া যেতে পারে। পায়ে থাকবে বর্ষায় পরার উপযোগী জুতা। ঠোঁটে থাকতে পারে ন্য়ুড শেডের লিপস্টিক। তবে সবটাই নির্ভর করছে—কোথায় যাচ্ছেন, সেখানকার পরিবেশের ওপর।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৭ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৭ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৮ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৮ দিন আগে