একটা সময় বাড়ির দরজা ও জানালায় পর্দা ব্যবহার করা হতো মূলত প্রয়োজন হিসেবে। মানে যেটুকু না রাখলেই নয়! মূলত একরঙা পর্দার ব্যবহারের প্রচলন ছিল বেশি। নব্বইয়ের দশকে ফ্লোরাল প্রিন্টের সিনথেটিক পর্দাও দেখা যেত অভিজাত বাড়িগুলোয়। কালের পরিবর্তনে পর্দার ব্যবহার প্রয়োজনকে ছাড়িয়ে অনেক বেশি আধুনিকতা ও নান্দনিকতায় রূপ নিয়েছে। পরবর্তীতে দরজার মতো জানালার পর্দার দৈর্ঘ্যও বেড়েছে সমান হারে। এ ছাড়াও ঘরের আকার, আলোর মাত্রা ইত্যাদির ওপর নির্ভর করেও পর্দা ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঘরের সঙ্গে মানিয়ে
পর্দা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ঘরের আয়তন একটি বড় বিষয়। ঘরের আয়তন যদি ছোট হয়, তাহলে অপেক্ষাকৃত পাতলা ও হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করা উচিত। অন্যদিকে ঘরের আকার যদি একটু লম্বাটে হয় বা যদি তা লম্বাটে আকৃতির ডাইনিং কাম ড্রয়িংরুম হয়, তাহলে মেঝে অবধি লম্বা ও একটু ভারী পর্দা লাগানো যেতে পারে।
আলোর আমন্ত্রণে
শহুরে ফ্ল্যাটগুলোয় আলোর অভাব বাড়ির সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। দিনের বেলায় ঘরে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ না করলে পাতলা পর্দা ব্যবহার করাই ভালো। সে ক্ষেত্রে জর্জেট ও নেটের হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করা ভালো। আর ঘরে যদি স্বাভাবিকভাবেই পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করে থাকে, তাহলে একটু ভারী পর্দা বাছাই করা যেতে পারে। পাশাপাশি রংটাও একটু গাঢ় ধাঁচের হতে পারে। শোয়ার ঘরে খাট যদি জানালার পাশে হয়, তাহলে একটু ভারী পর্দা ব্যবহার করুন। এতে সূর্যের আলোয় ঘর সহজে গরম হবে না।
দেয়ালের রং
অন্দরসজ্জার ক্ষেত্রে যেকোনো বিছানার চাদর, পর্দা, কুশন কভার ইত্যাদির রং যেন দেয়ালের রঙের সঙ্গে মানিয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘরের দেয়ালের রং যদি গাঢ় হয়, তবে হালকা রঙের পাতলা পর্দা ও দেয়ালের রং গাঢ় হলে পর্দা যেকোনো রঙের হলে ক্ষতি নেই। পাশাপাশি বাড়তি সৌন্দর্যের জন্য বিছানার চাদর, পাপোশ, আসবাবপত্রের রং ও পর্দার রং মিলিয়ে কেনা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় কনট্রাস্ট রংও ভালো লাগে।
পর্দার খোঁজখবর
এলিফ্যান্ট রোড, গুলশান-২, বসুন্ধরা সিটি, বসুন্ধরা রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া, নিউমার্কেট, মৌচাকে সিনথেটিক, নেট, চায়নিজ সিলসিলা, চায়নিজ নেট, বাটারফ্লাই গজ কাপড় কিনতে পাওয়া যাবে। দেশীয় ঘরানার পর্দা কিনতে চাইলে বা দরদাম করতে না চাইলে সোজা চলে যেতে পারেন আড়ং, যাত্রাসহ অন্যান্য দেশীয় বুটিক হাউসে। আর সবচেয়ে আলাদা ঘরানার পর্দা ঘরে রাখতে চাইলে করিয়ে নিতে পারেন টাইডাই বা ব্লক।
একটা সময় বাড়ির দরজা ও জানালায় পর্দা ব্যবহার করা হতো মূলত প্রয়োজন হিসেবে। মানে যেটুকু না রাখলেই নয়! মূলত একরঙা পর্দার ব্যবহারের প্রচলন ছিল বেশি। নব্বইয়ের দশকে ফ্লোরাল প্রিন্টের সিনথেটিক পর্দাও দেখা যেত অভিজাত বাড়িগুলোয়। কালের পরিবর্তনে পর্দার ব্যবহার প্রয়োজনকে ছাড়িয়ে অনেক বেশি আধুনিকতা ও নান্দনিকতায় রূপ নিয়েছে। পরবর্তীতে দরজার মতো জানালার পর্দার দৈর্ঘ্যও বেড়েছে সমান হারে। এ ছাড়াও ঘরের আকার, আলোর মাত্রা ইত্যাদির ওপর নির্ভর করেও পর্দা ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঘরের সঙ্গে মানিয়ে
পর্দা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ঘরের আয়তন একটি বড় বিষয়। ঘরের আয়তন যদি ছোট হয়, তাহলে অপেক্ষাকৃত পাতলা ও হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করা উচিত। অন্যদিকে ঘরের আকার যদি একটু লম্বাটে হয় বা যদি তা লম্বাটে আকৃতির ডাইনিং কাম ড্রয়িংরুম হয়, তাহলে মেঝে অবধি লম্বা ও একটু ভারী পর্দা লাগানো যেতে পারে।
আলোর আমন্ত্রণে
শহুরে ফ্ল্যাটগুলোয় আলোর অভাব বাড়ির সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। দিনের বেলায় ঘরে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ না করলে পাতলা পর্দা ব্যবহার করাই ভালো। সে ক্ষেত্রে জর্জেট ও নেটের হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করা ভালো। আর ঘরে যদি স্বাভাবিকভাবেই পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করে থাকে, তাহলে একটু ভারী পর্দা বাছাই করা যেতে পারে। পাশাপাশি রংটাও একটু গাঢ় ধাঁচের হতে পারে। শোয়ার ঘরে খাট যদি জানালার পাশে হয়, তাহলে একটু ভারী পর্দা ব্যবহার করুন। এতে সূর্যের আলোয় ঘর সহজে গরম হবে না।
দেয়ালের রং
অন্দরসজ্জার ক্ষেত্রে যেকোনো বিছানার চাদর, পর্দা, কুশন কভার ইত্যাদির রং যেন দেয়ালের রঙের সঙ্গে মানিয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘরের দেয়ালের রং যদি গাঢ় হয়, তবে হালকা রঙের পাতলা পর্দা ও দেয়ালের রং গাঢ় হলে পর্দা যেকোনো রঙের হলে ক্ষতি নেই। পাশাপাশি বাড়তি সৌন্দর্যের জন্য বিছানার চাদর, পাপোশ, আসবাবপত্রের রং ও পর্দার রং মিলিয়ে কেনা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় কনট্রাস্ট রংও ভালো লাগে।
পর্দার খোঁজখবর
এলিফ্যান্ট রোড, গুলশান-২, বসুন্ধরা সিটি, বসুন্ধরা রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া, নিউমার্কেট, মৌচাকে সিনথেটিক, নেট, চায়নিজ সিলসিলা, চায়নিজ নেট, বাটারফ্লাই গজ কাপড় কিনতে পাওয়া যাবে। দেশীয় ঘরানার পর্দা কিনতে চাইলে বা দরদাম করতে না চাইলে সোজা চলে যেতে পারেন আড়ং, যাত্রাসহ অন্যান্য দেশীয় বুটিক হাউসে। আর সবচেয়ে আলাদা ঘরানার পর্দা ঘরে রাখতে চাইলে করিয়ে নিতে পারেন টাইডাই বা ব্লক।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৯ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে