বর্ষার পানি চুলের জন্য ক্ষতিকর। বর্ষাকালে চুল ভালোভাবে পরিষ্কার করতে না পারলে ত্বকে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। ফলে বৃষ্টিতে ভিজলে বাড়ি ফিরে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এ জন্য কোমল শ্যাম্পু করতে হবে ও এরপর কন্ডিশনার ব্যবহার হবে। কন্ডিশনার চুলের মসৃণতা ধরে রাখবে। আর যদি এমন হয় যে গোসল করেই বের হয়েছেন আর বৃষ্টির পানি পড়ে চুল আবার ভিজে গেল। সে ক্ষেত্রে বাড়ি ফিরে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে বা ফ্যানের বাতাসে চুল একেবারে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এতে বৃষ্টির পানির যে ক্ষার থাকে, তা চুলে লেগে থাকবে না।
বর্ষার ঘরোয়া প্যাক
• ডিমের কুসুম ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। ফেটানো ডিমের কুসুম মাথার ত্বকে লাগিয়ে গোড়া থেকে আগা অবধি চুল ভালোভাবে আঁচড়ে নিতে হবে। এ সময় প্লাস্টিকের ক্যাপ পরে থাকতে হবে আধা ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।
• এ সময় মাথায় খুশকি বা অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা থাকে। সে ক্ষেত্রে নিমপাতা ভেজানো পানি ও মেথিবাটা একসঙ্গে পেস্ট করে চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিতে হবে।
• যাঁদের মাথায় প্রচুর খুশকি, তাঁরা আধা কাপ লেবুর রসের সঙ্গে আধা কাপ পানি ও দুই চা-চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বক থেকে শুরু করে পুরো চুলে লাগিয়ে ভালো করে চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিতে হবে। এরপর আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে চুল ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
• চুলের গোড়া মজবুত ও চুল ঝলমলে করতে অ্যালোভেরা জেলের তুলনা নেই। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে চুল গোড়া থেকে আগা অবধি আঁচড়ে নিতে হবে। শারমিন কচি বলেন, বারবার চুল আঁচড়ে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কারণ, এতে প্যাকের পুষ্টি পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়বে।
• চুলপড়া সমস্যায় ভুগলে আধা কাপ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে আধা কাপ পানি মিশিয়ে পুরো চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে আধা ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগাতে হবে।
শারমিন কচি বলেন, এ সময় চুল একেবারেই ভেজা রাখা যাবে না। এ সময় যেহেতু আবহাওয়া আর্দ্র, ফলে চুল এমনিতেই ভালোভাবে শুকায় না। একটা ভেজা ভেজা ভাব থাকে। এ জন্য গোসলের পর চুল ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে। অথবা হেয়ার ড্রায়ারের কুল ব্লোয়ার দিয়ে চুল শুকিয়ে নিতে হবে।
বর্ষার পানি চুলের জন্য ক্ষতিকর। বর্ষাকালে চুল ভালোভাবে পরিষ্কার করতে না পারলে ত্বকে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। ফলে বৃষ্টিতে ভিজলে বাড়ি ফিরে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এ জন্য কোমল শ্যাম্পু করতে হবে ও এরপর কন্ডিশনার ব্যবহার হবে। কন্ডিশনার চুলের মসৃণতা ধরে রাখবে। আর যদি এমন হয় যে গোসল করেই বের হয়েছেন আর বৃষ্টির পানি পড়ে চুল আবার ভিজে গেল। সে ক্ষেত্রে বাড়ি ফিরে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে বা ফ্যানের বাতাসে চুল একেবারে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এতে বৃষ্টির পানির যে ক্ষার থাকে, তা চুলে লেগে থাকবে না।
বর্ষার ঘরোয়া প্যাক
• ডিমের কুসুম ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। ফেটানো ডিমের কুসুম মাথার ত্বকে লাগিয়ে গোড়া থেকে আগা অবধি চুল ভালোভাবে আঁচড়ে নিতে হবে। এ সময় প্লাস্টিকের ক্যাপ পরে থাকতে হবে আধা ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।
• এ সময় মাথায় খুশকি বা অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা থাকে। সে ক্ষেত্রে নিমপাতা ভেজানো পানি ও মেথিবাটা একসঙ্গে পেস্ট করে চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিতে হবে।
• যাঁদের মাথায় প্রচুর খুশকি, তাঁরা আধা কাপ লেবুর রসের সঙ্গে আধা কাপ পানি ও দুই চা-চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বক থেকে শুরু করে পুরো চুলে লাগিয়ে ভালো করে চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিতে হবে। এরপর আধা ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে চুল ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
• চুলের গোড়া মজবুত ও চুল ঝলমলে করতে অ্যালোভেরা জেলের তুলনা নেই। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে চুল গোড়া থেকে আগা অবধি আঁচড়ে নিতে হবে। শারমিন কচি বলেন, বারবার চুল আঁচড়ে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কারণ, এতে প্যাকের পুষ্টি পুরো চুলে ছড়িয়ে পড়বে।
• চুলপড়া সমস্যায় ভুগলে আধা কাপ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে আধা কাপ পানি মিশিয়ে পুরো চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে আধা ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগাতে হবে।
শারমিন কচি বলেন, এ সময় চুল একেবারেই ভেজা রাখা যাবে না। এ সময় যেহেতু আবহাওয়া আর্দ্র, ফলে চুল এমনিতেই ভালোভাবে শুকায় না। একটা ভেজা ভেজা ভাব থাকে। এ জন্য গোসলের পর চুল ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে। অথবা হেয়ার ড্রায়ারের কুল ব্লোয়ার দিয়ে চুল শুকিয়ে নিতে হবে।
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৯ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৯ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৯ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
২০ দিন আগে