উম্মে শায়লা রুমকী
সব বয়সের মানুষের বিষণ্নতা দেখা দিতে পারে। ব্যায়াম বিষণ্নতা কমাতে সহায়তা করে। আপনার কিশোরী কন্যাটিকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে উদ্বুদ্ধ করুন। এতে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে।
• যারা আগে ব্যায়াম করেনি বা গত ছয় মাসের মধ্যে ব্যায়াম করেনি, তাদের ক্ষেত্রে যে কোনো ব্যায়াম শুরুর আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
• শরীরে প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে কর্টিসল বা এড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে শরীরের অন্যান্য অংশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিষণ্নতা বেড়ে যাওয়া তার মধ্যে অন্যতম। নিয়মিত ব্যায়ামে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ব্যায়াম মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দেয় বলে শরীরের ওপর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
• ব্যায়ামের কারনে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় বলে তার কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। স্ট্রেস থেকে মুক্তি এবং মুড বদলানোর জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই।
• জগিং, দৌড়ানো, সাঁতার, হাইকিং, সাইক্লিং ধরনের কার্ডিয়াক বা হৃদ্পেশির শক্তিবর্ধক অ্যারোবিকস ব্যায়াম বিষণ্নতা কমায়। নিয়মিত সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে সাইক্লিং, সাঁতার বা জগিংয়ের মতো ব্যায়ামের ফলে সহজেই কার্যক্ষম এবং চনমনে থাকা সম্ভব।
• প্রাণবন্ত থাকার জন্য আপনার কিশোরী কন্যার নিয়মিত হাঁটাহাঁটির অভ্যাস গড়ে তুলুন, পাশাপাশি সামাজিক
কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ বাড়ানোর ব্যবস্থা করুন।
• হাঁটা বা সাঁতার কাটার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকলে বাড়িতে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে জগিং বা পা বাম-ডান করতে পারেন। মনে রাখতে হবে, যেকোনো ব্যায়াম করার আগে উষ্ণ বা ওয়ার্মআপ এবং শেষে কুলডাউন বা শীতলীকরণ করতে হবে।
বিষণ্নতার লক্ষণ
নেগেটিভ মুড বা মুড সুইং, কাজে আগ্রহ হারানো, শারীরিক অস্থিরতা, যেমন: হাত নাড়ানো বেড়ে যাওয়া বা নড়াচড়া কমে যাওয়া, কথা কম বলা, হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘুমানো বা ঘুম কমে যাওয়া, ক্লান্তিবোধ, তীব্র অপরাধবোধ কাজ করা, সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা, সবকিছুতেই অনাগ্রহ প্রকাশ, আত্মহত্যার প্রচেষ্টা।
লেখক: ফিজিওথেরাপি পরামর্শক, ফিজিক্যাল থেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার (পিটিআরসি)
আরও পড়ুন:
সব বয়সের মানুষের বিষণ্নতা দেখা দিতে পারে। ব্যায়াম বিষণ্নতা কমাতে সহায়তা করে। আপনার কিশোরী কন্যাটিকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে উদ্বুদ্ধ করুন। এতে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকবে।
• যারা আগে ব্যায়াম করেনি বা গত ছয় মাসের মধ্যে ব্যায়াম করেনি, তাদের ক্ষেত্রে যে কোনো ব্যায়াম শুরুর আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
• শরীরে প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে কর্টিসল বা এড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে শরীরের অন্যান্য অংশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিষণ্নতা বেড়ে যাওয়া তার মধ্যে অন্যতম। নিয়মিত ব্যায়ামে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ব্যায়াম মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দেয় বলে শরীরের ওপর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
• ব্যায়ামের কারনে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় বলে তার কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। স্ট্রেস থেকে মুক্তি এবং মুড বদলানোর জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই।
• জগিং, দৌড়ানো, সাঁতার, হাইকিং, সাইক্লিং ধরনের কার্ডিয়াক বা হৃদ্পেশির শক্তিবর্ধক অ্যারোবিকস ব্যায়াম বিষণ্নতা কমায়। নিয়মিত সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে সাইক্লিং, সাঁতার বা জগিংয়ের মতো ব্যায়ামের ফলে সহজেই কার্যক্ষম এবং চনমনে থাকা সম্ভব।
• প্রাণবন্ত থাকার জন্য আপনার কিশোরী কন্যার নিয়মিত হাঁটাহাঁটির অভ্যাস গড়ে তুলুন, পাশাপাশি সামাজিক
কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ বাড়ানোর ব্যবস্থা করুন।
• হাঁটা বা সাঁতার কাটার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকলে বাড়িতে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে জগিং বা পা বাম-ডান করতে পারেন। মনে রাখতে হবে, যেকোনো ব্যায়াম করার আগে উষ্ণ বা ওয়ার্মআপ এবং শেষে কুলডাউন বা শীতলীকরণ করতে হবে।
বিষণ্নতার লক্ষণ
নেগেটিভ মুড বা মুড সুইং, কাজে আগ্রহ হারানো, শারীরিক অস্থিরতা, যেমন: হাত নাড়ানো বেড়ে যাওয়া বা নড়াচড়া কমে যাওয়া, কথা কম বলা, হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘুমানো বা ঘুম কমে যাওয়া, ক্লান্তিবোধ, তীব্র অপরাধবোধ কাজ করা, সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা, সবকিছুতেই অনাগ্রহ প্রকাশ, আত্মহত্যার প্রচেষ্টা।
লেখক: ফিজিওথেরাপি পরামর্শক, ফিজিক্যাল থেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার (পিটিআরসি)
আরও পড়ুন:
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৮ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৮ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৯ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে