জীবনধারা ডেস্ক
ত্বক সুন্দর রাখতে আমরা কত কীই–না করি। বাজারে নামে নিত্য়নতুন ত্বক সুন্দরকারী পণ্য়ের ঢল। কিন্তু ত্বক ভালো রাখতে বাহ্য়িক যত্নই কি সব? যাঁরা রোজ বাইরে বের হন, তাঁদের ত্বক সূর্যরশ্মি, ধুলাবালি ও গাড়ির ধোঁয়ার প্রভাবে তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া নারীদের ক্ষেত্রে ঋতুচক্র, মেনোপজের আগে ও মেনোপজের কারণে ত্বক নানা ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এসব ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কমাতে খাদ্য়াভাসের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। কিছু কিছু খাবার রয়েছে, যা ত্বক সুস্থ, সুন্দর ও মসৃণ রাখতে সহায়তা করে। এগুলো খাদ্যতালিকায় রাখলে ত্বকও থাকে সুরক্ষিত।
পাকা পেঁপে: পাকা পেঁপে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘কে’ ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান থাকে। যা ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
বেদানা: বেদানা ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। ত্বকের রং উন্নত করতে ও ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সহায়ত করে এই ফলটি।
বাদাম: বাদামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’। যা ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্য়ুকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি বাদাম খেলে ত্বক আর্দ্র থাকে ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকে। যাঁদের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল, তাঁরা খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের বাদাম রাখতে পারেন; এর মধ্য়কার ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে।
পালংশাক: পালংশাক ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। ফলে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে এর জুড়ি নেই।
পানিবহুল ফল: পানিবহুল বিভিন্ন ফলে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট; যা শরীর থেকে ক্ষতিকর জীবাণু ও বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সহায়তা করে। ফলে ত্বক বিশুদ্ধ থাকে ও বলিরেখামুক্ত থাকে।
বেলপেপার: এতে রয়েছে উচ্চমানের ভিটামিন ‘সি’; যা কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং ত্বকের ক্ষত সারাতে সহায়তা করে।
মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু ভিটামিন ‘এ’তে ভরপুর। এটি ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখতে সহায়তা করে। মিষ্টি আলু খেলে ত্বক থাকে মসৃণ।
টমেটো: টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, লাইকোপেন, বিটা ক্যারোটিন ও লিউটেইন; এগুলো ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না।
ডার্ক চকোলেট: চকোলেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর, শুধু অতিরিক্ত দুধ–চিনি মেশানো চকোলেটের পরিবর্তে বেছে নিতে হবে ডার্ক চকোলেট; তবেই সুন্দর থাকবে ত্বক। ডার্ক চকোলেটে রয়েছে উচ্চমানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট; যা ত্বকের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় বলে ত্বকের জেল্লা বাড়ে ও ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে।
তবে, সুন্দর ত্বকের জন্য কেবল এসব খাবার খাওয়াই যথেষ্ট নয়; পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।
সূত্র: এমএসএন ডট কম, হেলথলাইন ও অন্যান্য
ত্বক সুন্দর রাখতে আমরা কত কীই–না করি। বাজারে নামে নিত্য়নতুন ত্বক সুন্দরকারী পণ্য়ের ঢল। কিন্তু ত্বক ভালো রাখতে বাহ্য়িক যত্নই কি সব? যাঁরা রোজ বাইরে বের হন, তাঁদের ত্বক সূর্যরশ্মি, ধুলাবালি ও গাড়ির ধোঁয়ার প্রভাবে তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া নারীদের ক্ষেত্রে ঋতুচক্র, মেনোপজের আগে ও মেনোপজের কারণে ত্বক নানা ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এসব ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কমাতে খাদ্য়াভাসের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। কিছু কিছু খাবার রয়েছে, যা ত্বক সুস্থ, সুন্দর ও মসৃণ রাখতে সহায়তা করে। এগুলো খাদ্যতালিকায় রাখলে ত্বকও থাকে সুরক্ষিত।
পাকা পেঁপে: পাকা পেঁপে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘কে’ ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান থাকে। যা ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
বেদানা: বেদানা ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। ত্বকের রং উন্নত করতে ও ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সহায়ত করে এই ফলটি।
বাদাম: বাদামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’। যা ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্য়ুকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি বাদাম খেলে ত্বক আর্দ্র থাকে ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকে। যাঁদের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল, তাঁরা খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের বাদাম রাখতে পারেন; এর মধ্য়কার ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে।
পালংশাক: পালংশাক ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। ফলে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে এর জুড়ি নেই।
পানিবহুল ফল: পানিবহুল বিভিন্ন ফলে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট; যা শরীর থেকে ক্ষতিকর জীবাণু ও বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সহায়তা করে। ফলে ত্বক বিশুদ্ধ থাকে ও বলিরেখামুক্ত থাকে।
বেলপেপার: এতে রয়েছে উচ্চমানের ভিটামিন ‘সি’; যা কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং ত্বকের ক্ষত সারাতে সহায়তা করে।
মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু ভিটামিন ‘এ’তে ভরপুর। এটি ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখতে সহায়তা করে। মিষ্টি আলু খেলে ত্বক থাকে মসৃণ।
টমেটো: টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, লাইকোপেন, বিটা ক্যারোটিন ও লিউটেইন; এগুলো ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না।
ডার্ক চকোলেট: চকোলেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর, শুধু অতিরিক্ত দুধ–চিনি মেশানো চকোলেটের পরিবর্তে বেছে নিতে হবে ডার্ক চকোলেট; তবেই সুন্দর থাকবে ত্বক। ডার্ক চকোলেটে রয়েছে উচ্চমানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট; যা ত্বকের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় বলে ত্বকের জেল্লা বাড়ে ও ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে।
তবে, সুন্দর ত্বকের জন্য কেবল এসব খাবার খাওয়াই যথেষ্ট নয়; পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।
সূত্র: এমএসএন ডট কম, হেলথলাইন ও অন্যান্য
রান্নায় চিনি ব্যবহারে খাবারের রঙ ও স্বাদ দুটোই বাড়ে। বিশ্বাস না হলে গরুর মাংসে চিনি ব্যবহার করেই দেখুন। তবে শুধু চিনি ব্যবহার করলেই হবে না, কীভাবে রান্না করছেন তার ওপরও নির্ভর করবে স্বাদ কেমন হবে।
১৯ দিন আগেশ্রাবণের শেষেই যদি থাকে রোদের এত তাপ, তাহলে আসছে শরতে কী হবে, বোঝাই যাচ্ছে। সকালে স্নান সেরে সেজেগুজে বের হয়েও নিস্তার নেই। আধা ঘণ্টার মধ্য়ে ঘেমে-নেয়ে নাজেহাল। রোদের তাপে ত্বকের অবস্থা খারাপ। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও এ ঋতুতে বেড়ে যায়। এ সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে পারলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা কমে...
১৯ দিন আগে‘ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো’। ঋত্বিক ঘটকের এই কথা শোনেনি, এমন মানুষ কি আছে। কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনোভাবে এই উক্তি আমরা বহুবার শুনেছি। খুব ইতিবাচক কথা নিঃসন্দেহে। তবে এই ‘ভাবা’ বা ‘ভাবনা’ কিংবা ‘চিন্তা’ শব্দটির উল্টো দিকে আছে ‘দুর্ভাবনা’ শব্দটি।
১৯ দিন আগেরোমকূপে ত্বক নষ্ট! সেই সঙ্গে নষ্ট শান্তি। বহু কিছু করেও বাগে আনা যাচ্ছে না সেগুলো; বরং ধীরে ধীরে সংখ্যা বেড়ে চলেছে। একটু ধৈর্য ধরে বসুন। এরও প্রতিকার আছে। ঘরোয়া উপায়ে ধীরে ধীরে পোরস বা রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
১৯ দিন আগে