আবদুল আযীয কাসেমি
রমজান ইবাদতের মাস। রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবিগণ এ মাসকে দারুণভাবে পালন করতেন। সবাই এ মাসে ইবাদতের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতেন। রমজানে দিনের বেলায় সিয়াম সাধনার পর রাতের বেলায় চলত কিয়ামুল্লাইল তথা তারাবি ও তাহাজ্জুদ। দীর্ঘ তারাবির পাশাপাশি তাঁরা তাহাজ্জুদও আদায় করতেন রাত জেগে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াব লাভের আশায় এর সঙ্গে রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি রমজানে রাতের নামাজ আদায় করবে ইমান ও সওয়াবের আশায়, তারও অতীতের সব গুনাহ (সগিরা) ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি কদরের রাতে ইমান ও সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদত করবে, তারও অতীতের সব গুনাহ (সগিরা) মুছে দেওয়া হবে। (বুখারি ও মুসলিম)
রমজানের প্রথম দুই দশক সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য থেকে বোঝা যায়, এ সময়ে রাসুলুল্লাহ (সা) রাত জাগতেন। খুব অল্প সময়ই ঘুমোতেন; বাকি সময় ইবাদতে কাটাতেন। তবে রমজানের শেষ দশকে শুধু নিজেই রাত জাগতেন না, পরিবারকেও রাত জাগতে উৎসাহ দিতেন। এ প্রসঙ্গে হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘নবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে এত বেশি পরিশ্রম করতেন, যা তিনি অন্য সময় করতেন না।’ (বুখারি ও মুসলিম)
সায়েব ইবনে ইয়াজিদ বলেন, হজরত ওমর (রা.)-এর নির্দেশে হজরত উবাই ইবনে কাআব ও তামিমে দারি (রা.) আমাদের তারাবি নামাজ আদায় করাতেন। তিনি একেক রাকাতে ২০০ আয়াতও তিলাওয়াত করতেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে আমরা ক্লান্ত হয়ে লাঠির ওপর ভর দিতাম। নামাজ শেষ হতে হতে সুবহে সাদিকের সামান্য সময় বাকি থাকত। (বায়হাকি)
রমজান ইবাদতের মাস। রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবিগণ এ মাসকে দারুণভাবে পালন করতেন। সবাই এ মাসে ইবাদতের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতেন। রমজানে দিনের বেলায় সিয়াম সাধনার পর রাতের বেলায় চলত কিয়ামুল্লাইল তথা তারাবি ও তাহাজ্জুদ। দীর্ঘ তারাবির পাশাপাশি তাঁরা তাহাজ্জুদও আদায় করতেন রাত জেগে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াব লাভের আশায় এর সঙ্গে রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি রমজানে রাতের নামাজ আদায় করবে ইমান ও সওয়াবের আশায়, তারও অতীতের সব গুনাহ (সগিরা) ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি কদরের রাতে ইমান ও সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদত করবে, তারও অতীতের সব গুনাহ (সগিরা) মুছে দেওয়া হবে। (বুখারি ও মুসলিম)
রমজানের প্রথম দুই দশক সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য থেকে বোঝা যায়, এ সময়ে রাসুলুল্লাহ (সা) রাত জাগতেন। খুব অল্প সময়ই ঘুমোতেন; বাকি সময় ইবাদতে কাটাতেন। তবে রমজানের শেষ দশকে শুধু নিজেই রাত জাগতেন না, পরিবারকেও রাত জাগতে উৎসাহ দিতেন। এ প্রসঙ্গে হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘নবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে এত বেশি পরিশ্রম করতেন, যা তিনি অন্য সময় করতেন না।’ (বুখারি ও মুসলিম)
সায়েব ইবনে ইয়াজিদ বলেন, হজরত ওমর (রা.)-এর নির্দেশে হজরত উবাই ইবনে কাআব ও তামিমে দারি (রা.) আমাদের তারাবি নামাজ আদায় করাতেন। তিনি একেক রাকাতে ২০০ আয়াতও তিলাওয়াত করতেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে আমরা ক্লান্ত হয়ে লাঠির ওপর ভর দিতাম। নামাজ শেষ হতে হতে সুবহে সাদিকের সামান্য সময় বাকি থাকত। (বায়হাকি)
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৭ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৮ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৮ দিন আগে