ইসলাম ডেস্ক
জুলুম আরবি শব্দ। জুলুমের অর্থ ব্যাপক এবং অনেক বিস্তৃত। সাধারণত জুলুম অর্থ নির্যাতন, নিপীড়ন। শরিয়তের পরিভাষায় জুলুম বলা হয়—কোনো উপযুক্ত জিনিসকে উপযুক্ত স্থানে না রেখে অনুপযুক্ত স্থানে রাখা। যে জুলুম করে তাকে জালিম বলা হয়। মানুষ বিভিন্ন পদ্ধতিতে একজন অন্যজনের ওপর জুলুম করে। কেউ নিজেই নিজের নফসের ওপর জুলুম করে। আবার কেউ পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলুম করে জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়।
নিজের নফসের ওপর জুলুম করা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি তাদের প্রতি জুলুম করি নি; বরং তারা নিজেরাই ছিল জালেম। (সুরা জুখরুফ: ৭৬)
জাবির (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জুলুম করা থেকে নিজেকে বাঁচাও। কেননা, কিয়ামতের কঠিন দিনে জুলুম কঠিন অন্ধকাররূপে আত্মপ্রকাশ করবে। (সহিহ্ মুসলিম: ২৫৭৮)
জুলুমের বিভিন্ন প্রকার ও পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, অন্যায়ভাবে কাউকে মারধর করা, হত্যা করা। যা শরিয়তের দৃষ্টিতে ঘৃণিত ও নিকৃষ্ট কাজ। যারা এ ধরনের কাজ করে। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, তাদের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। কেননা আল্লাহ তাআলা একজন মুমিনের রক্ত, ইজ্জত-আবরু অন্য মুমিনের ওপর হারাম করে দিয়েছেন। কেউ চাইলেই বিনষ্ট করতে পারবে না, শরিয়ত সেই অনুমোদন কাউকে দেয়নি।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘একজন মানুষ মন্দ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার ভাইকে হেয় জ্ঞান করবে। একজন মুসলিমের ওপর প্রতিটি মুসলমানের জান-মাল ও ইজ্জত-আবরু হারাম।’ (সহিহ্ মুসলিম ২৫৬৪)
শরিয়ত যাকে হত্যা করা বৈধতা দেয়নি, অর্থাৎ অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এ কারণেই আমি বনী ইসরাঈলের প্রতি বিধান দিয়েছিলাম, কেউ যদি কাউকে হত্যা করে এবং তা অন্য কাউকে হত্যা করার কারণে কিংবা পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তারের কারণে না হয়, তবে সে যেন সমস্ত মানুষকে হত্যা করল। আর যে ব্যক্তি কারও প্রাণ রক্ষা করে, সে যেন সমস্ত মানুষের প্রাণরক্ষা করল। বস্তুত আমার রাসুলগণ তাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে এসেছে, কিন্তু তারপরও তাদের মধ্যে বহু লোক পৃথিবীতে সীমালংঘনই করে যেতে থাকে। (সুরা মায়িদা: ৩২)
নবী করিম (সা.) বলেন, ‘পৃথিবী ধ্বংস প্রাপ্ত হওয়া আল্লাহর নিকট কোনো মুসলমান ব্যক্তির অন্যায়ভাবে নিহত হওয়া অপেক্ষা তুচ্ছতর।’ (সুনানে নাসায়ি: ৩৯৮৭)
জুলুম আরবি শব্দ। জুলুমের অর্থ ব্যাপক এবং অনেক বিস্তৃত। সাধারণত জুলুম অর্থ নির্যাতন, নিপীড়ন। শরিয়তের পরিভাষায় জুলুম বলা হয়—কোনো উপযুক্ত জিনিসকে উপযুক্ত স্থানে না রেখে অনুপযুক্ত স্থানে রাখা। যে জুলুম করে তাকে জালিম বলা হয়। মানুষ বিভিন্ন পদ্ধতিতে একজন অন্যজনের ওপর জুলুম করে। কেউ নিজেই নিজের নফসের ওপর জুলুম করে। আবার কেউ পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলুম করে জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়।
নিজের নফসের ওপর জুলুম করা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি তাদের প্রতি জুলুম করি নি; বরং তারা নিজেরাই ছিল জালেম। (সুরা জুখরুফ: ৭৬)
জাবির (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জুলুম করা থেকে নিজেকে বাঁচাও। কেননা, কিয়ামতের কঠিন দিনে জুলুম কঠিন অন্ধকাররূপে আত্মপ্রকাশ করবে। (সহিহ্ মুসলিম: ২৫৭৮)
জুলুমের বিভিন্ন প্রকার ও পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, অন্যায়ভাবে কাউকে মারধর করা, হত্যা করা। যা শরিয়তের দৃষ্টিতে ঘৃণিত ও নিকৃষ্ট কাজ। যারা এ ধরনের কাজ করে। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, তাদের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। কেননা আল্লাহ তাআলা একজন মুমিনের রক্ত, ইজ্জত-আবরু অন্য মুমিনের ওপর হারাম করে দিয়েছেন। কেউ চাইলেই বিনষ্ট করতে পারবে না, শরিয়ত সেই অনুমোদন কাউকে দেয়নি।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘একজন মানুষ মন্দ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার ভাইকে হেয় জ্ঞান করবে। একজন মুসলিমের ওপর প্রতিটি মুসলমানের জান-মাল ও ইজ্জত-আবরু হারাম।’ (সহিহ্ মুসলিম ২৫৬৪)
শরিয়ত যাকে হত্যা করা বৈধতা দেয়নি, অর্থাৎ অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এ কারণেই আমি বনী ইসরাঈলের প্রতি বিধান দিয়েছিলাম, কেউ যদি কাউকে হত্যা করে এবং তা অন্য কাউকে হত্যা করার কারণে কিংবা পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তারের কারণে না হয়, তবে সে যেন সমস্ত মানুষকে হত্যা করল। আর যে ব্যক্তি কারও প্রাণ রক্ষা করে, সে যেন সমস্ত মানুষের প্রাণরক্ষা করল। বস্তুত আমার রাসুলগণ তাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে এসেছে, কিন্তু তারপরও তাদের মধ্যে বহু লোক পৃথিবীতে সীমালংঘনই করে যেতে থাকে। (সুরা মায়িদা: ৩২)
নবী করিম (সা.) বলেন, ‘পৃথিবী ধ্বংস প্রাপ্ত হওয়া আল্লাহর নিকট কোনো মুসলমান ব্যক্তির অন্যায়ভাবে নিহত হওয়া অপেক্ষা তুচ্ছতর।’ (সুনানে নাসায়ি: ৩৯৮৭)
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৭ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৮ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৮ দিন আগে