তানবিরুল হক আবিদ
কোরবানির ঈদ মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা হিজরি বর্ষপঞ্জির জিলহজ মাসের ১০ তারিখে উদ্যাপন করা হয়। এটি ঈদুল আজহা নামেও পরিচিত। ঈদুল আজহা কেবল একটি উৎসব নয়—এটি আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি আনুগত্য এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতীক।
এদিনটি মুসলিম সমাজে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতা ছড়িয়ে দেয়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং একত্রে সময় কাটানো ঈদের আনন্দকে আরও গভীর করে তোলে। বিশেষ করে পশু কোরবানির মাধ্যমে ত্যাগের শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ে চারদিক।
ঈদুল আজহার দিনের অন্যতম ইবাদত ঈদের নামাজ আদায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা। ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো হালাল পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না, এর জন্য ইসলামের কিছু নির্ধারিত পশু রয়েছে। কোরবানির পশু হিসেবে গৃহপালিত গরু, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, মহিষ, উট ব্যবহার করা যায়। এ ক্ষেত্রে ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে এক বছর, গরু-মহিষ দুই বছর এবং উটের পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু, যেমন ঘোড়া, হরিণ, বন্য গরু ইত্যাদি দিয়ে কোরবানি করা বৈধ নয়। তদ্রূপ হাঁস-মুরগি বা কোনো পাখি দিয়েও কোরবানি আদায় হয় না।
কোনো কোনো অঞ্চলে এ কথা প্রচলিত আছে—কোরবানির ঈদের দিন হাঁস-মুরগি জবাই করা যায় না। এ বিষয়ে ইসলামের বিধান হলো, হাঁস-মুরগি দিয়ে কোরবানি আদায় হয় না, তা ঠিক। কিন্তু এগুলো কোরবানির ঈদের দিন জবাই করা যাবে না—এমন কথা ঠিক নয়। কোরবানির দিনগুলোয় মাংস খাওয়ার জন্য হাঁস-মুরগি জবাই করা যাবে। তবে কোরবানির নিয়তে এগুলো জবাই করা যাবে না। (কাজিখান: ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৫, দুররুল মুখতার: ৬/৩১৩, আহসানুল ফাতাওয়া: ৭/৪৮৫, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ১১/৩১৫)
কোরবানির ঈদ মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা হিজরি বর্ষপঞ্জির জিলহজ মাসের ১০ তারিখে উদ্যাপন করা হয়। এটি ঈদুল আজহা নামেও পরিচিত। ঈদুল আজহা কেবল একটি উৎসব নয়—এটি আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি আনুগত্য এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতীক।
এদিনটি মুসলিম সমাজে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতা ছড়িয়ে দেয়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং একত্রে সময় কাটানো ঈদের আনন্দকে আরও গভীর করে তোলে। বিশেষ করে পশু কোরবানির মাধ্যমে ত্যাগের শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ে চারদিক।
ঈদুল আজহার দিনের অন্যতম ইবাদত ঈদের নামাজ আদায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা। ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো হালাল পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না, এর জন্য ইসলামের কিছু নির্ধারিত পশু রয়েছে। কোরবানির পশু হিসেবে গৃহপালিত গরু, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, মহিষ, উট ব্যবহার করা যায়। এ ক্ষেত্রে ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে এক বছর, গরু-মহিষ দুই বছর এবং উটের পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু, যেমন ঘোড়া, হরিণ, বন্য গরু ইত্যাদি দিয়ে কোরবানি করা বৈধ নয়। তদ্রূপ হাঁস-মুরগি বা কোনো পাখি দিয়েও কোরবানি আদায় হয় না।
কোনো কোনো অঞ্চলে এ কথা প্রচলিত আছে—কোরবানির ঈদের দিন হাঁস-মুরগি জবাই করা যায় না। এ বিষয়ে ইসলামের বিধান হলো, হাঁস-মুরগি দিয়ে কোরবানি আদায় হয় না, তা ঠিক। কিন্তু এগুলো কোরবানির ঈদের দিন জবাই করা যাবে না—এমন কথা ঠিক নয়। কোরবানির দিনগুলোয় মাংস খাওয়ার জন্য হাঁস-মুরগি জবাই করা যাবে। তবে কোরবানির নিয়তে এগুলো জবাই করা যাবে না। (কাজিখান: ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৫, দুররুল মুখতার: ৬/৩১৩, আহসানুল ফাতাওয়া: ৭/৪৮৫, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ১১/৩১৫)
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে