কাউসার লাবীব
খুশির বার্তা নিয়ে হাজির হয় ঈদ। ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করে। তবে বছরে মাত্র দুইবার এই নামাজ পড়ার ফলে অনেকেরই এর নিয়মকানুন মনে থাকে না। ঈদের নামাজ সংক্রান্ত যেসব বিষয় মনে রাখতে হবে, তা হলো—
ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। আজান-একামত ছাড়া এই নামাজ আদায় করতে হয়। ঈদের নামাজ দুই রাকাত।
ঈদের নামাজ মাঠে-ময়দানে আদায় করা উত্তম। তবে মক্কাবাসীদের জন্য মসজিদে হারামে আদায় করা উত্তম। শহরের মসজিদগুলোতেও ঈদের নামাজ আদায় করা জায়েজ আছে। যাদের ওপর জুমার নামাজ ওয়াজিব, ঈদের নামাজও তাদের ওপর ওয়াজিব।
ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে খুশুখুজুর সঙ্গে। নামাজের নিয়ত মনে মনে করলেই যথেষ্ট, মুখে উচ্চারণ করার আবশ্যকতা নেই। মনে মনে থাকতে হবে—আমি দুই রাকাত ঈদের নামাজ কিবলামুখী হয়ে এই ইমামের পেছনে অতিরিক্ত ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায় করছি।
ঈদের নামাজে অতিরিক্ত ছয় তাকবির দেওয়া ওয়াজিব। প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমা ও ছানা পড়ার পর অতিরিক্ত তিন তাকবির দিতে হবে। তৃতীয় তাকবির ছাড়া প্রত্যেক তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে।
দ্বিতীয় রাকাতে কেরাতের পর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিন তাকবির দিতে হবে। প্রত্যেক তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে। এরপর রুকুতে যাওয়ার তাকবির আলাদা দিতে হবে।
এই তাকবিরগুলো বলার সময় ইমাম-মুকতাদি সবাই হাত ওঠাতে হবে।
ঈদের নামাজ আদায় শেষে চুপচাপ মনোযোগ দিয়ে ঈদের খুতবা শুনতে হবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, চার সময় চুপ থাকা ওয়াজিব। জুমা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং ইসতিসকার খুতবার সময়। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৫৬৪২)
ঈদের নামাজে খুতবা দেওয়া সুন্নত। তবে খুতবা শুরু হয়ে গেলে উপস্থিত মুসল্লিদের জন্য খুতবা শোনা ওয়াজিব। ইচ্ছাকৃত খুতবা ছেড়ে দেওয়া গুনাহ। তবে এর কারণে ঈদের নামাজে কোনো কমতি হবে না।
খুশির বার্তা নিয়ে হাজির হয় ঈদ। ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করে। তবে বছরে মাত্র দুইবার এই নামাজ পড়ার ফলে অনেকেরই এর নিয়মকানুন মনে থাকে না। ঈদের নামাজ সংক্রান্ত যেসব বিষয় মনে রাখতে হবে, তা হলো—
ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। আজান-একামত ছাড়া এই নামাজ আদায় করতে হয়। ঈদের নামাজ দুই রাকাত।
ঈদের নামাজ মাঠে-ময়দানে আদায় করা উত্তম। তবে মক্কাবাসীদের জন্য মসজিদে হারামে আদায় করা উত্তম। শহরের মসজিদগুলোতেও ঈদের নামাজ আদায় করা জায়েজ আছে। যাদের ওপর জুমার নামাজ ওয়াজিব, ঈদের নামাজও তাদের ওপর ওয়াজিব।
ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে খুশুখুজুর সঙ্গে। নামাজের নিয়ত মনে মনে করলেই যথেষ্ট, মুখে উচ্চারণ করার আবশ্যকতা নেই। মনে মনে থাকতে হবে—আমি দুই রাকাত ঈদের নামাজ কিবলামুখী হয়ে এই ইমামের পেছনে অতিরিক্ত ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায় করছি।
ঈদের নামাজে অতিরিক্ত ছয় তাকবির দেওয়া ওয়াজিব। প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমা ও ছানা পড়ার পর অতিরিক্ত তিন তাকবির দিতে হবে। তৃতীয় তাকবির ছাড়া প্রত্যেক তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে।
দ্বিতীয় রাকাতে কেরাতের পর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিন তাকবির দিতে হবে। প্রত্যেক তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে। এরপর রুকুতে যাওয়ার তাকবির আলাদা দিতে হবে।
এই তাকবিরগুলো বলার সময় ইমাম-মুকতাদি সবাই হাত ওঠাতে হবে।
ঈদের নামাজ আদায় শেষে চুপচাপ মনোযোগ দিয়ে ঈদের খুতবা শুনতে হবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, চার সময় চুপ থাকা ওয়াজিব। জুমা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং ইসতিসকার খুতবার সময়। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৫৬৪২)
ঈদের নামাজে খুতবা দেওয়া সুন্নত। তবে খুতবা শুরু হয়ে গেলে উপস্থিত মুসল্লিদের জন্য খুতবা শোনা ওয়াজিব। ইচ্ছাকৃত খুতবা ছেড়ে দেওয়া গুনাহ। তবে এর কারণে ঈদের নামাজে কোনো কমতি হবে না।
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৯ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে