আবদুল আযীয কাসেমি
রমজানে রোজা রেখে খাবার চেখে দেখা যাবে কি? এর উত্তরে আলেমরা বলেছেন, রোজা রেখে বিনা প্রয়োজনে খাবার চেখে দেখা মাকরুহ। তবে চাকরি বাঁচানো, স্বামীর অসন্তুষ্টি ইত্যাদি দরকারি কারণে চেখে দেখলে রোজা ভাঙবে না।
বিশিষ্ট তাবেয়ি হজরত মাসরুক বলেন, আমি ও এক ব্যক্তি হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে এলাম। সেদিন ছিল আরাফাহর দিন। তিনি আমাদের জন্য কোনো পানীয় আনতে নির্দেশ দিলেন। নির্দেশ পালন করা হলো। গ্লাস আমাদের সামনে রেখে তিনি বললেন, ‘আমি যদি রোজাদার না হতাম, তাহলে অবশ্যই এটির স্বাদ চেখে দেখতাম।’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ৯২৮২) এখান থেকে বোঝা গেল, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই এ কাজটি করা যাবে না।
তবে প্রয়োজনের সময় রোজা অবস্থায়ও খাবার চেখে দেখা যাবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, ‘পাতিলের খাবার বা কোনো কিছু চেখে দেখতে অসুবিধা নেই।’ (বুখারি) আতা ইবনে আবি রাবাহ হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বক্তব্য উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘রোজা অবস্থায় সিরকা বা এ জাতীয় কিছু চেখে দেখতে কোনো অসুবিধা নেই। যতক্ষণ না সেটা তার গলায় প্রবেশ করে।’ (মুসান্নাফে ইবনু আবি শাইবা: ৯২৭২)
অর্থাৎ, রোজা ভাঙার আসল কারণ হলো গলা কিংবা অন্য কোনো পথে খাদ্য বা পানীয় পেটে প্রবেশ করা। সেটা যেভাবেই হোক না কেন, রোজা ভেঙে যাবে। যেহেতু আস্বাদন করার ক্ষেত্রে পেটে কিছু প্রবেশ করে না, তাই রোজারও কোনো অসুবিধা হবে না। হিশাম হাসান বসরি থেকে বর্ণনা করেছেন, হাসান বলেন, ‘রোজা অবস্থায় মধু বা ঘি জাতীয় কিছু চেখে দেখতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে সঙ্গে সঙ্গে কুলি করে মুখ পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।’ (মুসান্নাফে ইবনু আবি শাইবা: ৯২৭৯)
রমজানে রোজা রেখে খাবার চেখে দেখা যাবে কি? এর উত্তরে আলেমরা বলেছেন, রোজা রেখে বিনা প্রয়োজনে খাবার চেখে দেখা মাকরুহ। তবে চাকরি বাঁচানো, স্বামীর অসন্তুষ্টি ইত্যাদি দরকারি কারণে চেখে দেখলে রোজা ভাঙবে না।
বিশিষ্ট তাবেয়ি হজরত মাসরুক বলেন, আমি ও এক ব্যক্তি হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে এলাম। সেদিন ছিল আরাফাহর দিন। তিনি আমাদের জন্য কোনো পানীয় আনতে নির্দেশ দিলেন। নির্দেশ পালন করা হলো। গ্লাস আমাদের সামনে রেখে তিনি বললেন, ‘আমি যদি রোজাদার না হতাম, তাহলে অবশ্যই এটির স্বাদ চেখে দেখতাম।’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ৯২৮২) এখান থেকে বোঝা গেল, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই এ কাজটি করা যাবে না।
তবে প্রয়োজনের সময় রোজা অবস্থায়ও খাবার চেখে দেখা যাবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, ‘পাতিলের খাবার বা কোনো কিছু চেখে দেখতে অসুবিধা নেই।’ (বুখারি) আতা ইবনে আবি রাবাহ হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বক্তব্য উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘রোজা অবস্থায় সিরকা বা এ জাতীয় কিছু চেখে দেখতে কোনো অসুবিধা নেই। যতক্ষণ না সেটা তার গলায় প্রবেশ করে।’ (মুসান্নাফে ইবনু আবি শাইবা: ৯২৭২)
অর্থাৎ, রোজা ভাঙার আসল কারণ হলো গলা কিংবা অন্য কোনো পথে খাদ্য বা পানীয় পেটে প্রবেশ করা। সেটা যেভাবেই হোক না কেন, রোজা ভেঙে যাবে। যেহেতু আস্বাদন করার ক্ষেত্রে পেটে কিছু প্রবেশ করে না, তাই রোজারও কোনো অসুবিধা হবে না। হিশাম হাসান বসরি থেকে বর্ণনা করেছেন, হাসান বলেন, ‘রোজা অবস্থায় মধু বা ঘি জাতীয় কিছু চেখে দেখতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে সঙ্গে সঙ্গে কুলি করে মুখ পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।’ (মুসান্নাফে ইবনু আবি শাইবা: ৯২৭৯)
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যা মানবজীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে যখন পারিবারিক বন্ধন শিথিল হচ্ছে এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে, তখন ইসলামি শিক্ষার প্রচলন...
১৮ দিন আগেপবিত্র কোরআনের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি।’ মহানবী (সা.) এই আয়াতটিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একবার তিনি সাহাবি উবাই ইবনে কাআব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার মতে কোরআনের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান?’ জবাবে উবাই (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া...’
১৮ দিন আগেক্ষমতা বা রাজত্ব পেলে মানুষ আল্লাহ ভোলা হয়ে যায়। হয়ে ওঠে বেপরোয়া ও অহংকারী। দুর্বলের ওপর অবাধে চালায় অত্যাচার ও নিপীড়ন। আসলে ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এটা একটা বড় পরীক্ষা। ক্ষমতা পেয়ে বান্দা কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখতে চান আল্লাহ তাআলা। তবে সবাই তো এক না।
১৮ দিন আগেআল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নেয়ামতের অবারিত ঠিকানা জান্নাত। জান্নাতকে পার্থিব নেয়ামত দ্বারা আল্লাহ তাআলা সাজিয়েছেন—যা কোনো চোখ চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো ব্যক্তির অন্তর তা কল্পনাও করতে পারেনি।
১৯ দিন আগে